জেনে নিন কিছু ইসলামিক কথা।যেমন রব সম্পর্কে ও আজান সম্পর্কে।


আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে amartips তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে amartips তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই amartips এর সাথেই থাকুন ।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : “যে ব্যক্তি বার বছর আযান দেয় তার জন্য জান্নাতে নির্ধারিত হয়ে যায় এবং তার জন্য তার প্রত্যেক আযানের বিনিময়ে লিখা হয় ষাট নেকী এবং প্রত্যেক ইক্বামাতের বিনিময়ে লিখা হয় ত্রিশ নেকী। হাদীস সহীহ : ইবনু মাজাহ্ হা/৭২৮- শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
(ক)
রাত ১০ টা। চারিদিক হতে আজানের ধব্বনি ভেসে আসছে। প্রতিটি মসজিদ হতে
আজানের কণ্ঠেয় ভরে যাচ্ছে পরিবেশ। নিরব নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে লোকলয় হতে অনেক দূরে মাইকের আওয়াজে আজান পৌঁছে যাচ্ছে। একটাই উদ্দেশ্যে এতো রাতে রবের প্রতি আহ্বান। আহ্বান করে আমাদের দুর্দশার কথা রবকে
জানানো, রবের সন্তুষ্টি
অর্জন করা।
আমার রব আমাদের প্রতি
বড়ই অসুন্তুষ্ট হয়ে আছেন।
রবের প্রতিটি ফরজ-সুন্নাহ
কাজ প্রতিদিনই আমরা
ব্যর্থভাবে চালিয়ে
যাচ্ছি। ন্যায় প্রতিষ্ঠার
কথা ভুলে অন্যায় পাপচারে
হাবুডুবু খাচ্ছি। মানুষত্ব
ভুলে জন্ম দিচ্ছি প্রতিনিয়ত
অমানুষের পরিচয়। আমাদের
রব বড়ই অসুন্তুষ্ট হয়ে আছেন।
তবুও মহান আল্লাহ্ অতি
দয়ালু! অতি পরম করুণাময়!
অতি মহানুভব! অতি
সর্বশ্রেষ্ঠ! তিনিই আমার রব!
আল্লাহ্ বলেছেন-
তারা বলল, ‘‘হে আমাদের রব,
আমরা নিজদের উপর যুলম
করেছি। আর যদি আপনি
আমাদেরকে ক্ষমা না করেন
এবং আমাদেরকে দয়া না
করেন তবে অবশ্যই আমরা
ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত
হব’’।
—সূরা আল আ’রাফ:-২৩
আসুন এখনো সময় আছে
আমাদের ফিরে আসার।
রবের কাছে নিজেকে সমর্পন
করে দিই। বলি—
‘যাদের হৃদয়ে আছে আল্লাহর
ভয়
তারা কবু পথ ভুলে যাইনা’
(খ)
হতাশা, দুঃখ কষ্টের ইতি
নেই, ব্যর্থতা গুণতে গুণতে
জীবন বিবিষীকায়
পর্যবসিত। এমন সময়ে
সামান্য সফলতার সুযোগ,
সামান্য পাওয়া এই জীবনে
এনে দিতে পারে চরম
প্রাপ্তির সুখ। পাপাচার,
ব্যভিচার, অন্যায়, জুলুমের পথ
থেকে নিজেকে কখনো
রেহায় করতে পারছি না।
একদিন যখন আমার সমস্ত
গর্হিত কাজের আসলটাই
বুঝলাম তখন রবের রাস্তায় ফিরে এলাম।
মনে একটা সংশয় থেকেই যায়, বর
আমাকে এতো কিছুর পরেও
ক্ষমা করবে তো?
তখন বিশ্ব জাহানের
বাদশাহ আমার রব বলেন—
“অতঃপর তোমরা
প্রত্যাবর্তন কর, যেখান
থেকে মানুষেরা
প্রত্যাবর্তন করে এবং
আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও।
নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল,
পরম দয়ালু”।
-সূরা বাকারাহ্:১৯৯
(গ)
দুনিয়ায় বিপদাপদের
সত্যিকার কারণ তোমাদের
গোনাহ; যদিও দুনিয়াতে
এসব গোনাহের পুরোপুরি
প্রতিফল দেয়া হয় না এবং
প্রত্যেক গোনাহর কারণেই
বিপদ আসে না। বরং অনেক
গোনাহ, তো ক্ষমা করে
দেয়া হয়। তবে এটা সত্য যে,
সমস্ত গোনাহর কারণে বিপদ
আসে না বরং কোন কোন
গোনাহর কারণেই বিপদ
আসে। দুনিয়াতে প্রত্যেক
গোনাহর কারণে বিপদ
আসলে একটি মানুষও
পৃথিবীতে বেঁচে থাকত না।
আল্লাহ বলেন,
“আল্লাহ যদি মানুষকে
তাদের সীমালংঘনের জন্য
শাস্তি দিতেন তবে ভূপৃষ্ঠে
কোন জীব-জন্তুকেই রেহাই
দিতেন না; কিন্তু তিনি এক
নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত
তাদেরকে অবকাশ দিয়ে
থাকেন।” [সূরা আন-নাহল: ৬১]
আল্লাহ আরো বলেন, রেহাই
দিতেন না, কিন্তু তিনি এক
নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত
তাদেরকে অবকাশ দিয়ে
থাকেন।”
[সূরা ফাতির: ৪৫]
বরং অনেক গোনাহ তো
আল্লাহ মাফই করে দেন।
যেগুলো মাফ করেন না,
সেগুলোরও পুরোপুরি শাস্তি
দুনিয়াতে দেন না; বরং
সামান্য স্বাদ আস্বাদন
করান।
আল্লাহ্ সূরা আর-রুমে আরো
চমৎকারভাবে বলেছেন-
“মানুষের কৃতকর্মের দরুন
স্থলে ও সমুদ্রে ফাসাদ
প্রকাশ পায়। যার ফলে
আল্লাহ তাদের কতিপয়
কৃতকর্মের স্বাদ তাদেরকে
আস্বাদন করান, যাতে তারা
ফিরে আসে”।
-সূরা আর-রুম:৪১
আমাদের উচিত এখনি সময়
রবের নিকট প্রত্যাবর্তন
করার। এখনি সময় রবকে
গিয়ে নিজেকে সম্পূর্ণ
বিলিয়ে দেওয়া। রবের
কাছে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।
হে আল্লাহ্ প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা থেকে মুক্তি দিয়ে তোমার পথে কবুল করো মা’বুদ। আমিন!

ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।আমারটিপ্সর সাথেই থাকবেন।..

Leave a Reply