রহস্য ঘর:- এলিয়েন সম্পর্কে এক চিমটি জ্ঞান।।

ঘটনাটি ঘটেছিল নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে একটি শহরে,নাম রজওয়েল। ১ জুলাই ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে, রাতে প্রচন্ড ঝড় ও বজ্রপাতের সময় “৫০৯তম বোমারু দল”-এর বিমান ঘাঁটির রাডারে একটি অদ্ভুত ঘটনা ধরা পড়েছিলো। রাডারে পর্দার এক কোণায় বার বার একটি বস্তু দেখা যাচ্ছিলো। যা বারবার নিজের দিক পরিবর্তন করছিল। এটি এমন গতিতে যাচ্ছিলো যে, ওই সময়ের সেনাবাহিনীর বিমানগুলোও (বর্তমান গতিরোধক বিমানগুলোও) সেই গতিতে যাওয়ার কথা চিন্তাও করতে পারতো না। রাডারের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে বজ্রপাতের মতো দিক পরিবর্তন করতে দেখা যায়। এটি ছিলো ব্যাখ্যাতীত বিষয়, তারা রাডারের দ্বারা উৎ‍পাদিত তড়িৎ-চুম্বকীয় সমস্যার জন্য রাডার পরীক্ষা করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাডারে একি জিনিস লক্ষ করা হলো যে, এটি আগের মতোই বজ্রপাতের মতো দিক পরিবর্তন করছে। তারা ভেবেছিলো যে, কোনো সত্যিকার বস্তু, বিপদজনকভাবে অজানা এবং সম্ভবত যুদ্ধপ্রিয় যা তাদের আকাশসীমা পার করছিলো। পরে ৮ জুলাই তারিখে, রজওয়েল দৈনিক রেকর্ড নামে একটি সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় প্রকাশ করেছিলো যে, “রজওয়েলের খামার অঞ্চলে আরএএএফ উড়ন্ত বস্তু ধরা পড়েছে”। ঘটনাটি অন্যান্য স্থানীয় সংবাদপত্রতেও দেখা গিয়েছিলো।

কিছু লোক বলেছিল , “কখনও কখনও বিমান বাহিনীর কমর্চারীরা ধ্বংসাবশেষ এবং ফেডারেলের ট্রাকে দেহ (মানুষের না) বহন করে”। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের দ্বারা এগুলো সব অস্বীকার করা হয়েছে।
৮ জুলাই ১৯৪৭
দুপুরের দিকে একটি অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু (UFO) মাটিতে আছরে পরে। অনেকের মতে ওই UFO তে ৩ টি এলিয়েন ছিল যাদের মধ্যে দুইজনকে মৃত পাওয়া যায় এবং একজনকে জীবিত। জীবিত এলিয়েন বা ভিনগ্রহী প্রাণিটিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সরিয়ে ফেলে। অনেকের মতে তারা এর উপর বিভিন্ন পরীক্ষানিরীক্ষা করছে এখনো। কিন্তু সত্যি টা কি তা প্রমাণ সহ কেউ এখনো বলতে পারেনি,প্রমাণ দেখালেও তা কিছুদিনের মধ্যে চাপা পরে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার এলিয়েনের ব্যাপারটি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায় যে, এগুলো একটি পরীক্ষামূলক বস্তুর ধ্বংসাবশেষ এবং একে উচ্চ সতর্ককারী বেলুনে শ্রেণীকৃত করে, এই প্রোগ্রামটি “মুগুল” নামকরণ করা হয়েছিলো।

UFO এর ঘটনাটি মানুষের মাঝে খুব দ্রত ছড়িয়ে পরে। ইন্টারনেটে এই বিষয় নিয়ে অনেক ভিডিও আছে,কিন্তু আদৌ তা আসল না নকল তা নিয়ে একবার হলেও ভাবতে হয়। ৮ জুলাইয়ের ঘটনাটির পর রজওয়েল খুব দ্রত জনপ্রিয় হয়ে উঠে এবং এই জায়গাটির নাম বদলে “UFO Roswell” রাখা হয়।

রজওয়েল এর ঘটনা কতটুক সত্যি তা কেউ জানেনা। কিছু ব্যাখ্যা এবং মুখে বলা কথার উপরই রয়েছে। ঘটনাটি এখনো রহস্য রয়ে গেছে। যদিও ইন্টারনেটে এ নিয়ে প্রচুর ভিডিও এবং পোস্ট পাওয়া যায়,কিন্তু বিশ্বাস করার ব্যাপার টা সম্পূর্ণভাবে নিজের উপর।
.
লেখা: Sumit Sm

(উইকিপিডিয়া থেকে কয়েক লাইন নেওয়া হয়েছে)

পোস্ট’টি ভালো লাগলে ছোট করে একটা কমেন্ট করে জানাবেন..😊

Leave a Reply