২১ দিন এভাবে পানি পান করার পর নিজের শরীর দেখে চমকে উঠবেন!!!


হ্যালো বন্ধুরা কি খবর সবার ভালো আছেন?
আমার এক প্রকার মানুষ পানি কে এত সাধারন মনে করি যে আমরা মনে করি এটা যখন ইচ্ছে যে ভাবে ইচ্ছে যত টুকু ইচ্ছে পানি খেতে পারি। কিন্তু আমাদের এটা ভাবা একেবারেই ভুল কারণ পানিতে দেখতে এত সাধারন মনে হয় এটা যেমন আমাদের শরীরের সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কে ঠিক ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং শরীরে তৈরি হওয়া বিষাক্ত পদার্থকে শরীর থেকে বের করতে ঠিক ততটুকুই জরুরি।
পেটের বিভিন্ন অসুখ নিরাময় হোক আর ওজন বাড়ানোর জন্য অথবা ওজন কমানোর জন্যই হোক যাই হোক না কেন পানি এতে অনেক বড় ভূমিকা রাখে। এর জন্য পানি খাওয়ার পরিমাণ খাওয়ার সঠিক সময় আর পানি কিভাবে খেলে কি কি উপকার হয় অথবা কি কি ক্ষতি হয় এটা সম্পর্কে যদি আপনার না জানা থাকে তবে আপনি যত ভালো খাবার খান না কেন এতে আপনার শরীরের কোন উপকার হবে না যার ফলে ভবিষ্যতে আপনার অনেক শারীরিক প্রবলেম এর শিকার হতে হবে।
যেমন খাদ্য হজম না হওয়া গ্যাস কিডনির দুর্বলতা অস্বস্তি লাগা পাকস্থলীতে অশোক বিভিন্ন রোগের কারণে শরীরের ওজন কমে যাওয়া বারবার অসুখ হওয়া।
স্কিন এলার্জি চুলকানি মুখে ব্রণ এবং দাগের জ্বালাপোড়া হোয়াইট হেডস ব্ল্যাক হেডস স্কিন অনেক বেশি তৈলাক্ত হয়ে যাওয়া অনেক শুষ্ক হওয়া অনেক খাবার পরেও মোটা না হওয়া গিরায় গিরায় ব্যথা শরীরের চর্বি জমে যাওয়া মাথা ব্যথা ওজন বাড়েও না কমেও না এমন অবস্থা হওয়া চুল পড়ে যাওয়া রাতে ঘুম না আসা এসব অসুখ একমাত্র পানি ভুল পরিমাণে এবং ভুল ভাবে খাওয়ার জন্য হতে পারে।
এর জন্য আমারটিপ্সর আজকের পোস্ট টিতে আমরা জানবো পানি আমাদের জন্য এত জরুরি কেন আমাদের শরীরে পানির ভূমিকা কি কি???
১। পানি আমাদের জন্য এত জরুরি কেন?
২। আমাদের শরীরে পানির ভূমিকা কি কি??
৩। একদিনে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন কি পরিমাণ পানি পান করা যেতে পারে?
৪। হঠাৎ করে যদি পানিশূন্যতা দেখা দেয় তবে কি ক্ষতি হতে পারে?
৫। একবারই কয় গ্লাস পানি পান করা উচিত এবং কিভাবে পান করতে হয়?
৬.। পানি কখন কখন পান করা উচিত এবং কখন কখন উচিত নয়?
৭। পানি পান করার সঠিক সময় কখন?
৮। কেমন পানি হওয়া উচিত ঠান্ডা, গরম নাকি নরমাল?
৯। পানি ওজন বাড়ানো এবং কমানোতে কিভাবে সাহায্য করে?
তো প্রথমত আলোচনা করা যাক পানি আমাদের শরীরের জন্য এত জরুরি কেন এর কারন আমাদের শরীরের 60 থেকে 70 পার্সেন্ট পানি আমাদের পান করা পানি দিয়ে আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেমন কিডনি লিভার লাঞ্চ পাচনতন্ত্র সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ঠিক ভাবে ভালোভাবে কাজ করা এবং পানি আমাদের শরীরের কোষ প্রাচীর কে জীবন্ত রাখতে অপরিসীম ভূমিকা পালন করে।
এখন প্রশ্ন ওঠে যে সারাদিনে কতটুকু পানি পান করা উচিত আর আমাদের শরীরে যদি পানি শূন্যতা দেখা দেয় তবে কি কি সমস্যা হতে পারে???
মূত্র ত্যাগ করতে অনেক প্রবলেম হয় হজম শক্তি কমে যায় চেহারার শরীরের স্ক্রীন ধীরে ধীরে রুক্ষ আর ডিলে হয়ে যায় আর যদি পানি খাওয়ার পদ্ধতি এর উপরে মনোযোগ না দেওয়া হয় তবে এর ফলে ভবিষ্যতে গুরুতর রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই সারাদিন নিয়মিত পরিমাণ পানি পান করা খুবই জরুরি।
এখন প্রশ্ন আসে যে সারা দিনে কি পরিমাণ পানি পান করা উচিত আর পানি ঠান্ডা হতে হবে নাকি গরম হতে হবে নাকি নরমাল????
এর জন্য জানতে হবে যে পানি তে কি কি হয় পানি কি কি প্রবলেম কে সমাধান করে দেয় পানি জিরো ক্যালরি হওয়ার কারণে এটা আমাদের শরীরের বিষাক্ত পদার্থকে বাইরে বের করতে অনেক সাহায্য করে স্ক্রিন পরিষ্কার রাখে মাথা ঠান্ডা রেখে পরিপাক ক্রিয়া চোখ হাড্ডি সহ আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
এর জন্য পানি এতটা গুরুত্বপূর্ণ খাবার ছাড়া একজন মানুষ অনেক লম্বা সময় পর্যন্ত থাকতে পারে কিন্তু পানি ছাড়া কিছুদিন বেঁচে থাকা সম্ভব নয় কারণ মলমূত্র ঘাম শ্বাস নেওয়ার প্রক্রিয়াতে প্রতিদিন আমাদের শরীর থেকে দুই লিটার মত পানি বেরিয়ে যায়।
তা রিস্টোর করাটাও খুবই প্রয়োজনীয় কোন সাধারণ ব্যক্তি সারাদিনে কতটুকু পানি পান করা উচিত তা নির্ভর করে ব্যক্তির চেহারা ওখানকার আবহাওয়াতা ওই ব্যক্তির ওজন ওই ব্যক্তির ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি এসবের উপরে কিন্তু নরমাল কোন ব্যক্তির দিনে আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করা খুবই জরুরী।
যা একটি এভারেজ গ্লাসের 8 থেকে 12 ক্লাস পর্যন্ত হয়ে থাকে আর গরমের দিনে প্রচন্ড পরিমাণ ঘাম নির্গমনের কারণে পানি পানের পরিমাণ কিছুটা বাড়াতে হবে।
আর যারা এক্সারসাইজ করে থাকে তাদের পানি আরো বেশি করে পান করা উচিত কারণ এদের শরীর থেকে পানি একটু বেশি নির্গমন হয়।
এখন প্রশ্ন আসে যে খুব বেশি পরিমাণে পানি পান করা কি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে থাকে কিনা এর উত্তরটা খুবই সিম্পল এটা সবাই জানে যে কোন জিনিস বেশি পরিমাণে পান করা ক্ষতিকর।
খুব বেশি পরিমাণে পানি পান করলে আমাদের শরীরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যায় রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু এমন অবস্থা খুবই কম হয়ে থাকে কারণ খুব বেশি মানুষ ততটুকু পরিমাণেই পানি পান করে যতটুকু পান করার লিমিট কে খুব বেশি ক্রস করে।
তবে হ্যাঁ কোনো ব্যক্তি যদি দিনে 4 থেকে 5 লিটারের বেশি পানি পান করে তবে সে সব ব্যক্তিদের এমন ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে। একবার এই কয় গ্লাস পানি পান করতে হবে আর কিভাবে পান করতে হবে কিছু মানুষ আছেন যারা যতোটুকু দিচ্ছেন যে ভাবে ইচ্ছে পানি পান করে থাকে কিন্তু এসব চিন্তা করাও ভুল কারণে কি পরিমাণ পানি আলাদা আলাদা ভাবে পাশ করার কারণে শরীরে আলাদা আলাদা প্রভাব ফেলে এর জন্য আমাদের সবসময় বসে আর ধীরে ধীরে পানি পান করা উচিত।
পানি মুখের মধ্যে নিয়ে ৪-৫ সেকেন্ড মুখের মধ্যে পানি কে ঘোরাতে হবে এবং তারপর গিলে ফেলতে হবে এমন করলে আমাদের মুখের মধ্যে থাকা লালা পাকস্থলীতে গিয়ে এসিডিক প্রপার্টিস কে নিরাময় করে দেয়।
যা আমাদের হজম শক্তি কে বাড়াতে সাহায্য করে দাঁড়িয়ে থেকে খুব তাড়াতাড়ি পানি পান করলে আমাদের কিডনি ঠিকভাবে ফিল্টার করতে ব্যর্থ হয় আর মুখের ওপর থেকে পানির বোতল নিয়ে ঢেলে পানি পান করলে পানির সাথে সাথে বাইরের আরো অনেক গ্যাস এবং জীবাণু আমাদের পেটে চলে যাবার সম্ভাবনা থাকে।
এতে পরবর্তৈ আমাদের শরীরেরজোড়ায় জোড়ায় ব্যথা হবার সম্ভাবনা থেকে যায় এর জন্যই আমাদের উচিত বসে থেকে ধীরে ধীরে আর তিন থেকে চার নিঃশ্বাসে পানি পান করা।
আর একবারে যতটুকু পান করার প্রয়োজন তার থেকে বেশি পান করা উচিত নয় একবারে ১ থেকে ২ গ্লাস পানি পর্যন্ত পান করা উচিত।
কারণ একবারে অনেক বেশি পানি পান করলে আমাদেরকে নিয়ে ঠিকভাবে ফিল্টার করতে পারে না আর সে সব পানি আমাদের শরীর থেকে বের হতে না পেরে প্রস্রাবের সাথে বের হতে বাধ্য হয়।
পানি গরম ঠান্ডা নাকি নরমাল হওয়া উচিত? যখন আমরা কোনো জিনিস খুব ঠান্ডা খায় অথবা পান করি তখন আমাদের শরীর প্রথমে হালকা গরম করে তারপর আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কাজে লাগায় পানির সাথে ঠিক এমনটাই হয় যখন আমরা ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা পানি পান করি তো প্রথমে এটা গরম হয় এবং তারপর সেটা আমাদের শরীরের কাজে লাগে এসব প্রসেস করতে আমাদের শরীরে অনেক শক্তি ব্যয় হয়।
ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের শরীরকে অপেক্ষা করতে হয় হারানো শক্তি ফিরে পেতে যতক্ষণ না পর্যন্ত পানি গরম হয়ে ওঠে।
আর অনেক বেশি ঠান্ডা পানি পান করলে আমাদের হজম শক্তি ও কমে যায় এর জন্য আমাদের পান করার পানি নরমাল বা হালকা গরম পানি হওয়া উচিত কেননা এতে করে পানি খুব তাড়াতাড়ি আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কাজে লেগে যেতে পারে।
আর আমরা যে খাবার খাই তাহালকা গরম পানি খুব তাড়াতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে এতে করে হজম শক্তি ও বাড়ে এবং পেট পরিষ্কার থাকে।
পানি কখন কখন পান করা উচিত আর কখন কখন পান করা উচিত নয় ?
মানুষ এসব না জেনেই পানি পান করে এক প্রকার রোগে ভুগে থাকে পানি কখন পান করা উচিত এটা জানার চেয়ে পানি কখন পান করা উচিত নয় তা জানা দরকার তাই আমরা প্রথমে জেনে নিই যে পানি কখন পান করা উচিত নয়?
তারপর আমরা জানবো যে পানি কখন কখন পান করা উচিত?
খাবার খাওয়ার আগে হালকা করে কিছু পানি পান করে নিলে তাদের শুকনো খাবার খুবই সহজে পাকস্থলীতে যেতে পারে এবং হজম ও খুব তাড়াতাড়ি হয়ে থাকে তাছাড়া হেঁচকি আসার ও সম্ভাবনা কম থাকে।
কিন্তু খাবার খাওয়ার আগে অনেক বেশি পানি পান করা একদমই ঠিক নয় কারণ খাবার খাওয়ার আগে বেশি পানি পান করলে আমরা যে খাবার খাই তাকে অনেক পাতলা করে দেয় আর আমাদের পাকস্থলীতে পাচক রস ঠিকভাবে নিষ্কাশন হতে পারে না।
ফলে আমাদের হজমে অনেক সমস্যা হয়ে থাকে তাই সঠিকভাবে পানি পান করতে হলে আমাদের খাবার খাওয়ার এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর পানি পান করা উচিত রাতে শোবার পর আচমকা ঘুম ভেঙ্গে গেল উঠে পানি পান করে আবার ঘুমানো দিনের বেলায় আমাদের জন্য পানি পান করার উপকারিতা আছে তেমনি রাতে বেশি বেশি পানি পান করা তেমনি ক্ষতিকর।
কারন সোবার উপরে আমাদের শরীর ততটা একটিভ থাকে না তাই কোন রকম ফিল্টার হওয়ার আগেই এটা কিডনিতে পৌঁছে যায় যা আমাদের কিডনির জন্য অনেক ক্ষতিকর আর ঘুম থেকে উঠে বার বার টয়লেট যাওয়া টাও জরুরী হয়ে ওঠে যার ফলে পরেরবার ঘুম আসতেও অনেক প্রবলেম হয়।
তাই দিনের বেলাতেই আমাদের উচিত প্রয়োজনীয় পানি পান করে থাকা সাথে সাথে দুবার পানি পান করার মধ্যে যেন ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা গ্যাপ থাকে সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।
খুব দ্রুত পানি পান করতে থাকলে তা ফিল্টার হবার আগেই তা মূত্রের মাধ্যমে বাইরে বের হয়ে যাবার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে যার ফলে কিছু সময় পর পর ই টয়লেট যাওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়।
যখন আপনার মনে হবে যে আপনার মূত্র হলুদ না হয় পানির মত পরিস্কার তখন আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনার শরীরে আর কোন পানির প্রয়োজন নেই তাই প্রস্রাব করার পরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে আপনাকে পানি পান করা উচিত তার আগে নয়।
এতে করে কিডনি ও কিছুটা রেস্ট নেওয়ার সময় পাবে না হলে কিছু সময় পর পর পানি পান করতে আপনি খুব দ্রুত প্রস্রাব আসবে এবং যদি সময়মতো টয়লেটে যাওয়ার না হয় তবে সমস্যা শুরু হতে পারে শসা এবং টমেটো মেশানো সবজি খাওয়ার পরে পানি পান করা একদমই উচিত নয় আর এই ধরনের আরো ফল হলে যেমন কলা তরমুজ ডালিম লেবু এবং এ জাতীয় অন্যান্য ফল খাওয়ার পর পানি পান করা উচিত নয়।
কারণ এটা করলে পাকস্থলী তে থাকা খাবার গুলো শক্ত হয়ে যায় যার ফলে হজম হতে অনেক সমস্যা হয়ে থাকে আবার এর জন্য কিছু মানুষের ঠান্ডা লেগে যেতে পারে সেই সাথে অনেক বেশি গরম খাবার যেমন চা-কফি এসব খাবার পরে ঠান্ডা পানি খাওয়া উচিত নয় কারণ এসব খাবার পরে ঠান্ডা পানি পান করলে দাঁত এবং মাড়ির অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে।
এখন বলছি যে কখন কখন পানি পান করা উচিত পানি পান করার সঠিক সময় কখন যেমন আমরা খাবার খাওয়ার আগে প্লেট পানি দিয়ে পরিষ্কার করে থাকি তেমনিভাবে কিছু খাবার আগে আমাদের পেট কেউ পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি।
এর জন্য পানিথেকে ভালো না অন্য কিছু হতে পারে না সকালে খালি পেটে পানি পান করলে পেটের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার হয়ে যায় কিন্তু যে সকল মানুষ খাবার খাওয়ার আগে হালকা করে পানি পান করে না এটা ঠিক তেমনি যেমন অপরিষ্কার প্লেটে খাবার নিয়ে খাওয়ার মত এর জন্য এক থেকে দুই গ্লাস পানি সকালে উঠে খালি পেটে পান করা উচিত এক গ্লাস পানি দিয়ে খাবার খাওয়ার ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টার মধ্যে পান করা উচিত আগে এবং পরে ঠিক তেমনি করে রাতেও খেতে হবে আর রাতে খাবার খাওয়ার ২ ঘন্টা পরে পানির পরিবর্তে দুধ পান করা উচিত কারণ দুধে থাকা প্রোটিন সারারাত শরীরে শক্তি সরবরাহ করতে থাকে।
আর এর মধ্যে থাকা ট্রিপটোফ্যান নামক একটি এমাইনো এসিড মাথা ঠান্ডা রেখে খুব আরামদায়ক ঘুমানোর জন্য সাহায্য করে থাকে দিনে আপনি যে কয় বার ই পানি পান করুন না কেন খেয়াল রাখবেন প্রত্যেকবার যেন অন্তত এক ঘণ্টা গ্যাপ থাকে সারা দিনে আড়াই থেকে তিন লিটার পর্যন্ত পানি পান করা খুবই প্রয়োজন আর যদি আপনি এক্সারসাইজ করতে থাকেন তখন একবারে গ্লাস ভরে পানি পান করা উচিত নয়।
কারণ ওই সময় আমাদের শরীরের তাপমাত্রা উচ্চ থাকে এর কারণে ওই সময় বেশি পানি পান করাই উপকার এর পরিবর্তে ক্ষতি বেশি হয় তাছাড়া এক্সারসাইজ করার সময় ভারোত্তোলন অনেক বেশি প্রবলেম হয় এজন্যই এক্সারসাইজ করার সময় এক গ্লাস এর চার ভাগের এক ভাগ পানি পান করা উচিত পরবর্তীতে যখন আমার তৃষ্ণা পাবে তখন আবার অল্প স্বল্প পরিমাণে পানি পান করা উচিত এক্সারসাইজের আধাঘন্টা পরে আপনি পানি বেশি করে পান করতে পারেন কিন্তু মনে রাখবেন এক্সারসাইজের সময় আপনাকে অল্প করেই পানি পান করা উচিত আমরা যদি ঠিক এমনিভাবে পানি পান করতে পারি তবে অনেক সমস্যার হাত থেকেই রক্ষা পেতে পারি সাথে সাথে আমাদের পরিপাকতন্ত্র ঠিক থাকবে আর যদি আমাদের পরিপাকতন্ত্র ঠিক থাকে তবে এটা আমাদের ওজন বাড়ানো বা কমানো সাহায্য করে থাকে।
যেসব ব্যক্তির পরিপাকতন্ত্র ঠিক থাকেনা ওজন বাড়ানো হোক আর কমানো হোক কোনটাই সহজে সম্ভব হয়ে ওঠেনা পানি পান করার এই পদ্ধতিটি কিছু সপ্তাহের মধ্যেই আপনাকে আরো অনেক বেশি সুস্থ করে তুলবে তখন আপনি পোস্টটির নিচে এসে কমেন্টে ফিডব্যাক দিতে ভুলবেন না।
পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধু ফ্যামিলি এবং অন্যান্য সদস্যদের সাথে শেয়ার করতে পারেন এবং আপনি যদি এমনই রহস্য-রোমাঞ্চ আনকমন আর ইন্টারেস্টিং পোস্ট দেখতে পছন্দ করে থাকেন তবে সেটিও কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন।
পোস্টটি লিখতে সাহায্য করেছেন আমাদের সবার প্রিয় ইউটিউব চ্যানেল মায়াজাল এর এডমিন মেহেদী ভাই তাকে অনেক ধন্যবাদ এমন একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপহার দেওয়ার জন্য।
সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।
অনলাইন আর্নিং রিলেটেড গ্রুপ এটি জয়েন করুন
তো দেখা হচ্ছে আগামী এপিসোড এ ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকবেন ধন্যবাদ।

Credit -> Amartips.Mobi.

Leave a Reply