মেয়েরা দেখবেন! আপনার ঘুমানোর পদ্ধতিই বলে দেয় আপনি কেমন মানুষ।


হ্যালো বন্ধুরা এক এক মানুষের সবার পদ্ধতি একেক রকম হয়ে থাকে এবং সবারই আলাদা আলাদা পছন্দ থাকে ঘুমানো আমাদের শরীরের জন্য অনেক ভালো কিন্তু বেশি অথবা কম ঘুমালে আমাদের স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে।
এবং রিসার্চ অনুযায়ী বলা হয়ে থাকে কারণ ঘুমানোর পদ্ধতি দেখলে সেই ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বুঝতে পারা যায়। এবং আমার আজকের এপিসোডে আমরা জানব ঘুমানোর কোন পদ্ধতি মানুষের কোন পার্সোনালিটি বলে দেয় তো ও স্বাগতম আপনাকে আমাদের আরো একটি নতুন এপিসোডে।

১। এক পাশ হয়ে মুড়িয়ে ঘুমানো।
এক পাশে শরীরকে গোল বলের মত করে ঘুমাতে আমাদের সবারই দারুন লাগে কিন্তু বন্ধুরা এভাবে ঘুমানোর সব থেকে বিপদজনক বলা হয়ে থাকে এভাবে ঘুমালে আমাদেরকে স্পাইনাল কর্ড বাঁকা হয়ে যায়।
যার কারণে এভাবে ঘুমালে মেরুদণ্ডের উপর চাপ পড়ে ফলে মেরুদন্ড এবং মাথার খুলির জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় এভাবে ঘুমানো মানুষের সম্পর্কে বলা যায় যে ভাবে ঘুমানো মানুষেরা অন্য ব্যক্তির কাছ থেকে সাহায্য পাওয়ার আশা করে থাকে।
এসব মানুষ মনে করে মানুষ এদের কথা বুঝতে পারে এবং মানুষ তার উপরে সহানুভূতি রাখে যেসব মানুষের নতুন কারো সাথে পরিচিত হতে অনেক ভয় পেয়ে থাকে। নতুন কারো সাথে পরিচিত না হওয়ার জন্য বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে থাকে।
এই ভাবে ঘুমাতে অনেক মানুষই পছন্দ করে এভাবে ঘুমানো মেয়েরা অনেক সেনসিটিভ এবং লাজুক হয়ে থাকে এরা অনেক বেশি চিন্তা করে এরা কখনো স্বামী বা প্রেমিক কে ধোকা দেয় না। আর পরিবারের সবার সাথে মিলেমিশে বসবাস করে ।

২। লক পদ্ধতি একপাশে ভর দিয়ে সোজা হয়ে ঘুমানো।
একপাশে ভর দিয়ে সোজা হয়ে ঘুমানোর পদ্ধতি কে লক পদ্ধতি বলা হয়ে থাকে। যদি আপনার পিঠে ব্যথা থাকে তবে এই পদ্ধতি আপনার জন্য অনেক ভালো যদি আপনার এসিডিটির সমস্যা থেকে থাকে তবুও এই পদ্ধতি আপনার জন্য অনেক ভালো।
এ পদ্ধতির একটি খারাপ দিকও রয়েছে শোয়ার পরে কখনো কখনো আমাদের উপরে বা নিচে চলে যায় এবং আমাদের পিঠ এবং দাঁড়াই সমস্যা হয়ে যায়।
এভাবে ঘুমানো মানুষের সম্পর্কে বলা যায় এরা অন্য কাউকে অল্পতেই বিশ্বাস করে ফেলে। এরা সাধারণ জীবন যাপন করতে পছন্দ করে এরা অল্পতেই অন্য কারো সাথে মিশে যায়।
এর ফলে অন্য মানুষ এদের কে বোকা বানিয়ে এদেরকে ফায়দায় ফেলে এরা কখনো কারো উপরে রেগে গেলে তা সহজে কাউকে বলে না। সময়মতো কাজ করা এদের অনেক বড় গুন অর্থাৎ এদের সম্পর্কে বলা যায় এরা সব কাজ নিয়মিত করে থাকে।


৩। সোল্ডার পদ্ধতি দুই হাত দুই পাশে রেখে সোজা হয়ে ঘুমানো।
দুই হাত দুই পাশে রেখে সোজা হয়ে ঘুমানো কে বলা হয় সোল্ডার পদ্ধতি। এই পদ্ধতি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য সবথেকে ভাল একটি পদ্ধতি।
যদি কারো এসিডিটির সমস্যা হয়ে থাকে তবে এই পদ্ধতি সবচেয়ে ভালো। কিন্তু যার হজমে সমস্যা রয়েছে তার জন্য এই পদ্ধতিতে ঘুমানো উচিত নয়।
কিছু রিচার্জের মতে এই ভাবে ঘুমানো মানুষ অনেক কাজের চাপ নিতে পারে। এরা এরা অনেক আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকে।
এরা নিজের উপরে অনেক বেশি ভরসা করে থাকে আর এদের লক্ষ্য যে কোন কাজকে খুবই সহজ করে ফেলা এদের স্বভাব শান্ত এবং স্থির থাকা এরা কাউকে কথা দিলে তা রাখে কারো কোন কাজ করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে থাকলে পুরোপুরি ভাবে তা করার চেষ্টা করে থাকে।
অন্য কাউকে হেল্প করতে এদের অনেক ভালো লাগে এবং এরা নতুন নতুন জিনিস শিখতে সব সময় কিছু না কিছু শিখার জন্য চেষ্টা করে থাকে।

৪। ফ্রি ফল পজিশন পেটের উপরে ভর করে ঘুমানো।
পেটের উপরে ভর করে ঘুমানো হজমের জন্য অনেক উপকারী কিন্তু তবুও এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এভাবে ঘুমালে আমাদের শ্বাস নিতে বার বার ঘুরতে হয় যার ফলে আমাদের ঘাড়ে ব্যথার সৃষ্টি হয়।
এভাবে ঘুমানো মানুষের সম্পর্কে বলা যায় এরা প্রেম করতে অনেক পছন্দ করে এরা প্রেমের প্রতি খুবই আসক্ত এবং দুর্বল থাকে। এরা যদি সমাজে কখনো অপমানিত হয় তবে তা মনের মধ্যেই চাপিয়ে রাখে এবং সময় পেলে সেটার বদলাও নিয়ে থাকে।
এরা সব সময় ভাবে মানুষ এদেরকে সম্মান করে কিন্তু যারা সম্মান করে তাদেরকে দূরে দূরে রাখে। এ ধরনের মানুষ খাবার এবং শরীরে উপরে নজর দেয় না এরা সময় অপচয় পছন্দ করে না এবং এরা কারো সাথে অকারণে গল্পের আসর জমায় না।

৫। অভিলাষ পদ্ধতি।
শোবার সময় দুই হাত এক পাশে সোজা করে রেখে ঘুমানোর পদ্ধতি কে অভিলাষ পদ্ধতি বলা হয়ে থাকে। এদের মেরুদন্ডে ব্যথা হয়ে থাকে আর কখনো কখনো কাঁদে ও ব্যথা হয়ে থাকে।
যদি এসিডিটি এর প্রবলেম থাকে তবে এটা তাদের জন্য একটা উত্তম পদ্ধতি এভাবে ঘুমানো মানুষদের সম্পর্কে বলা যায় এরা শান্ত আর কারো উপর বিশ্বাস রাখে না এদের অপমান করা এবং না করা সমান কথা।
এরা কারোর নিজেদের বিরুদ্ধে বলা কথায় খুব বেশি গুরুত্ব দেয় না আর খুব তাড়াতাড়ি ও সেটা ভুলে যায় এরা ভবিষ্যতের চিন্তা খুব বেশি করে না তবে তারা সব কাজ সঠিকভাবেই করে আর সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এরা নতুন জায়গায় খুব সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারে এদের জীবনে যদি কোন খারাপ কিছু থেকে থাকে তবে তা মানিয়ে নিতে পারে।
এ ধরনের মানুষ কাউকে ধোকা দেয় না তবে যদি কেউ এদের কষ্ট দেয় তবে সেই কষ্ট পাওয়ার সময় এদের থাকে না সবকিছু ভুলে তারা সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
৬। স্টারফিশ পজিশন।
হাত কিছুটা কাঁধের উপরে রেখে পিঠের উপরে ভর করে ঘুমানো কে স্টারফিশ পজিশন বলা হয়ে থাকে এটা সবচাইতে স্বাস্থ্যকর পজিশন বলা হয়ে থাকে তবে এই পদ্ধতিতে কখনো কখনো কাঁধে ব্যথা হতে পারে।
এভাবে ঘুমানো মানুষের সম্পর্কে বলা যায় এরা খুব ভালো শ্রোতা হয়ে থাকে কেউ যদি অনেক বোরিং ভাষণ ও দিতে থাকে তবুও এরা মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকে। যার ফলে সমাজে এদের অনেক বন্ধু থাকে মানুষ সব সময় এদের সাথে কথা বলতে অনেক পছন্দ করে এবং এরা শান্ত থাকার কারণে এদেরকে সবাই খুব তাড়াতাড়ি বিশ্বাস ও করে ফেলে।
এই হলো মানুষের ঘুমানোর ৬ টি পদ্ধতি যা মনোযোগ দিয়ে দেখলেই খুব সহজেই মানুষের পার্সোনাল দিক সম্পর্কে বুঝতে পারা যায় তো আপনি নিজে এগুলোর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে ঘুমিয়ে থাকেন???
পোস্টটি লিখে পাঠিয়েছেন আমাদের সবার প্রিয় ইউটিউব চ্যানেল মায়াজাল এর এডমিন মেহেদী ভাই। ধন্যবাদ তাকে এত সুন্দর একটি পোষ্ট আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য।
যেকোনো সমস্যার সমাধান পেতে ইমেইল করুন: [email protected]
আর এখনই জয়েন করুন এই ফেসবুক গ্রুপে
আর আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না subscribe now!!
পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করতে পারেন। এবং আপনি যদি এমনই আনকমন এবং ইন্টারেস্টিং পোস্ট দেখতে পছন্দ করে থাকেন তাহলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানিয়ে দেন।
তো দেখা হচ্ছে আগামী এপিসোড এ ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Reply