হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে শুরু করছি


লেখাঃ সাইফুর রহমান (আল্লাহ্‌ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!

— পরিবেশটা সুন্দর না!

— কোনো হৈচৈ আছে!
— চা খাবেন.. ঢেলে দেই!

এটাতো সামান্য, এরকম হাজারো রকমের উদাহরণ আছে, যা নিয়ে আমরা উপহাস, হাসি-ঠাট্টা করে থাকি। হাসি-ঠাট্টা করার ছলে আমরা কত বড় গুনাহে লিপ্ত আছি সেটাকি আমাদের খেয়ালে আছে? আচ্ছা বলুনতো, এসব বলে আসলে কি ফায়দা? নিজের, সমাজের বা ধর্মের কি লাভ হচ্ছে? অনর্থক কাজ একটা।

হাশরের কঠিন দিনে এরকম হাসিঠাট্টার কারণে আমাদের জান্নাত আটকে যেতে পারে সেটা কি আমাদের হুশে আছে?

”তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে…” (সূরাহ কাহফ, আয়াত : ৪৯)

ইবনে আব্বাস (রা.) এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, ”ছোট’ হচ্ছে কোনো মুমিনের উপহাসে মুচকি হাসা আর ‘বড়’ হচ্ছে মুমিনের উপহাসে অট্টহাসি দেয়া বা জোরে হাসা।”

কি হলো আমাদের? আমাদের মন থেকে কি এসব আয়াত বিস্মৃত হয়ে গেছে?

”মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই যালেম।” (সুরাহ আল-হুজরাত, আয়াত : ১১)

বিদাতি, মাজারপূজারীদের ব্যাপারে অবশ্যই আমরা সবাইকে সতর্ক করবো, সেই সতর্ক করার ভাষা হবে ইলম। ইলমের মাধ্যমে এদের যুক্তিখন্ডন করতে হবে। কোনো মতেই ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা যাবে না। এসব হাসি, ঠাট্টা সুস্পষ্ট গোনাহ। অনেক ক্ষেত্রেই কবিরা গুনাহের পর্যায়ে।

আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতায়ালা আমাদের সরল সঠিক পথে অবিচল রাখুন।

ইসলামিক পোস্ট পেতে বিজিট করুন ইসলামিক সাইট www.OurislamBD.Com

সবাই ভালো থাকবেন ভালো রাখবেন আর Trickbd সাথেই থাকবেন।

Leave a Reply