ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্ত ও সিঙ্গুলারিটির মাঝে কি থাকে?

দেখালেন ভর -তথা শক্তি স্থান কালের বক্রতা সৃষ্টি করে।যে বক্রতার মাধ্যমে মহাবিশ্বকে খুবই সুন্দর ভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। শুধু তাই নয় তার প্রনীত আপেক্ষিক তত্ত্বের মাধ্যমে কার্ল শেয়ার্জশিল্ড গাণিতিক ভাবে প্রমান করেন যে মহাবিশ্ব যে অসীম ঘনত্বের এক বস্তু আছে যার মুক্তিবেগ আলোর চাইতে বেশি।

আপনি ঠিক ধরেছেন ব্ল্যাকহোল বলতে আমরা বুঝি যা তার নিকটে যায় তা গোগ্রাসে গিলতে থাকে। এতখায় তবুও তার পেট ভরেনা।স্যার আইন্সটাইনের এই যুগান্তকারী তত্ত্ব তৎকালীন সময়ে অপ্রাণিত ছিল বিদায় তিনি নোবেল বঞ্চিত হয়(তিনি নোবেল পেয়েছিলে কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় অবদানের জন্য)তবে তার তত্ত্বের মাধ্যমে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার উঠে আসে,অধিক ভর যুক্ত মৌল যেমন স্থানকালে বক্রতা সৃষ্টি করে তেমনি এমনবস্তুুদের সংঘর্ষের ফলে সৃথান কালে একধরনের আন্দোলন সৃষ্টি হয়।প্রায় ১শত বছর আগে বিজ্ঞানী স্যার আলবার্ট আইন্সটাইন ডার সাধারণ আপেক্ষিতা তত্ত্বে স্থান কালকে বাঁকিয়ে দেওয়া যে তরঙ্গের কথা বলেছিলেন,সে তরঙ্গ বা Gravitation Wave ১ম বারের মত শনাক্ত হয় ১৪এপ্রিল ২০১৫ সালে।মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আলোর বেগে মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পরে। বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের ৩০ সৌরভরের বেশী ভর সম্পন্ন দুটি স্টেলার ম্যাস ব্ল্যাকহোলের প্রায়৩সৌরবর্ষর সমান শক্তি অবমুক্ত হয়েছিল এবং সিগন্যাল মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল।আর এই মহাকর্ষীয় তারঙ্গ শনাক্ত করার জন্য লেজার ইন্টারফেরমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েব অবজারভেটরি (Laser Interferometer Gravitatioal wave-LIGO).

www.bigganbd.com বাংলা ভাষার একটি অনলাইন ওয়েব ম্যাগাজিন । এখানে, যে কেউ তার বিজ্ঞান ভিত্তিক লিখা জমা দিতে পারে অনলাইন পবলিশের জন্য ।

-ধন্যবাদ 🙂 বিজ্ঞানী বন্ধু…

Leave a Reply