১০টি বেস্ট আন-ইন্সটলার প্রোগ্রাম, অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলোকে আনইন্সটল করে দিন!

আসলে আমরা অনেকেই আছি যারা সফটওয়্যার অানইনস্টল করার জন্য আলাদা আনইনস্টলার সফটওয়্যার ব্যবহার করার জন্য অভ্যস্থ নই। কন্ট্রোল প্যানেল থেকে ম্যানুয়ালি প্রোগ্রামস ও ফিচার ওপশন থেকে সফটওয়্যার আনইনস্টল করে থাকি। তবে এভাবে আমরা সব সফটওয়্যার আনইনস্টল করতে সক্ষম হই না। অনেকসময় সফটওয়্যার ব্যাকগ্রাউন্ড প্রোসেস অন থাকে, তখন আবার ম্যানুয়ালি সেসব প্রোগ্রামের ব্যাকগ্রাউন্ড প্রোসেস বন্ধ করে তারপর সেটিকে আনইনস্টল করতে হয়। আবার সফটওয়্যার আনইনস্টল করতে পারলেও তার ডাটা রেজিস্ট্রি ফোল্ডারে থেকেই যায়। আর এতসব ঝামেলা থেকে মুক্তির জন্য আমরা ডেডিকেটেড সফটওয়্যার আনইনস্টলার ব্যবহার করতে পারি। যা খুবই দক্ষতার সাথে আমাদের কম্পিউটার থেকে সফটওয়্যারের যায়তীয় সবকিছু ইনস্টল এর সাথে সাথে সরিয়ে ফেলবে। চলুন বন্ধুরা,আজ আমরা জানব সেরা ১০ টি সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম আনইনস্টলার সম্পর্কে। IObit Uninstaller আইওবিট আনইনস্টলার সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল হয়ে থাকা সফটওয়্যার খুজতে পারবেন নানা ফিল্টার ব্যবহার করে। যেমন কোন সফটওয়্যার বেশি জায়গা খাচ্ছে, কোন সফটওয়্যার সিপিইউকে বেশি চাপ দিচ্ছে ইত্যাদি। ব্রাউজারের টুলবার বা প্লাগিন, উইন্ডোজ আপডেটার দিয়ে ডাউনলোড হওয়া প্লাগিন এসব আপনি ডিলিট তথা রিমুভ করতে পারবেন আপনার কম্পিউটার থেকে টেন বিট আনইনস্টলার এর মাধ্যমে। তাছাড়াও আপনি ডেস্কটপে বা কম্পিউটারেরর স্টার্ট মেনুতে কোনো প্রোগ্রামের ওপর মাউস পয়েন্টার নিয়ে রাইট বাটনে চাপ দিলে, যে কনটেক্সট মেনু আসবে – সেখানে সেই সফটওয়্যারটি অানইনস্টল তথা রিমুভ করার অপশন থাকবে। প্রোগ্রাম তথা সফটওয়্যার রিমুভ করার পর, রেজিস্ট্রি ফাইলে তার কোনো ডাটা বিদ্যমান রয়েছে কিনা, তাও আপনি স্ক্যান করতে পারবেন এই সফটওয়্যারটি দিয়ে। ডাউনলোড Geek Uninstaller এটি একটি সম্পূর্ণ প্রোফেশনাল আনইনস্টলার প্রোগ্রাম, যাতে অনেক উপকারী ফিচার বিদ্যমান রয়েছে। প্রোগ্রামটির সাইজ ১০ মেগাবাইট এর থেকেও কম। এটিও প্রোগ্রামের সবরকম ডাটা খুঁজে বের করে, প্রোগ্রামকে কম্পিউটার থেকে পুরোপুরি রিমুভ করতে সহযোগিতা করে। রেজিস্ট্রি ফাইলে কোনো ডাটা বিদ্যমান রয়েছে কিনা তাও চেক করে। তবে সফটওয়্যারটির বেশ কিছু ফিচার কেবল প্রো ভার্সনেই কাজ করে, যাকে টাকা দিয়ে কিনতে হয়। গীক আনইনস্টলার সকল উইন্ডোজ ভার্সনের জন্য সমান উপযোগী। ডাউনলোড Wise Program Uninstaller রাইট ক্লিক কনটেক্সট মেনু থেকে প্রোগ্রাম সরিয়ে ফেলার সুবিধার সাথে, এটিও অন্যান্য আনইনস্টলার সফটওয়্যারের মত দারুন কার্যকরী ও সহজ। ওয়াইজ প্রোগ্রাম আনইনস্টলার সফটওয়্যারটি কোনো সফটওয়্যার তথা প্রোগ্রাম আনইনস্টল ও ডিলিট করার পর্যায়ে অটোমেটিকভাবে কম্পিউটারেরর রেজিস্ট্রি ফাইলে তার কোনো ডাটা পড়ে রয়েছে কিনা তা স্ক্যান করে এবং ডিলিট করে। এই আনইনস্টলার সফটওয়্যারটির ফোর্স আনইনস্টল ফিচারটি আপনাকে সেসব প্রোগ্রাম আনইনস্টল করতে সহযোগিতা করবে যা আপনি সাধারন উপায়ে আনইনস্টল করতে পারছিলেন না। ওয়াইজ আনইনস্টলারটি উইন্ডোজের সকল ভার্সন এর জন্য উপযোগী। ডাউনলোড Revo Uninstaller রেভো আনইনস্টলারও অন্যসব আনইনস্টলার সফটওয়্যার এর মতই, তবে এর ইনস্টলেবল এবং পোর্টেবল দুইরকম ভার্সনই বিদ্যমান রয়েছে। এর হান্টার মোড রানিং সফটওয়্যার বন্ধ করে দেবে
The post ১০টি বেস্ট আন-ইন্সটলার প্রোগ্রাম, অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলোকে আনইন্সটল করে দিন! appeared first on টেকহাবস.

Posted On

কেন লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি বেশি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হয়? আবার কেন বিস্ফোরিতও হতে পারে?

আজকের সেলফোন, ল্যাপটপ, পোর্টেবল ফ্ল্যাশ লাইট, ইলেকট্রিক কার, রোবট, পকেট ক্যালকুলেটর, হাত ঘড়ি, রেডিও, এমনকি ইলেকট্রিক হুইল চেয়ার — সহ অগুনতি ডিভাইজ কখনোই কাজ করতো না, যদি ব্যাটারি না থাকতো। একবার শুধু কল্পনা করে দেখুন, আপনার চারপাশে কোন ব্যাটারি নেই, দেখবেন টাইম মেশিন ছাড়ায় আপনার কল্পনাতে আপনি আদিমযুগে ফেরত চলে যাবেন! ব্যাটারি সত্যিই এক অসাধারণ জিনিষ, যেটার সাইজ এক আঙ্গুল থেকে শুরু করে বড় ট্র্যাঙ্কের সমান, কিন্তু যখন যেখানে প্রয়োজন আপনাকে সহজেই পোর্টেবল ইলেক্ট্রিসিটি প্রদান করতে সক্ষম। লাখো মডার্ন ইলেকট্রনিক্স, ব্যাটারি ছাড়া কেবল বাচ্চা খেলনার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই না। যখনই ইলেক্ট্রিসিটি চলে যায়, ব্যাটারি সর্বদা পাওয়ার প্রদান করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকে। কিন্তু ব্যাটারির সাথে সমস্যা হচ্ছে, বেশিরভাগ ব্যাটারি অনেক দ্রুত শেষ হয়ে যায়, আগের দিনের রেডিও বা ফ্ল্যাশ লাইটের ব্যাটারি গুলোর কথা কল্পনা করুণ, তখন ব্যাটারি শেষে সেগুলোকে ফেলে না দেওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। আর এই নিষ্পত্তিযোগ্য ব্যাটারি গুলোতে গোটা পৃথিবী ভড়ে যাচ্ছিল যেগুলো পরিবেশের জন্য মোটেও সুবিধার ছিল না। রিচার্জেবল ব্যাটারি গুলো চলে আসার পরে এই সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, ব্যাটারি ব্যবহার শেষে আর ফেলে দিতে হয় না, বরং রিচার্জ করে আবার কাজে লাগানো যায়। মডার্ন রিচার্জেবল ব্যাটারি এর বেস্ট টেকনোলজির ব্যাটারি হচ্ছে লিথিয়াম আয়ন (lithium ion) এবং বর্তমানে নতুন এসেছে লিথিয়াম পলিমার (Lithium Polymer) টেকনোলজি — যদিও লিথিয়াম পলিমার লেটেস্ট প্রযুক্তি, কিন্তু তারপরেও লিথিয়াম আয়নের এনার্জি ঘনত্ব অনেক বেশি। আপনার মডার্ন সেলফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, বা আপনার এমপিথ্রি প্লেয়ার বিশেষ করে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি প্রযুক্তিতেই চলে। কিন্তু এই ব্যাটারি প্রযুক্তিতে কি রয়েছে যে, ১৯১২ সালে প্রথম উন্নতি হওয়া এই টেক এখনো এতো জনপ্রিয় এবং কিভাবে আজকের মডার্ন রিচার্জেবল ব্যাটারি গুলো অনেক বেশি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হয়? — এই আর্টিকেলে আমি সমস্ত বিষয়টিকে পরিষ্কার করে লিপিবদ্ধ করেছি। মডার্ন রিচার্জেবল ব্যাটারি ভালো করেই জানেন, ব্যাটারি একটি ছোট ধাতব বাক্সের মধ্যে কেমিক্যাল রিয়াকশন চালিয়ে আপনাকে পাওয়ার সাপ্লাই করে। যখন কোন ব্যাটারির দুই প্রান্তে কিছু লাগিয়ে ব্যবহার করা শুরু করা হয়, ব্যাটারির মধ্যে কেমিক্যাল রিয়াকশন শুরু হয়ে যায়। ব্যাটারির মধ্যে এক কেমিক্যালের সাথে আরেক কেমিক্যাল যুক্ত হয়, ভেঙ্গে যায় এবং নতুন কেমিক্যাল তৈরি করে — এভাবে উৎপন্ন হয় পজিটিভ চার্জ যেটাকে আয়ন বলে এবং নেগেটিভ চার্জ যেটাকে ইলেকট্রন বলা হয়। আয়ন সম্পূর্ণ ব্যাটারি জুড়ে দৌড়ে বেড়ায় আর ইলেকট্রন সার্কিট দিয়ে আপনার ডিভাইজে পাওয়ার জোগান দেয়। সাধারণ ব্যাটারিতে রিয়াকশন কেবল একদিকে এবং একইবার হতে পারে, আর এজন্যই সেগুলোকে রিচার্জ করা সম্ভব হতো না। মডার্ন রিচার্জেবল ব্যাটারি গুলোতে আলাদা রসায়ন ব্যবহার করা হয়েছে, আর সেখানে একসাথে অনেক আলাদা আলাদা রিয়াকশন তৈরি হয়। এই ব্যাটারি গুলোতে দুই টাইপের রিয়াকশন কাজ করে, প্রথমত যখন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, এটি এক প্রকারের রিয়াকশন চালিয়ে আপনার ডিভাইজকে পাওয়ার সঞ্চার করে, কিন্তু যখন ব্যাটারি ডিসচার্জ
The post কেন লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি বেশি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হয়? আবার কেন বিস্ফোরিতও হতে পারে? appeared first on টেকহাবস.

Posted On

টেক লাইফ হ্যাক : যেগুলো আপনার প্রযুক্তির জীবনকে আরো সহজ করবে!

আমরা প্রায় সবাই লাইফ হ্যাক ওয়ার্ডটির সাথে বেশ ভালোভাবেই পরিচিত। লাইফ হ্যাকস হচ্ছে কিছু ছোট ছোট কাজ বা ব্যাবহারিক ট্রিকস যেগুলো আপনার প্রাত্যহিক জীবনের কাজগুলোকে আরেকটু সহজ এবং ঝামেলাবিহীন করে আপনার দৈনন্দিন জীবনকে আরেকটু সহজ করে তোলে। আমরা সবাই কম-বেশি কিছু কিছু লাইফ হ্যাকস জানি এবং প্রতিদিন সেগুলোকে কাজেও লাগাই। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে, এই লাইফ হ্যাকস। তবে আজকে আমরা আলোচনা করবো এমন কয়েকটি লাইফ হ্যাক নিয়ে যেগুলো শুধুমাত্র প্রযুক্তি বিষয়ক। এই টেক লাইফ হ্যাক গুলো আপনার দৈনন্দিন টেকনোলজিনির্ভর জীবনকে আরেকটু সহজ করে তুলবে এবং আপনার কিছুটা মূল্যবান সময় বাঁচিয়ে দেবে। তো চলুন, আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক। ডেক্সটপ স্ক্রিনশট স্ক্রিনশট কি এবং এটি কেন দরকার হয় এ বিষয়ে আমার মনে হয়না কিছু বলার প্রয়োজন আছে। আমরা সবাই জানি যে স্ক্রিনশট কি এবং আর প্রয়োজনীয়তা কি। যদিও স্মার্টফোনে স্ক্রিনশট নেওয়া অনেক সহজ, কিন্তু ডেক্সটপ/পিসির ক্ষেত্রে ততোটা সহজ নয়। হ্যাঁ, ডেস্কটপে স্ক্রিনশট নেওয়ার কাজটিকে চাইলেই অনেক সহজ করে তোলা যায় বিভিন্ন থার্ড পার্টি স্ক্রিনশট নেওয়ার প্রোগ্রাম ইন্সটল করে (যেমন : Greenshot)। কিন্তু স্ক্রিনশট নেওয়ার জন্য উইন্ডোজ এর ডিফল্ট ফার্স্ট পার্টি প্রোগ্রামও রয়েছে যদিও এই প্রোগ্রামটি সম্পর্কে অনেক পিসি ইউজারই জানেন না। হ্যাঁ,আপনি হয়ত এটা জানেন যে পিসিতে যেকোনো সময় স্ক্রিনশট নেওয়া যায় কি-বোর্ডের Insert PrintScreen বাটনটি প্রেস করে। কিন্তু, সেক্ষেত্রে আপনি স্ক্রিনশটটি রিসাইজ করতে পারেন না বা একটি ছোট এরিয়া সিলেক্ট করে স্ক্রিনশট নিতে পারেন না। আপনার স্ক্রিনশটটি ক্লিপবোর্ডে কপি হয়ে থাকে এবং আপনাকে সেই স্ক্রিনশটটি আবার কোন ইমেজ এডিটর প্রোগ্রামে পেস্ট করে নিয়ে তারপরে আবার এডিট করতে হয় অথবা সেভ করতে হয়। এই সম্পূর্ণ কাজ করে শেষ করতে দেখা যায় যে একটি স্ক্রিনশট নেওয়া এবং ক্রপ করার মত ছোট কাজ করতেই ৫ মিনিটের বেশি সময় লেগে যায়। কিন্তু স্ক্রিনশট নেওয়া এবং একই সাথে ক্রপ করে স্ক্রিনশট নেওয়া বা নির্দিষ্ট এরিয়া সিলেক্ট করে স্ক্রিনশট নেওয়ার জন্য উইন্ডোজের ডিফল্ট আরেকটি প্রোগ্রাম রয়েছে, যার নাম Snipping Tool। এই প্রোগ্রামটি আপনি চোখের সামনেই সবসময় পাবেন না। তাই স্ক্রিনশট নেওয়ার আগে আপনাকে উইন্ডোজ স্টার্ট মেনু থেকে সার্চ করে প্রোগ্রামটি ওপেন করতে হবে। স্টার্ট মেনুর সার্চ বারে Snipping ওয়ার্ডটি লেখার পরেই ওপরে সার্চ রেজাল্টের মধ্যে আপনি প্রোগ্রামটি পেয়ে যাবেন। এরপর প্রোগ্রামটি একটি ছোট ওয়াইড উইন্ডোতে ওপেন হবে। সেখানে থাকা New অপশনটিতে ক্লিক করলেই আপনাকে মাউস কার্সরের সাহায্যে এরিয়া সিলেক্ট করতে বলা হবে যেটুকুর স্ক্রিনশট নিতে চান আপনি। এরপরে এরিয়া সিলেক্ট করার সাথে সাথেই স্ক্রিনশটটি সেভ করার জন্য ডায়লগ বক্স দেওয়া হবে এবং আপনি স্ক্রিনশটটি যেখানে ইচ্ছা সেভ করে ফেলতে পারবেন। এই প্রোগ্রামটিতে থার্ড পার্টি স্ক্রিনশট প্রোগ্রামগুলোর মত অনেক বেশি ফিচারস নেই, তবে হটাত
The post টেক লাইফ হ্যাক : যেগুলো আপনার প্রযুক্তির জীবনকে আরো সহজ করবে! appeared first on টেকহাবস.

Posted On

আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড ওয়্যারলেস টেকনোলজি কি? — বিস্তারিত ব্যাখ্যা!

আমরা ওয়্যারলেস টেকনোলজি কেন এতো ভালোবাসি বলুন তো? — একে তো বিনা তারে কাজ করে, দ্বিতীয়ত রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে অনেক দূরত্ব পর্যন্ত হাই ব্যান্ডউইথ রেটে ডাটা ট্র্যান্সফার করা যায়, যদিও ক্যাবল দ্বারা ব্যান্ডউইথ রেট আরোবেশি পাওয়া সম্ভব, কিন্তু পোর্টেবিলিটির জন্য ওয়্যারলেস প্রযুক্তি প্রত্যেকের প্রথম পছন্দ। রেডিও তরঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, যদি ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানো হয় ব্যান্ডউইথ রেট বেড়ে যায় মানে হাই স্পীডে ডাটা ট্র্যান্সফার করা সম্ভব হয় কিন্তু অপরদিকে সিগন্যাল রেঞ্জ কমে যায়। আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড (Ultra-Wideband) ওয়্যারলেস টেকনোলজি বা ইউডাবলুবি (UWB) — একটি শর্টরেঞ্জ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি, যেটার মাধ্যমে অনেক কম পাওয়ার ব্যবহার করে অনেক পরিমানে ডাটা (হাই ব্যান্ডউইথ রেট) অল্প দূরত্বের মধ্যে ট্র্যান্সমিট করা সম্ভব হয়। যদিও এই টেকনোলজি বিশেষ করে কমার্শিয়াল রাডার এর জন্য উন্নতি করা হয়েছিলো কিন্তু বর্তমানে কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে একে বিশেষভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করার জন্য, আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড টেকনোলজি একেবারে বিশেষ মানান সই। এই আর্টিকেলে আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড টেকনোলজি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে এটি অত্যন্ত হাই ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও তরঙ্গ, যেটার অনেক গিগাহার্জ পর্যন্ত ব্যান্ড রয়েছে এবং যার ফলে এটি কয়েক গিগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত স্পীড প্রদান করতে সক্ষম হয়। আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড’কে পালস রেডিও বা ডিজিটাল পালস ওয়্যারলেস বলা হতো, কিন্তু বর্তমানে একে আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড বা আলট্রাব্যান্ড (Ultraband) বা সংক্ষেপে ইউডাবলুবি (UWB) বলা হয়। আলট্রাব্যান্ড টেকনোলজিতে অনেক সর্ট রেডিও সিগন্যাল সেন্ড করা হয় যেগুলোর ফ্রিকোয়েন্সি অনেক হাই হয়ে থাকে, ফলে অনেক হাই রেট ব্যান্ডউইথ স্পীড পাওয়া সম্ভব হয়। এই ট্র্যান্সমিশন একসাথে অনেকগুলো ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলের মধ্যদিয়ে সেন্ড করা হয়, ৫০০ মেগাহার্জের উপর যেকোনো চ্যানেলে আলট্রাব্যান্ড ট্র্যান্সমিট করা যেতে পারে। বিশেষ করে, ৫গিগাহার্জ, সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সিতে ৪৮০ মেগাবিট/সেকেন্ড থেকে ১.৬ গিগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত ডাটা ট্র্যান্সমিট করা সম্ভব হয়ে থাকে। যতোকম দূরত্ব ততোবেশি ব্যান্ডউইথ রেট পাওয়া যায় এবং দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে ব্যান্ডউইথ রেট ড্রপ করে। আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড বিশেষ করে প্রশস্ত স্পেকট্রাম ব্যবহার করে, ফলে বিস্তার স্পেকট্রামের সাথে এই সিগন্যাল বাঁধা বা গণ্ডগোল সৃষ্টি করে না। এর মানে এটি একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে আলাদা ট্র্যান্সমিশনের সাথে গোলযোগ না ঘটিয়েই কাজ করতে পারে। ওয়াইফাই বা সেলফোন টাওয়ার সিগন্যালের সাথে কোনই সমস্যা করে না। ওয়াইফাই যেমন একই ফ্রিকোয়েন্সির আলাদা ট্র্যান্সমিশন, ব্লুটুথ বা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাথে পেঁচিয়ে সিগন্যাল খারাপ করে ফেলে, আলট্রাব্যান্ড টেকনোলজিতে এই সমস্যা ঘটে না। আলট্রাব্যান্ডের সবচাইতে বিস্তর ব্যবহার হয় ওয়্যারলেস ইউএসবি’তে এটি সাধারণ ডেক্সটপ ইউএসব ক্যাবল ইন্টারফেসকে রিপ্লেস করে দিয়েছে। সার্টিফাইড ওয়্যারলেস ইউএসবি মোটামুটি ১১০ মেগাবিট/সেকেন্ড থেকে ৪৮০ মেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত স্পীড হ্যান্ডেল করতে সক্ষম, তবে আপনি কতোটা স্পীড পাবেন সেট নির্ভর করবে দূরত্বের উপর, আগেই বলছি দূরত্ব বাড়লে ব্যান্ডউইথ স্পীড কমে যায়। আবার হোম নেটওয়ার্কের মধ্যে ওয়্যারলেস ভিডিও শেয়ার করার জন্য আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড অত্যন্ত আদর্শ, কেনোনা অবশ্যই এতে হাই ব্যান্ডউইথ
The post আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড ওয়্যারলেস টেকনোলজি কি? — বিস্তারিত ব্যাখ্যা! appeared first on টেকহাবস.

Posted On

ওয়ার্ডপ্রেস গীকঃ পর্ব ৩; ধাপে ধাপে ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগইন ইন্সটল গাইড! [ফ্রী কোর্স!]

ওয়ার্ডপ্রেস গীক সিরিজের তৃতীয় পর্বে সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা। সবাই যেনো ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানে, নিজে নিজে যেনো দারুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পায় সেই প্রত্যয়ে আমাদের সিরিজের যাত্রা। বিগত দুই পর্বে আমরা আপনাদের দারুন সাড়া ও অনুপ্রেরনা পেয়েছি। সেই অনুপ্রেরনা থেকে শক্তি নিয়ে আজ ওয়ার্ডপ্রেস গীক সিরিজে তৃতীয়। এবার থেকে খুবই তাড়াতাড়ি এই ওয়ার্ডপ্রেস সিরিজের আর্টিকেল আনার চেষ্টা করব। আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাই আজকের টপিকে। আজ আমরা জানব ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন ও ওয়ার্ডপ্রেস থীম সম্পর্কে। বিগত আর্টিকেলে আমি দেখিয়েছি কিভাবে আপনার কম্পিউটারে লোকাল হোস্ট তৈরি করে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করবেন, আরো দেখিয়েছি কিভাবেই বা সার্ভারে/ ওয়েব হোস্টিং এ ম্যানুয়ালি ও অটোমেটিক ভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করবেন। যদি না পড়ে থাকেন, অনুরোধ রইল আর্টিকেলটি আবার পড়ে আসুন। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর যে ইন্টারফেসটি দেখতে পান তা খুবই সাধারন একটি জিনিস। একজন নতুন ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী তথা বিগেনার খুবই সহজেই পাঁচ মিনিট ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাসবোর্ডে ঘোরাঘোরি করলে বেসিক সব অপশন গুলো বুঝে যাবে। আজকের আর্টিকেলে আমরা ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগিন ও থীম আসলে কি এবং কিভাবে এদের ওয়ার্ডপ্রেসে ইনস্টল করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানব। প্লাগিন ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন একেক ফাংশনাবিলিটি সম্পন্ন একেকটি সফটওয়্যার। এখানে প্লাগিনকে বলতে পারি ওয়ার্ডপ্রেসের একেকটি অ্যাপ। এসব প্লাগিন এর ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে নানাবিধ নতুন ফাংশান আনা যায়। কোনো কোনো প্লাগিন ব্যবহার করা হয় ওয়েবসাইটের সুরক্ষার জন্য ; আবার কোনো কোনো প্লাগিন ব্যবহার করা হয় পাঠক/দর্শকদের সুবিধার জন্য; কোনো কোনো প্লাগিন আবার ব্যবহার করা হয় এডমিনের নানাবিধ সুবিধার জন্য। এসব ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন লেখা হয় পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে। এরকম নানাবিধ প্লাগিন ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন সরাসরি ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাসবোর্ড এর প্লাগিন স্টোর থেকে, বা ডাউনলোড করা থেকে আপলোড করে ইনস্টল করতে পারে। আবার ওয়েব হোস্টিং ফাইল ম্যানেজারে ম্যানুয়ালি আপলোড বা এফটিপি ক্লায়েন্ট ব্যবহার করে আপলোড করতে পারবে। থীম এনড্রয়েড স্মার্টফোনে কাস্টম লঞ্চার ব্যবহার করলে কী হয়? ফোনের চেহারা ভেতরকার নকশা সব বদলে যায়, পাশাপাশি নতুন ফিচার যুক্ত হয়, তাই নয় কি? ঠিক একইভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের কাস্টম টেমপ্লেট, স্টাইলশীট ও বিল্ট ইন কিছু ফিচারের সংমিশ্রন হল ওয়ার্ডপ্রেস থীম। এসব ওয়ার্ডপ্রেস থীমও সিএসএস,এইচটিএমএল এরমত মার্কআপ ল্যাংগুয়েজের সাথে পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে কোড করে তৈরি করা। এসব ওয়ার্ডপ্রেস থীম গঠন অনুযায়ী তিনভাগে বিভক্ত। এগুলো হলঃ স্টাইল সীট বা Style.css ওয়ার্ডপ্রেস টেমপ্লেট ফাইল ফাংশন বা function.php ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি ব্যাক্তিগতভাবে এগুলো কোডিং করে মডিফাই করারও সুযোগ পাবেন। যার ফলে ডেভেলপারদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস খুবই পছন্দের। ওয়ার্ডপ্রেসে একেকটি থীম আসে একেক ডিজাইনের সাথে, একেক লেআউট এর সাথে ও একেক ফিচারস এর সাথে। এখন আপনি কি রকম ওয়েবসাইট চান তার ওপর বিবেচনা করে হাজারটি ওয়ার্ডপ্রেস পেইড বা ফ্রী থীম কালেকশন থেকে আপনারটি বাছাই করে ইনস্টল করার পালা।
The post ওয়ার্ডপ্রেস গীকঃ পর্ব ৩; ধাপে ধাপে ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগইন ইন্সটল গাইড! [ফ্রী কোর্স!] appeared first on টেকহাবস.

Posted On

অবৈধ ক্রিপটোকারেন্সি মাইনার সাইটগুলোকে ব্রাউজার থেকে ব্লক করুন এবং আপনার হার্ডওয়্যারকে বাঁচান!

আজকের এই ছোট আর্টিকেলটিকে কোন সাধারন আর্টিকেল না বলে সতর্কতামূলক আর্টিকেল বললে ভালো হয়। আপনি যদি টাইটেল দেখে কিছু না বুঝে থাকেন, তাহলে বুঝিয়ে বলি যে আমি আসলে কি বিষয়ে সতর্ক করছি বা কি বিষয়ে আলোচনা করছি। আমরা সবাই বিটকয়েন বা ক্রিপটোকারেন্সি এর বিষয়ে জানি এবং এটাও জানি যে বর্তমানে বিটকয়েন এবং এই ধরনের অন্যান্য ক্রিপটোকারেন্সি যেমন, ইথিরিয়াম বা ড্যাশকয়েন ইত্যাদির চাহিদা বর্তমানে অনেক বেশি এবং এগুলো অনেক বেশি এক্সপেনসিভ। পৃথিবীর সবাই সবাই (যারা এই বিষয়ে জানে) বর্তমানে নিজের কাছে কিছু বিটকয়েন বা অন্যান্য ক্রিপটোকারেন্সি রাখতে চায়। কেনই বা চাইবেনা? ভেবে দেখুন, এখন থেকে ১ বছর আগেও ১ বিটকয়েনের দাম ছিল ১ হাজার ডলারেরও কম। আর এখন মাত্র ১ বছর পরেই ১ বিটকয়েনের দাম ১৫ হাজার ডলারেরও বেশি। ঠিক এই কারণেই সবাই এখন বিটকয়েন কিনতে চায় বা মাইন করতে চায়। কারণ, অধিকাংশ মানুষেরই ধারণা এটার দাম ভবিষ্যতে আরও অনেক অনেক বেশি বেড়ে যাবে। যাইহোক, আসল কথায় আসি। আজকে যা নিয়ে আলোচনা করবো সেটা বুঝতে হলে আগে আপনাকে দুটি বিষয় আগে থেকে জানতে হবে। তা হচ্ছে, বিটকয়েন বা ক্রিপটোকারেন্সি জিনিসটা কি এবং বিটকয়েন মাইনিং জিনিসটা কি। আপনি যদি আগে থেকেই এই দুটি বিষয়ে আগে থেকে ভালভাবেই জেনে থাকেন, তাহলে আপনি আজকের লেখাটি সহজেই বুঝবেন। আর যদি না জেনে থাকেন, তাহলে বিটকয়েন এবং ক্রিপটোকারেন্সি নিয়ে কভার করা আমাদের আগের দুটি আর্টিকেল পড়ে আসতে পারেন। আশা করি এই বিষয়ে মোটামোটি একটা ভালো ধারণা পাবেন। → বিটকয়েন কি? | কীভাবে উপার্জন করবেন? | কীভাবে খরচ করবেন? – বিস্তারিত → বিটকয়েন মাইনিং : উপযোগী নাকি সময়ের অপচয়? এবার বলুন, আপনি বা আমি যদি বিটকয়েন কিনতে চাই বা মাইন করতে চাই তাহলে কি করবো? হয়ত কিছু বিটকয়েন কিনবো অথবা নিজের পিসি এবং হার্ডওয়্যারের প্রোসেসিং পাওয়ার ইউজ করে বিটকয়েন মাইনিং করবো। কিন্তু ইন্টারনেটে আমাদের থেকেও অনেক বেশি চালাক এবং বুদ্ধিমান মানুষ আছে। তারা কি করবে জানেন? তারা আপনার পিসির বা আপনার স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যার এবং প্রোসেসিং পাওয়ার ইউজ করে নিজেরা ক্রিপটোকারেন্সি মাইনিং করবে, কিন্তু আপনি খুব বেশি বুদ্ধিমান মানুষ না হলে কিছুই বুঝতে পারবেন না। কিভাবে? তারা মূলত তাদের ওয়েবসাইটে একধরনের জাভা স্ক্রিপ্ট ইনক্লুড করে দিবে যেটা সারাক্ষন ভিজিটরদের হার্ডওয়্যার ব্যাবহার করে ক্রিপটোকারেন্সি মাইনিং করতে থাকবে। মানে, আপনি যখন তাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন, তখন তারা আপনি যে ডিভাইস দিয়ে ওয়েবসাইটটি ব্রাউজ করছেন ওই ডিভাইসটির হার্ডওয়্যার ব্যাবহার করে ক্রিপটোকারেন্সি মাইনিং করবে। এবং এটি অবশ্যই অবৈধ। কারণ, এটা তারা একধরনের চুরি করেই করছে। কারণ, তারা যে আপনার হার্ডওয়্যার ব্যাবহার করে মাইনিং করছে সেটা তারা আপনাকে জানাচ্ছে না বা আপনার পারমিশন চাচ্ছে না বা যেভাবেই হোক, সেটা আপনাকে জানতে দিচ্ছেনা। এছাড়া আপনারা
The post অবৈধ ক্রিপটোকারেন্সি মাইনার সাইটগুলোকে ব্রাউজার থেকে ব্লক করুন এবং আপনার হার্ডওয়্যারকে বাঁচান! appeared first on টেকহাবস.

Posted On

২.৪ গিগাহার্জ Vs ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড | হোম নেটওয়ার্কিং এর জন্য কোনটি বেস্ট?

যদি ইন্টারনেট কানেক্ট করার প্রশ্ন আসে, অবশ্যই আপনার প্রথম পছন্দ হবে ওয়াইফাই, কেনোনা এটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি সাথে আরো অনেক সুবিধা রয়েছে এতে। ওয়াইফাই একটি রেডিও টেকনোলজি, যেটা আলাদা সকল রেডিও টেকের মতো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির উপর কাজ করে। ওয়াইফাই’এর জন্য নির্ধারিত ফ্রিকোয়েন্সি হচ্ছে ২.৪ গিগাহার্জ। কিন্তু আরেকটি নতুন ফ্রিকোয়েন্সিকে কাজে লাগানো হয়, সেটা ৫ গিগাহার্জ। আপনি যদি পুরাতন বা অনেক আগে ওয়াইফাই রাউটার কিনে থাকেন, সম্ভবত আপনার রাউটারটি ২.৪ গিগাহার্জে কাজ করে। এই আর্টিকেলে আমি ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ড এবং ৫ গিগাহার্জ ওয়াইফাই ব্যান্ড নিয়ে আলোচনা করবো, এবং সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবো কোনটি কোন ক্ষেত্রে বেশি উপযোগী! ২.৪ গিগাহার্জ Vs. ৫ গিগাহার্জ স্বাভাবিক নজরে দেখতে গেলে এই দুইটি ওয়াইফাই’ই জাস্ট এক টাইপের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড। কিন্তু ওয়াইফাই টেকনোলজিতে আলাদা আলাদা ব্যান্ডের আলাদা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। আর এদের মধ্যে সবচাইতে বড় পার্থক্য হচ্ছে স্পীডের ক্ষেত্রে। ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ড ৬০০ মেগাবিট/সেকেন্ড এবং ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড ১৩০০ মেগাবিট/সেকেন্ড স্পীড সমর্থন করে, তবে এতে রাউটারের ক্লাস গুরুত্বপূর্ণ! ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ড অনেক আগে থেকে আরো কিছু ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। পুরাতন কর্ডলেস ফোন, ব্লুটুথ, কিছু রিমোট কন্ট্রোল, এমনকি আপনার বাড়ির মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি কাজ করে। এতগুলো ডিভাইজ একই ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করার জন্য ২.৪ গিগাহার্জ ওয়াইফাই ব্যান্ড সহজেই এই একই টাইপের সিগন্যাল গুলোর সাথে গণ্ডগোল পাকিয়ে যেতে পারে। কিন্তু এর একটি সুবিধাও রয়েছে, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি যতোকম হয় এর রেঞ্জ কিন্তু ততোবেশি হয়ে থাকে। তাই অবশ্যই এটি কম স্পীড প্রদান করলেও, রেঞ্জের ক্ষেত্রে ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড থেকে এটি এগিয়ে থাকবে। যদিও ২.৪ গিগাহার্জ সিগন্যাল অনেক ড্রপ করে, কেনোনা এর প্রতিযোগিতা অনেক বেশি, কিন্তু বেশিরভাগ ওয়াইফাই এনাবল ডিভাইজ ২.৪ গিগাহার্জকেই সমর্থন করে। আজকের মডার্ন ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, বা ট্যাবলেট যদিও ৫ গিগাহার্জ সমর্থন করে, কিন্তু তারপরেও ২.৪ গিগাহার্জ সমর্থনকারীই বেশি রয়েছে। এবার যদি কথা বলি ৫ গিগাহার্জ নিয়ে, ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড ওয়াইফাই নতুন ফ্রিকোয়েন্সি, যেহেতু অনেক কম ডিভাইজ এটি ব্যবহার করে তাই এই সিগন্যাল গোলমাল পাকিয়ে যাওয়া কিংবা সিগন্যাল ড্রপিং সমস্যা অনেক কম হয়। সাথে এর রেঞ্জও কম হয়, কেনোনা আগেই বলেছি, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বেশি হলে রেঞ্জ কমে যায়। কিন্তু এর স্পীড অনেক বেশি হয়ে থাকে, আপনি যদি এর সিগন্যালের মধ্যে থাকেন অবশ্যই শক্তিশালী স্পীড পেতে সক্ষম হবেন। তাহলে যদি এখানে স্পীডের সাথে তুলনা করি, অবশ্যই ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড জয়ী এবং রেঞ্জের দিক থেকে ২.৪ গিগাহার্জ জয়ী। অনেকে মনে করেন, ৫ গিগাহার্জ সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তি বা এটি ২.৪ গিগাহার্জকে রিপ্লেস করতে চলেছে, দেখুন তাদের জন্য বলে রাখি, এই দুই ওয়াইফাই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডই অনেক পুরাতন এবং দুই জনেই নিজের কাজের জন্য বেস্ট, শুধু বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে বলে ২.৪ গিগাহার্জে সিগন্যাল পেঁচিয়ে যেতে
The post ২.৪ গিগাহার্জ Vs ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড | হোম নেটওয়ার্কিং এর জন্য কোনটি বেস্ট? appeared first on টেকহাবস.

Posted On

coinut থেকে কোন রকম রেফারেল ছারাই প্রতিদিন ২$-৫$ ইনকাম করুন ১০০% লিগেল সিস্টেম(A to Z +screenshot+ট্রেড করার ধারনা+আমার পক্ষ থেকে অফার)

আস্সালামু আলাইকুম

আপনাদের সাথে আছি

আমি মামুন আল আব্বাস।

সবাই ভাল আছেন এই কামনা করে আজকের কয়েন বিত্তিক অতি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ।

প্রথমেই বলবো এর আগে দুই ভাই এই সাইট নিয়ে পোস্ট করেছেন কিন্তু দুঃখ জনক কথা হল এই সাইটকে যে কাজের জন্য তৈরী করা হয়েছে তা নিয়ে একজনও কিছু বলেন নি বা লিখেন নি।

(এটা তৈরী করা হয়েছে ভিভিন্ন কয়েন ট্রেড করার জন্য যা আমি বিস্তারিত বলবো)

তাছারা এই পোস্টে আমার সার্থের বিষয়টা পুরাপুরি জরিত নয় কারন আগের পোস্টে যারা জয়েন করার তারা করে নিয়েছেন। হয়ত কিছু এখন জয়েন করতে পারেন।

তো চলুন কাজে নেমে পরি

যারা নতুন বা যাদের একাধিক দুইটা মোবাইল আছে তারা দেখে নিন কিভাবে একাউন্ট করবেন।

প্রথমে এই লিংকে যান

তারপর নিচের ছবিটা ভাল করে খেয়াল করুন

ছবির মত করে সব কিছু দিয়ে Get SMS Code এ ক্লিক করুন।

তারপর আপনার নাম্বারে একটা কোড যাবে এবং উপরের ছবিতে নতুন করে একটা খালি ঘর তৈরী হবে। সেখানে আপনার কোডটা দিয়ে Singup এ ক্লিক করবেন।

তারপর আপনার ইমেইলে একটা বেরিফাই লিংক যাবে সেই লিংকে ক্লিক করে ভিজিট করলেই আপনার একাউন্ট এক্টিব হয়ে যাবে।

বিঃদ্রঃ রেজি… করার সময় ক্রোম ব্রাউজার ব্যাবহার করবেন এবং কোন VPN ব্যবাহার করবেন না। করলে ফ্রিতে ০.০০১ Litcoin পাবেননা।

চলুন মূল কাজে চলে যাই

এই সাইট কে তৈরী করা হয়েছে বিভিন্ন কয়েন ট্রেডিং করার জন্য।এখন আমরা সংক্ষেপে জানবো ট্রেড কি? কিভাবে করতে হয়? কিভাবে ইনকাম হয়?

ট্রেড কি?

ট্রেড হল হল কয়েন বেচা কেনা করা। অর্থাৎ একটা কয়েন কম দাম কিনে বেশি দামে বিক্রি করা।

যেমন : ১ বিটকয়েন কিনলেন ১৪০০০ ডলার দিয়ে। ৫ ঘন্টা পর দাম বেরে ১৬০০০ হাজার হয়ে গেল তখন বিক্রি করে দিলেন। এই বেচা কেনায় আপনার লাভ হল ১৬০০০-১৪০০০= ২০০০ ডলার। এটাই হল ট্রেড।

আশা করি বুঝেছেন।

এখন আমরা দেখবো কিভাবে আপনি এই সাইটে ট্রেড করবেন?

আপনি coinut এ ঠিকমত সাইনআপ করে থাকলে ০.০০১ LTC পাবেন। আর এটা দিয়েই আমরা ট্রেড করে ধিরে ধিরে প্রচুর ltc ইনকাম করবো।(মনে রাখবেন এটা একটা প্রফেশনাল কাজ তাই শান্তি মনে কাজ করবেন)

প্রথমে পরিচয় করিয়ে দেই কিছু কয়েন ও নিয়মের সাথে। তাই ভাল করে নিচে চিত্র খেয়াল করুন

উপরে লাল ও সবুজ দাগ দেওয়া দেখতে পাচ্ছেন???

ডান পাশের সবুজ দাগ দেওয়া কয়েন দিয়ে বাম পাশের কয়েন কিনতে পারবেন। আর বাম পাশের কয়েন ডান পাশের কয়েনে বিক্রি করতে পারবেন।

এখানে বেচা কেনা দুই প্রকার

১ মার্কেট (বর্তমান বাজার মূল্যে বেচা কেনা করা)

২ লিমিট ( বেচা কেনা করার জন্য একটা নির্দিস্ট দাম সেট করে দেওয়া। যখন বাজার মূল্য সেই দামে পৌছবে তখন তা অটোমেটি বেচা বা কেনা হয়ে যাবে)

২য় টাই সবচেয়ে প্রসিদ্ধ তাই আমি ২য় নিয়মেই দেখাবো

তো চলুন কিছু কয়েন ক্রয়(Buy) করি

একান্ট লগিন করার পর নিচের মত পাবেন

আমি Litcoin বিক্রি করবো usd দিয়ে।

তাই আমি LTC এরিয়ার usd তে ক্লিক করলাম

তারপর একটু নিচে যান এবং ছবি খেয়াল করেন

আপনি ক্রয় করতে চাইলে ডানে ক্লিক আর বিক্রি করতে চাইলে বামে ক্লিক করেন। আমি ফ্রি পাওয়া কয়েন বিক্রি করবো তাই বামে ক্লিক করলাম।(খেয়াল রাখবেন বেচার সময় দাম বারলে বিক্রি করবেন আর কেনার সময় দাম কমলে ক্রয় করবেন)

তারপর নিচের মত

হয়ে গেল আপনার সেল অর্ডার নিচের মত দেখতে পাবেন।

যখনই আপনার দেওয়া নির্দারিত মূল্যে পোছবে তখনই অটোমেটিক সেল হয়ে যাবে। LTC থেকে USD ব্যেলেন্সে যোগ হয়ে যাবে।

এখন ঠিক একই নিয়মে আবার usd দিয়ে ltc কিনবেন তবে কম মূল্যে কিনবেন।

এরপর আবার একটু বেশি মূল্যে বিক্রি করবেন।

এভাবেই আপনার লাভ হতে থাকবে।

চলুন জেনে নেই কিভাবে বেচাকেনার মূল্য নির্ধারন করবেন???

আপনি যদি সর্ট টাইম নিয়ে ট্রেড করেন

যেমন এখন buy বা কেনার অর্ডার সেট করলেন আর ১০-২০ মিনিটের ভিতর কিনতে চান তাহলে

আপনি দামটা বেশি কম না দরে হালকা কমে দরবেন আরো ভাল করে বুঝার জন্য

নিচের চিত্র খেয়াল করুন

কিছু বুঝেছেন???

আপনি যদি buy বা কেনার অর্ডার করেন তাহলে সবুজ দাগ দেওয়া এরিয়াটা লক্ষ্য করবেন।এখানে দেখার বিষয় হল অন্যরা কত করে কেনার অর্ডার করছে। আপনি যদি কম সময়ে ট্রেড করতে চান তাহলে সবুজ এরিয়ার ১ম বা ২য় বা ৩য় দামে সেট করে দিবেন তাহলে খুব তারাতারি ট্রেড সম্পন্ন হয়ে যাবে।একই নিয়ম বেচার সময়ে অনুসরন করবেন।

বেচা কেনার দাম সেট করার কিছু টিপ্স আছে সেগুলো

আরেকবার পোস্ট করে জানাবো।

তাছারা আপনি একবার শুরু করলেই ব্যাপারটা বুজে যাবেন।

কোন কিছুর ভিতরে না ঢুকলে কখনো তা বুঝতে পারবেন না।

ভূলে গেছেন আমরা পক্ষ থেকে অফারের কথা?

তাহলে জেনে নিন নিচের পোস্ট থেকে।

কিভাবে আমার অফার নিবেন এবং কি শর্ত
আজকে আর লেখতে পারছিনা অনেক সময় ধরে লেখলাম

ভূল হলে মাফ করবেন।

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

Posted On

জিহাদ সম্পর্কিত পবিত্র কুরআনের আয়াত সমূহ

জিহাদ সম্পর্কিত কুরআনের আয়াত
সমূহ
____________________________________
আসা রাখি প্রতিটা মুসলিম বন্ধু কষ্ট
করে হলেও পড়বে কারণ জিহাদ
সম্পর্কে অনেকে অনেক রকম বক্তব্য
প্রদান করে থাকেন, ,
আমি নিশ্চিত হবো যে কুরআনের এই
আয়াতগুলোর অনুবাদ পড়লে জিহাদ
কি এই বিষয়টা একদম পরিষ্কার হয়ে
যাবে তোমাদের নিকট খুব সহজে,,
___________________________________
আনফাল
-আমি কাফেরদের মনে ভীতির
সঞ্চার
করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর
আঘাত
হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায়
জোড়ায়। যেহেতু তারা অবাধ্য
হয়েছে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের,
সেজন্য
এই নির্দেশ। বস্তুতঃ যে লোক
আল্লাহ ও
রসূলের অবাধ্য হয়, নিঃসন্দেহে
আল্লাহর
শাস্তি অত্যন্ত কঠোর।
(সূরা আনফালঃ ১২-১৩)
-হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন
কাফেরদের
সাথে মুখোমুখী হবে, তখন
পশ্চাদপসরণ
করবে না।(সূরা আনফালঃ১৫)
-আর যে লোক সেদিন তাদের
থেকে পশ্চাদপসরণ করবে, অবশ্য
যে লড়াইয়ের কৌশল
পরিবর্তনকল্পে কিংবা যে নিজ
সৈন্যদের
নিকট আশ্রয় নিতে আসে সে ব্যতীত
অন্যরা আল্লাহর গযব
সাথে নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে। আর
তার
ঠিকানা হল জাহান্নাম। বস্তুতঃ
সেটা হল
নিকৃষ্ট অবস্থান। (সূরা আনফালঃ১৬)
-সুতরাং তোমরা তাদেরকে হত্যা
করনি,
বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা
করেছেন।
(সূরা আনফালঃ১৭)
-হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের
নির্দেশ মান্য কর এবং শোনার পর
তা থেকে বিমুখ হয়ো না।আর
তাদের
অন্তর্ভুক্ত হয়ো না, যারা বলে যে,
আমরা শুনেছি, অথচ তারা
শোনেনা।
(সূরা আনফালঃ২০-২১)
-হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের
নির্দেশ মান্য কর, যখন তোমাদের
সে কাজের প্রতি আহবান করা হয়,
যাতে রয়েছে তোমাদের জীবন।
বস্তুতঃ তোমরা সবাই তাঁরই নিকট
সমবেত
হবে।(সূরা আনফালঃ২৪)
-আর জেনে রাখ, তোমাদের ধন-সম্পদ

সন্তান-সন্ততি অকল্যাণের
সম্মুখীনকারী।
বস্তুতঃ আল্লাহর নিকট রয়েছে মহা
সওয়াব।
(সূরা আনফালঃ২৮)
-নিঃসন্দেহে যেসব লোক কাফের,
তারা ব্যয় করে নিজেদের ধন-সম্পদ,
যাতে করে বাধাদান
করতে পারে আল্লাহর পথে। বস্তুতঃ
এখন
তারা আরো ব্যয় করবে। তারপর তাই
তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ
হয়ে এবং শেষ পর্যন্ত তারা হেরে
যাবে।
আর যারা কাফের তাদেরকে
দোযখের
দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া
হবে।
(সূরা আনফালঃ৩৬)
-হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কোন
বাহিনীর সাথে সংঘাতে লিপ্ত
হও, তখন
সুদৃঢ় থাক এবং আল্লাহকে অধিক
পরিমাণে স্মরণ কর
যাতে তোমরা উদ্দেশ্যে কৃতকার্য
হতে পার। (সূরা আনফালঃ৪৫)
-আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের
জন্য
যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের
শক্তি সামর্থ্যের মধ্যে থেকে যেন
প্রভাব
পড়ে আল্লাহর শুত্রুদের উপর
এবং তোমাদের শত্রুদের উপর আর
তাদেরকে ছাড়া অন্যান্যদের উপর

যাদেরকে তোমরা জান না;
আল্লাহ
তাদেরকে চেনেন। বস্তুতঃ যা কিছু
তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহর রাহে,
তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে
পাবে এবং
তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে
না।
(সূরা আনফালঃ৬০)
-হে নবী, আপনি মুসলমানগণকে
উৎসাহিত
করুন জেহাদের জন্য। তোমাদের
মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি
থাকে,
তবে জয়ী হবে দু’শর মোকাবেলায়।
আর
যদি তোমাদের মধ্যে থাকে একশ
লোক,
তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের
উপর
থেকে তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন।
(সূরা আনফালঃ৬৫)
==================================
=
সূরা তওবা
আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ
প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ
করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে
কুফর
প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর।
(সূরা তাওবাঃ১২)
তোমরা কি সেই দলের সাথে যুদ্ধ
করবে না; যারা ভঙ্গ করেছে
নিজেদের
শপথ এবং সঙ্কল্প
নিয়েছে রসূলকে বহিস্কারের? আর
এরাই
প্রথম তোমাদের সাথে বিবাদের
সূত্রপাত
করেছে।তোমরা কি তাদের ভয় কর?
অথচ
তোমাদের ভয়ের অধিকতর যোগ্য
হলেন
আল্লাহ, যদি তোমরা মুমিন হও।
(সূরা তওবা:১৩)
যুদ্ধ কর ওদের সাথে,আল্লাহ
তোমাদের
হস্তে তাদের শাস্তি দেবেন।
তাদের
লাঞ্ছিত করবেন,তাদের
বিরুদ্ধে তোমাদের
জয়ী করবেন,এবং মুসলমানদের
অন্তরসমূহ
শান্ত করবেন। (সূরা তওবা:১৪)
নিঃসন্দেহে তারাই আল্লাহর
মসজিদ
আবাদ করবে যারা ঈমান এনেছে
আল্লাহর
প্রতি ও শেষ দিনের প্রতি এবং
কায়েম
করেছে নামায ও আদায় করে
যাকাত;
আল্লাহব্যতীত আর কাউকে ভয় করে
না।
অতএব, আশা করা যায়, তারা
হেদায়েত
প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত হবে। (সূরা
তওবা:১৮)
হে ঈমানদারগণ!তোমরা স্বীয়
পিতা ও
ভাইদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করো
না,
যদি তারা ঈমান
অপেক্ষা কুফরকে ভালবাসে। আর
তোমাদের যারা তাদের
অভিভাবকরূপে গ্রহণ
করে তারা সীমালংঘনকারী।
(সূরা তাওবাঃ২৩)
তারপর আল্লাহ নাযিল করেন
নিজের পক্ষ
থেকে সান্ত্বনা, তাঁর রসূল ও
মুমিনদের
প্রতি এবং অবতীর্ণ করেন এমন
সেনাবাহিনী যাদের
তোমরা দেখতে পাওনি।আর
শাস্তি প্রদান
করেন কাফেরদের এবং এটি হল
কাফেরদের কর্মফল।(সূরা
তাওবাঃ২৬)
তোমরা যুদ্ধ কর ঐ লোকদের সাথে,
যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান
রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা
হারাম
করে দিয়েছেন তা হারাম
করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম।
(সূরা তাওবাঃ২৯)
আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ
কর
সমবেতভাবে, যেমন তারাও
তোমাদের
সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে
সমবেতভাবে।আর
মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের
সাথে রয়েছেন।(সূরা তাওবাঃ৩৬)
হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল,
যখন
আল্লাহর পথে বের হবার জন্যে
তোমাদের
বলা হয়, তখন
মাটি জড়িয়ে ধর,তোমরা কি
আখেরাতের
পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট
হয়ে গেলে?অথচ আখেরাতের
তুলনায়
দুনিয়ার জীবনের উপকরণ অতি অল্প।
(সূরা তাওবাঃ৩৮)
যদি বের না হও, তবে আল্লাহ
তোমাদের
মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং অপর
জাতিকে তোমাদের
স্থলাভিষিক্ত
করবেন। তোমরা তাঁর কোন
ক্ষতি করতে পারবে না,আর আল্লাহ
সর্ববিষয়ে শক্তিমান। (সূরা
তাওবাঃ৩৯)
তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর
সরঞ্জামের(এখানে সরঞ্জাম
বলতে অস্ত্রের কথা বলা হয়েছে)
সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর
পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে,
এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম,
যদি তোমরা বুঝতে পার।” (সূরা
তওবাঃ৪১)
তারা কি একথা জেনে নেয়নি
যে,
আল্লাহর সাথে এবং তাঁর রসূলের
সাথে যে মোকাবেলা করে তার
জন্যে নির্ধারিত রয়েছে দোযখ;
তাতে সব
সময় থাকবে।এটিই হল মহা-অপমান।
(সূরা তাওবাঃ৬৩)
হে নবী, কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করুন
এবং মুনাফেকদের সাথে তাদের
সাথে কঠোরতা অবলম্বন করুন।তাদের
ঠিকানা হল দোযখ এবং তাহল
নিকৃষ্ট
ঠিকানা।(সূরা তাওবাঃ৭৩)
আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন
মুসলমানদের
থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে
যে,
তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত।তারা
যুদ্ধ
করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর
মারে ও
মরে।আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি
রক্ষায়
কে অধিক?সুতরাং তোমরা আনন্দিত
হও
সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা
করছ তাঁর
সাথে।আর এ হল মহান সাফল্য।
(সূরা তাওবাঃ১১১)
হে মুমিনগন, ঐ কাফেরদের সাথে
যুদ্ধকর
যারা তোমাদের নিকটবর্তী, যেন
তারা তোমাদের
মাঝে কঠোরতা খুঁজে পায়, আর
জেনে রাখ
আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে
রয়েছেন।
(সূরা তাওবাঃ ১২৩)
==================================
=
সুরা নিসা
হে ঈমানদারগণ! নিজেদের অস্ত্র
তুলে নাও
এবং পৃথক পৃথক
সৈন্যদলে কিংবা সমবেতভাবে
বেরিয়ে
পড়। (সুরা নিসা-৭১)
আর তোমাদের মধ্যে এমনও কেউ
কেউ
রয়েছে,যারা অবশ্য বিলম্ব
করবে এবং তোমাদের উপর কোন
বিপদ
উপস্থিত হলে বলবে, আল্লাহ আমার
প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে, আমি
তাদের
সাথে যাইনি।(সুরা নিসা-৭২)
পক্ষান্তরে তোমাদের প্রতি
আল্লাহর পক্ষ
থেকে কোন অনুগ্রহ আসলে তারা
এমন
ভাবে বলতে শুরু করবে যেন
তোমাদের
মধ্যে এবং তাদের মধ্যে কোন
মিত্রতাই
ছিল না।(বলবে) হায়, আমি যদি
তাদের
সাথে থাকতাম, তাহলে আমি ও
যে সফলতা লাভ করতাম। (সুরা
নিসা-৭৩)
কাজেই আল্লাহর কাছে যারা
পার্থিব
জীবনকে আখেরাতের
পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের
জেহাদ
করাই কর্তব্য।বস্তুতঃ যারা আল্লাহর
রাহে লড়াই করে এবং অতঃপর
মৃত্যুবরণ
করে কিংবা বিজয় অর্জন করে,
আমি তাদেরকে মহাপুণ্য দান করব।
(সুরা নিসা-৭৪)
আর তোমাদের কি হল যে,
তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ
না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের
পক্ষে,যারা বলে, হে আমাদের
পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ
থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার
অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী!আর
তোমার
পক্ষ থেকে আমাদের জন্য
পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও
এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের
জন্য
সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।
(সুরা নিসা-৭৫)
যারা ঈমানদার তারা যে, জেহাদ
করে আল্লাহর রাহেই।
পক্ষান্তরে যারা কাফের তারা
লড়াই
করে শয়তানের
পক্ষে সুতরাং তোমরা জেহাদ
করতে থাক
শয়তানের পক্ষালম্বনকারীদের
বিরুদ্ধে,
(দেখবে) শয়তানের চক্রান্ত একান্তই
দুর্বল।(সুরা নিসা-৭৬)
তুমি কি সেসব লোককে দেখনি,
যাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল
যে,
তোমরা নিজেদের হাতকে সংযত
রাখ,
নামায কায়েম কর এবং যাকাত
দিতে থাক? অতঃপর যখন তাদের
প্রতি জেহাদের নির্দেশ দেয়া হল,
তৎক্ষণাৎ তাদের মধ্যে একদল লোক
মানুষকে ভয় করতে আরম্ভ করল, যেমন
করে ভয় করা হয় আল্লাহকে। এমন কি
তার
চেয়েও অধিক ভয়।আর বলতে লাগল,
হায়
পালনকর্তা, কেন আমাদের উপর যুদ্ধ
ফরজ
করলে!আমাদেরকে কেন আরও
কিছুকাল
অবকাশ দান করলে না।(হে রসূল)
তাদেরকে বলে দিন, পার্থিব
ফায়দা সীমিত। আর আখেরাত
পরহেযগারদের জন্য উত্তম। আর
তোমাদের
অধিকার একটি সূতা পরিমান ও খর্ব
করা হবে না। (সুরা নিসা-৭৭)
==================================
=
সূরা মায়েদাহ
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের
বিপক্ষে সংগ্রাম
করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি
করতে
সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই
যে,তাদেরকে হত্যা করা হবে
অথবা শূলীতে
চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ
বিপরীত দিক
থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা
দেশ
থেকে বহিষ্কার করা হবে।এটি হল
তাদের
জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে
তাদের
জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।
(সূরা মায়েদাহ-৩৩)
হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর,তাঁর
নৈকট্য
অন্বেষন কর এবং তাঁর পথে জেহাদ
কর
যাতে তোমরা সফলকাম হও।
(সূরা মায়েদাহ-৩৫)
যারা কাফের, যদি তাদের কাছে
পৃথিবীর
সমুদয় সম্পদ এবং তৎসহ আরও তদনুরূপ সম্পদ
থাকে আর
এগুলো বিনিময়ে দিয়ে
কিয়ামতের
শাস্তি থেকে পরিত্রান পেতে
চায়, তবুও
তাদের কাছ থেকে তা কবুল করা
হবে না।
তাদের জন্যে যন্ত্রনাদায়ক
শাস্তি রয়েছে। (সূরা মায়েদাহ-৩৬)
হে রসূল, তাদের জন্যে দুঃখ করবেন
না,
যারা দৌড়ে গিয়ে কুফরে পতিত
হয়;
যারা মুখে বলেঃ আমরা মুসলমান,
অথচ
তাদের অন্তর মুসলমান নয় এরা এমনিই
যে,
আল্লাহ এদের অন্তরকে পবিত্র করতে
চান
না। তাদের
জন্যে রয়েছে দুনিয়াতে লাঞ্ছনা
এবং
পরকালে বিরাট শাস্তি।
(সূরা মায়েদাহ-৪১)
তারা কি জাহেলী আইন ও শাসন
চায়?
বিশ্বাসী কওমের জন্য আল্লাহর আইন

শাসনের চেয়েকার আইন ও শাসন
উত্তম
হতে পারে, (আল- মায়েদাহ: ৫০)
অচিরে আল্লাহ এমন সম্প্রদায়
সৃষ্টি করবেন,
যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন
এবং তারা তাঁকে ভালবাসবে।
তারা মুসলমানদের প্রতি বিনয়-নম্র
হবে এবং কাফেরদের প্রতি কঠোর
হবে।
তারা আল্লাহর পথে জেহাদ
করবে এবং কোন তিরস্কারকারীর
তিরস্কারে ভীত হবে না। এটি
আল্লাহর
অনুগ্রহ-তিনি যাকে ইচ্ছা দান
করেন।
আল্লাহ প্রাচুর্য দানকারী,
মহাজ্ঞানী।
(সূরা মায়েদাহ-৫৪)
হে মুমিনগণ, যারা তোমাদের
ধর্মকে উপহাস ও খেলা মনে করে,
তাদেরকে এবং অন্যান্য কাফেরকে
বন্ধু
রূপে গ্রহণ করো না। আল্লাহকে ভয়
কর,
যদি তোমরা ঈমানদার হও।
(সূরা মায়েদাহ-৫৭)
যদি তারা আল্লাহর প্রতি ও রসূলের
প্রতি অবতীর্ণ বিষয়ের প্রতি
বিশ্বাস
স্থাপন করত,
তবে কাফেরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ
করত
না।কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই
দুরাচার।
(সূরা মায়েদাহ-৮১)
————————————————————–
অন্যান্য
তাদের কেউ কেউ আপনার দিকে
কান
লাগিয়ে থাকে।আমি তাদের
অন্তরের উপর
আবরণ
রেখে দিয়েছি যাতে একে না
বুঝে এবং
তাদের কানে বোঝা ভরে
দিয়েছি।
যদি তারা সব নিদর্শন অবলোকন করে
তবুও
সেগুলো বিশ্বাস করবে না। এমনকি,
তারা যখন আপনার
কাছে ঝগড়া করতে আসে, তখন
কাফেররা বলেঃ এটি
পুর্ববর্তীদের
কিচ্ছাকাহিনী বৈ তো নয়।
(সুরা আনাম-২৫)
তারা এ থেকে বাধা প্রদান করে
এবং এ
থেকে পলায়ন করে।
তারা নিজেদেরকে ধ্বংস
করেছে, কিন্তু
বুঝছে না। (সুরা আনাম-২৬)
আর তুমি যদি দুনিয়ার বেশিরভাগ
মানুষকে অনুসরণকর
তবে তারা তোমাকে আল্লাহের
পথ
থেকে বিচ্যুত করবে।তারা তো শুধু
অসার
বিষয়ের অনুসরণ করে,আর তারা তো
শুধু
আন্দাজের উপরেই চলে ।” [ সুরা
আনাম
১১৬ ]
হে নবী, আপনি মুসলমানগণকে
উৎসাহিত
করুন জেহাদের জন্য। তোমাদের
মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি
থাকে,
তবে জয়ী হবে দুশর মোকবেলায়। আর
যদি তোমাএদের মধ্যে থাকে একশ
লোক,
তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের
উপর
থেকে তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন।
”(সূরা আনফাল-৬৫)
নিশ্চয়ই আল্লাহ্
অত্যাচারীকে পৃথিবীতে সুযোগ ও
অবকাশ
দিয়ে থাকেন। আবার যখন তাকে
ধরেন
তখন আর ছাড়েন না। আবু
মূসা বলেনঃ অতঃপর তিনি এই
আয়াত পাঠ
করলেনঃ “এবং এরূপেই তোমার
রবের
পাকড়াও, যখন তিনি যালিমদের
কোন
বসতিকে পাকড়াও করেন। নিশ্চয়ই
তাঁর
পাকড়াও অতি কঠোর
যন্ত্রণাদায়ক।” (সুরাঃ হুদ, আয়াত
১০২)
(বুখারিঃ হাদিস নং, ৪৬৮৬
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন
বিষয়ে ফায়সালা করলে কোন
মু’মিন পুরুষ
কিংবা মু’মিন নারীর নিজেদের
কোন
ব্যাপারে অন্য কোন সিদ্ধান্তের
ইখতিয়ার
থাকবে না। কেউ আল্লাহ ও তাঁর
রাসূলকে অমান্য করলে সে তো
স্পষ্টই
পথভ্রষ্ট হবে।”(সূরা আহযাব ৩৬)
তোমরা কি ধর্মগ্রন্থের
অংশবিশেষে বিশ্বাস কর ও অন্য
অংশে অবিশ্বাস পোষণ কর? অতএব
তোমাদের মধ্যের যারা এরকম করে
তাদের
ইহজীবনে লাঞ্ছনা ছাড়া আর কী
পুরস্কার
আছে? আর কিয়ামতের দিনে
তাদের ফেরত
পাঠানো হবে কঠোরতম শাস্তিতে।
আর
তোমরা যা করছো আল্লাহ্ সে-
বিষয়ে অজ্ঞাত নন।(সূরা বাকারাহ:
৮৫)
তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে,
অথচ
তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়।
পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে
হয়তো কোন
একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা
তোমাদের
জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন
একটি বিষয় তোমাদের কাছে
পছন্দনীয়
অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর।
বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা
জান না।
(সূরা বাকারাঃ২১৬)
যারা নিশ্চিত ছিল যে তারা
অবশ্যই
আল্লাহ্র সাথে মিলিত হবে, তারা
বললো,
“কতবার ছোট দল আল্লাহ্র হুকুমে বড়
দলকে পরাজিত করেছে, আর আল্লাহ্
অধ্যবসায়ীদের সাথে আছেন।” [সুরা
আল-
বাকারাহ ২৪৯]
*যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য
কিছুকে দ্বীন হিসাবে তালাশ
করবে, তার
নিকট থেকে তা কবুল করা হবেনা।
আর
আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের
অন্তর্ভুক্ত
হবে।(সূরা আল ইমরান:-৮৫)
*তোমাদের কোন ভয়নেই,
তোমাদের কোন
চিন্তানেই, তোমরাই হবে বিজয়ী,
তোমরাই থাকবে উচ্চাসনে,
যদি তোমরা মুমিন হও। ( সূরা আল
ইমরান-
১৩৯)
হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের
পদাঙ্ক
অনুসরণ করো না।যে কেউ শয়তানের
পদাঙ্ক
অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান
নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ
করবে।
যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া
তোমাদের
প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের
কেউ
কখনও পবিত্র হতে পারতে না।কিন্তু
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন।
আল্লাহ
সবকিছু শোনেন, জানেন।(সূরা
নূরঃ২১)
দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র
পুরুষকুলের
জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল
দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র
পুরুষকুলের
জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল
সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
তাদের
সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার
সাথে তারা সম্পর্কহীন।তাদের
জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক
জীবিকা।
(সূরা নূরঃ২৬)
“হে মানুষ, নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা
সত্য।
সুতরাং, পার্থিব জীবন যেন
তোমাদেরকে প্রতারণা না করে।
এবং সেই প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই
তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে
প্রবঞ্চিত
না করে।” (সূরা ফাতির -০৫)
“তোমাদের মধ্যে যদি কেউ আল্লাহ
তায়ালা এবং তাঁর রসূলকে অমান্য
করে,
তার জন্যে রয়েছে জাহান্নামের
আগুন,
সেখানে তারা চিরকাল
থাকবে।” (সূরা জ্বিন ২৩)
“রাসূল তোমাদের যা কিছু দেয়
তা তোমরা গ্রহণ করো এবং সে যা
কিছু
নিষেধ করে তা থেকে বিরত
থাকো,
আল্লাহ তায়ালাকেই ভয় করো;
অবশ্যই
আল্লাহ তায়ালা কঠোর
শাস্তিদাতা।” (হাশর ৭)
আমার রাসূল ও বান্দাগণের
ব্যাপারে আমার এই বাক্য সত্য
হয়েছে যে,
অবশ্যই তারা সাহায্য প্রাপ্ত হয়। আর
আমার বাহিনীই হয় বিজয়ী (সূরা
আস-
সাফফাত,১৭১-১৭৩)

সৌজন্যেঃ ট্রিকবিডি

Posted On

প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ রুপি earn করুন bigad অ্যাপ এর মাধ্যমে তাও আবার শুধু ad দেখে ( A to Z full post with screenshot)

আসসালামুয়ালাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন। আল্লাহ্‌ তায়ালার রাহমতে আমিও ভাল আছি। আজ আমি ১ টা নতুন trick শেয়ার করব। এর মাধ্যমে আপনি প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ রুপি আয় করতে পারবেন। তাহলে শুরু করা যাক।
প্রথমে playstore e যেয়ে Bigad লিখে সার্চ করুন তারপর ইন্সটল করুন।তারপর অ্যাপ তা ওপেন করে sign up এ click করুন।

তারপর নিজের username, email , phone number , gender , password , reffer code দিয়ে sign up করুন।username এইরকম দিবেন যেমন : minhaz9945 মানে name দাওয়ার পর সাথে সংখ্যা দিবেন। আর reffer code দিবেন 199982

তারপর নিচের মতো deal এ click করুন।

তারপর আপনি নিচের মতো কিছু ad দেখতে পাবেন।

আপনি প্রতিটা ad e ঢুকবেন আর দেখবেন কোন ad এ নিচের মতো লেখাটা আছে।

তারপর ad এর উপর click করুন।

তারপর দেখবেন আপনাকে কোনো link এ redirect করা হবে নিচের মতো।

মাঝে মাঝে আপনাকে অ্যাপ download করতে বলবে আপনি download দিয়ে cancel দিয়ে দিবেন। তারপর back এ যান তাহলে নিচের মতো page দেখতে পাবেন।

তারপর আপনি home page এ এসে দেখুন আপনার অ্যাকাউন্ট এ taka add হয়ে গেছে।আর এখনে 7 লেভেল পর্যন্ত রেফার করা যায়। তাই আপনারা রেফার করার মাধ্যমেও আয় করতে পারবেন।এখানে আপনি paypal and paytm এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন।কিন্তু খুব শীঘ্রই bkash add করা হবে।এই অ্যাপ এ মিনিমাম withdraw 1500 rs। এই অ্যাপ এর মাধ্যমে আপনি প্রতি মাসে 3000 rs আয় করতে পারবেন। তাই এখনি কাজে লেগে যান। আর পরের পোস্ট এ payment prove দিবো inshalla. আর কোনো question থাকলে comment box লিখুন। আমি reply দাওয়ার চেষ্টা করবো।bye.

Posted On

এবার ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করুন কোনো সফটওয়্যার এবং বাড়তি ডাটা চার্জ ছাড়াই

আসসালামু আলাইকুম। আশাকরি ভালো আছেন, আমিও ভালো আছি।

আজ আপনাদের আমি দেখাবো কিভাবে কোনো সফটওয়্যার ছাড়া ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করবেন। আপনি শুধু ভিডিওটা দেখবেন আর অটো ডাউনলোড হয়ে যাবে কিন্তু আলাদা কোনো ডাটা চার্জ করবে না

প্রথমেই বলে রাখি আপনি ফেসবুক থেকে যদি ভিডিওটা সম্পূর্ণ দেখেন তাহলেই ভিডিওটা সম্পূর্ণ ডাউনলোড হবে আর যদি অল্প একটু দেখেন তাহলে সেটুকুই ডাউনলোড হবে কিন্তু ভিডিওটি ডাউনলোড হবার জন্য আলাদা কোনো ডাটা চার্জ করবে না।
এজন্য আপনার ফোনে অবস্যয় Android ফোল্ডারটা রাখতে হবে।
বাকিটা স্ক্রিনশট দেখলেই বুঝতে পারবেন।

আসা করছি সবটুকু বুঝেছেন, যদি না বুঝতে পারেন তাহলে কমেন্ট করুন।

সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এবং TOKBD এর সাথেই থাকুন
সবাইকে ধন্যবাদ।

Posted On

(Mega Post) একদম ফ্রিতে ইনকাম করে রাখেন XRP যারা বিটকয়েন মিস করেছিলেন তাদের জন্য বর্তমান সময়ের সেরা সুজোগ (০.২০$ থেকে ১.২০$ হয়ে গেছে মাত্র ৮-৯ দিনে+ আমার পেমেন্ট প্রুফ)

আস্সালামু আলাইকুম।
সবাই সুস্থ আছেন এই আশা রেখে আজকের নতুন কয়েন সম্পর্কিত পোস্ট শুরু করছি।
আগেই বলে রাখছি এই পোস্ট করার উদ্দেশ্য

আপডেট সকল খবর জানানো।

সাথে আছি আমি মামুন আল আব্বাস।

বন্দুরা আপনারা জানলে খুশি হবেন মাত্র কয়েক

দিনেই XRP এর মূল্য 0.20$ থেকে 1.20$ ডলারে উপনিত হয়েছে।

গত ৮-৯দিন আগেও ১ XRP = 0.20$ ছিল কিন্তু এখন ১ XRP= 1.20$ এ পরিনত হয়েছে।

তাহলে আগামি 10-12 মাসের ভিতর 100$ পৌছানো

অসম্ভবের কিছুই না।

আর গভেষনায়ও এমনটাই ধারনা করা হচ্ছে।

ভিভিন্ন ঘভেষনায় জানা গেছে ২০১৮ এর শুরুতে 1xrp= 2$ হবে।

আর ২০১৮ এর শেষে 1 XRP= 80$ হতে পারে।

এটা অবিশ্যাষের কিছুই না। কারন বিটিসিও প্রথম মাত্র ০.২০$ ছিল আর আজকে ১৬০০০$ হয়ে গেছে। চিন্তা করতে পেরেছেন???

আগামি পাচ বছরের মধ্যেই বিটিসির মত হয়ে যাবে

তাই সময় থাকতে ইনকাম করে রাখুন ইনশাল্লাহ কাজে আসবে।

আরো একটা বড় সুখবর দিতে যাচ্ছি। freebitco.in এর মালিক এই সাইট টা চালু করেছে।
আপনারা জানেন bitcoin এর প্রথম মূল্য ছিল মাত্র ০.২০ $ আর এখন এর মূল্য ১৬০০০$ । এভাবে দাম বাড়ার পিছনে freebitco.in সাইট এবং সাইটের মালিকের বিশেষ অবধান রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় নতুন কয়েননটিকে বিটকয়েনের পর্যায় নিয়ে যেতে freebitco.in এর মালিক কাজ করে যাচ্ছে।

বিদেশি ভিভিন্ন সংস্থার দাবি আগামি এক বছরের ভিতর এর মূল্য দারা ৮০$ ডলারের উপরে। এবং ৫ বছরের ভিতর ৫০০০ $ ছারিয়ে যাবে।
এক কথায় বিটকয়েনের মত হয়ে যাবে।
এখনই একটা বড় সুযোগ যাচ্ছে। মূল্য কম থাকার কারনে ওরা প্রতি ক্লিমে ০.০০০২০০০০
হাজার সাতসি করে দিচ্ছে।

(৮-৯ দিন আগে ০.০০১৪০০০০০ দিত তখন মূল্য কমছিল)

তাই এখনই সময় ইনকাম করে রাখার।
কারন এক সময় এগুলো আপনাকে আর্থিকভাবে পরিবর্তন করে দিবে।

যেসকল কারনে XRP ইনকাম করবেন???
১. ফ্রি ইনকাম করতে পারছেন।ইনবেস্ট লাগছেনা।

২. এটা এমন কয়েন না যেটা এখনও লান্চ করেনি। অলরেডি exchange করা যাচ্ছে।
তাই ভূয়া হওয়ার কোন অবকাশ ও নেই।

৩. XRP আজকে ইনকাম করবেন আর কালকেই টাকা তুলে নিবেন??? না ভাই এটা ইনকাম করবেন শুধুমাত্র জমানোর জন্য তারপরও যদি আপনার মনে চায় তুলে নিতে তাহলে তুলে নিবেন।

তো কিভাবে একাউন্ট করবেন???
প্রথমে এই লিংকে চলে যান

তারপর নিচের মত আসবে

আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড এবং ক্যাপচা কম্পিলিট করে SIGN UP ক্লিক করলেই একাউন্ট হয়ে যায়।

বিঃদ্রঃ

সাইটে পপআপ এড আছে তাই ক্লিক করলেই অন্য টেবে নিয়ে যেতে পারে যখনই নতুন টেবে নিয়ে যাবে তখনই নতুন টেব কেটে আগের টেবে চলে আসবেন।

কিভাবে কাজ করবেন এটা বলা দরকার নেই কারন এটার কাজ সেইম freebitcoin এর মত ক্যাপচা কম্পিলিট করে ROLL এ ক্লিক করা।

এখন আসি পেমেন্টের কথায়।

আমার প্রুফ

মিনিমাম পেমেন্ট 1 XRP

নিয়মিত কাজ করলেই দুই তিন দিনেই হয়ে যাবে।

সাথে রেফারও করতে পারেন কারন রেফার কমিসন ৫০% দিবে।

যাদের Ripple ওয়ালেট নেই,তারা কিভাবে ওয়ালেট খুলবেন এটা জানতে এই পোস্ট পড়তে পারেন।এক ভাই এই পোস্টে সবকিছু বুঝিয়ে বলেছেন।

আমার আগের কিছু গুরুত্ব পূর্ন পোস্ট চাইলে দেখতে পারেন।

নিয়ে আসলাম বর্তমান সময়ের সেরা litecoin সাইট প্রতি ক্লাইমে ৮০০ লাতোসি করে। কোন টাইম লিমিট নেই + সাথে থাকছে সেরা সেরা ৭ টি সাইট + পেমেন্ট প্রুফ+ LTC এর উজ্জল ভবিষ্যৎ সম্ভনা।

Posted On

নিয়ে নিন trickbd+tokbd pc themes একদম ফ্রি তে।

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই?
আপনাদের কাছে হাজির হলাম ট্রিকবিডি পিসি থিম নিয়ে।
ট্রিকবিডি থিম অনেক জনপ্রিয়।ট্রিকবিডি বিখ্যাত তার থিমের জন্যই।অনেকে অনেক থিম ডাউনলোড করে ধরা খান। সেগুলো ১০০% সেইম থাকেনা। এই থিমটা মোটামুটি ৯৯% মিল রয়েছে। এতে শুধু নোটিফিকেশন প্লাগিনটা নেই। এটা বাদ দিয়ে সবই ঠিক আছে। কোনো এড নেই।
থিমটা ডাউনলোড করে লোগো আর লগিন লোগো পরিবর্তন করে পরে ইনস্টল করবেন।
থিম ইন্সটল করার পরে wp-pagenavi প্লাগিন টা ইন্সটল করে নিবেন। আর কিছু করতে হবেনা।

স্ক্রিনশটঃ

আর কি ss দিব?সবাই তো ট্রিকবিডি থিম চিনিই।তো চলুন ডাউনলোড করে নেই।
Download hare
Download এর জন্য লিংকে ঢুকে উপরে দেখবেন ডাউনলোড চিন্ন আছে । অইটায় ক্লিক করে ডাউনলোড করুন।
তো আজ এই এটুকুই।
সবাই tokbd এর সাথেই থাকবেন।আমি জানি tokbd উন্নত হবেই

Posted On

নিয়ে নিন বিজয় দিবসের বিশেষ গেম মুক্তিক্যাম্প।

নিয়ে নিন বিজয় দিবসের বিশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত গেম মুক্ত ক্যাম্প।
আসসালামুয়ালাইকুম। আশাকরি সবাই ভাল আছেন। ।সবাই কে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আপনাদের অধিক প্রত্যাসিত মুক্তিক্যাম্প গেম নিয়েই আমার এই পোষ্ট। মুক্তি ক্যাম্প গেম এখন প্লে স্টোরে Available । আপনি চাইলে গেম টি প্লে স্টোর থেকে নিয়ে নিতে পারেন।এ জন্য Play store এ sarch করবেন Mukti Camp লিখে। আর যদি না পান তাহলে নিচের লিংক থেকে Play store এ গিয়ে নামিয়ে নিন।অনেকের হয়ত Device uncomfortable দেখাবে।যদিও এই গেম এর Minimum Requirement Android 4.4 তবুও অনেকের এর চেয়ে আপডেটেড ডিভাইস কে Uncomfortable দেখাচ্ছে। তারা নিচের লিংক থেকে নামিয়ে নিয়ে ইন্সটল করতে পারেন।
ডাউনলোডঃ

Download

Game টি কিছু সময় খেলার পর কিছু পার্সোনাল মতামত নিচে তুলে ধরলামঃ
১।গেম টি এর গ্রাফিক্স কোয়ালিটি মধ্যম মানের বলে মনে হয়েছে। তব্য স্বল্প র্যামের ডিভাইস এর জন্য বেশ ভাল।
২।গেমের ব্যাগ্রাউন্ড মিউজিক টা বেশ ভাল লেগেছে।
৩।গেমের ভেতরে বাংলা ইংরেজি লেখার সংমিশ্রণ রয়েছে।
৪।গেম টা কে অনেকটাই Supercell এর Clash Of Clans & Boom Beach এর আদোলে তৈরি করা।এটা মোটেই কারো প্রত্যাশিত ছিল না।

Posted On

Facebook এর জন্য তৈরি করুন Master Password (এটা ঠিক মত ব্যাবহার করতে পারলে ID Hack/Hack ID ফেরত পেতে পারেন)(Use Facebook setting)

আজকে আমরা ফেচবুকের জন্য মাস্টার Password বানাবো

Master Password :আপনার ID Hack হলেও বা কেউ পাসোয়াড পরিবতন করে দিলেও আপনি একটি পাসোয়াড দিয়ে সেই ID তে লগিন করতে পারবেন সেই পাসোয়াড টাই Master password

কিভাবে হ্যাক করবেন আপনার প্রিয়জনের ID :

আপনার প্রিয় জনকে এখনি ফোন করে বলুন- আমি তোমার ফেচবুক ID ৫ মিনিটের জন্য ব্যাবহার করতে চাই বা দেখতে চাই পাসোয়াড দাউ (তুমি পরে পাসোয়াড পরিবরতন করে নিও)
সে যদি সত্যি আপনার প্রিয়জন হয় এবং সে যদি অন্য কারো সাথে কিছু করে তাহলে সেই মেসেজ গুলো ডিলেট করে আপনাকে পাসোয়াড দিবে (তখনি আপনি নিচের সেটিং টা করে দিন তার ফেচবুকে এবং ৫ মিনিট পরে বলে দিন ঠিক আছে এখন পাসোয়াড পরিবরতন করে নেউ )

কাজের ধাপ গুলো ঃ

Account setting ক্লিক করুন

security & Login click করুন

Use Two Factor ক্লিক করুন

Apps Password ক্লিক করুন

এখানে পাসোয়াড দিয়ে Continue Click করেন

এখানে যে কোন একটা নাম দিয়ে Generate click করেন

নিচের দেখানো পাসোয়াড টা আপনি মনে রাখুন এই পাসোয়াড তাই লাগবে (সে জতই পাসোয়াড পরিবর্তন করুন আপনি এই পাসোয়াড দিয়ে লগিন করতে পারবেন )

বুজতে না পারলে নিচের ভিডিও দেখুন

Subscribe My Channel

Posted On