লঞ্চ হল করোনা সেন্সর, শরীরে(গলায়) রাখলেই জানা যাবে করোনা সংক্রমিত কিনা

লঞ্চ হল করোনা সেন্সর, শরীরে(গলায়) রাখলেই জানা যাবে করোনা সংক্রমিত কিনা


একনজরে :-
ফ্লেক্সিবল ওয়্যারলেস সেন্সর যা আপনার গলা এবং বুকের সাথে আটকে দেওয়া যায়

কফ, শ্বাসের গতি, কম্পনের উপর ভিত্তি করে করোনা লক্ষণগুলি তুলে ধরে
সেন্সরটি এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের উপর ব্যবহার করা হয়েছে

বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সঙ্গে গোটা বিশ্ব মোকাবিলা করছে ৷ করোনার সঙ্গে লোড়তেছে বাংলাদেশও ।
এর সবচে বড় একটি ভয়ঙ্কর দিক হল এ রোগের লক্ষণগুলি।কেননা করোনার ভাইরাসের লক্ষণগুলি অনেক লোকের মধ্যে দেখা যায় না এবং অনেক লোকের মধ্যে এটি বেশ দেরিতে দেখা যায়।
এরই সঙ্গে ওই সংক্রমিত ব্য়ক্তি আরও অনেক মানুষকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয় এই ভাইরাস।

তাই এই মহামারীতে এমন একটি প্রযুক্তির দরকার ছিলো যা মানুষকে পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিকভাবে লক্ষণগুলি সম্পর্কে জানিয়ে দিতে পারবে।

এই প্রয়োজনটি দেখে ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, শিকাগো এবং শিরলে রায়ান অ্যাবিলিটি ল্যাব একটি বিশেষ স্টিকার তৈরি করেছে, যা দেখতে একটি ব্য়ান্ডেড এর মত।

কিন্ত এটি একটি ফ্লেক্সিবল ওয়্যারলেস সেন্সর যা আপনার গলা এবং বুকের সাথে আটকে দেওয়া যায়।
এই ডিভাইসটি কে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা কফ, শ্বাসের গতি, কম্পনের উপর ভিত্তি করে করোনা লক্ষণগুলি তুলে ধরে।

এছাড়ও এই ডিভাইসটি করোন ভাইরাস (coronavirus) সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ এবং অসুস্থতার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
এই ডিভাইসটি তে অনেক সেন্সর রয়েছে। এই স্টিকারকে করোনা সেন্সর (Coronavirus sensor) বলা হচ্ছে।

করোনা সেন্সরটি এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের উপর ব্যবহার করা হয়েছে।
সেন্সরটি একটি ওয়্যারলেস চার্জারের মাধ্যমে চার্জ করা যাবে এবং ডেটা কে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সিঙ্ক করা যাবে।
সেন্সরে কোনও পোর্ট দেওয়া হয়নি। এতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার এর সমর্থনও রয়েছে।

নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জন রজার বলেছেন, গোপনীয়তা কথা মাথায় রেখে এই স্টিকারটিতে মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়নি।

এতে হাই ব্যান্ডউইথ এবং ট্রাই এক্সিস এক্সিলারোমিটার ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে শ্বাস প্রশ্বাসের ধরণকে ট্র্যাক করা যায়।
এই সেন্সরটি হার্ট রেট এবং দেহের তাপমাত্রাও পরিমাপ করতে কাজ করে।
করোনা সেন্সরে অক্সিজেন মিটার দেওয়া হয়নি, তবে রোগান বলেছে যে অক্সিজেন মিটারটি সেন্সরের পরবর্তী সংস্করণে সমর্থিত হবে।
তাছাড়াও সংস্থা টি থেকে আরো জানা যায় যে কফ, শ্বাসের গতি, কম্পনের উপর ভিত্তি করে করোনা লক্ষণগুলি তুলে ধরে ৷ যা করতে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের মতো সময় লাগতে পারে ৷
তাদের মতে অতি শিঘ্রই এটি সরকারিভাবে ছাড়বে বাজারে ৷ যদিওবা এখনও সরকারি ভাবে অনুমোদন প্রাপ্ত হয় নি এই ছোট্ট যন্তটি ৷ তবে আশা রাখা পায় করোনা সনাক্তের কিটের মূল্যর থেকে এই সেন্সরের দাম অনেক কম হবে ৷ এবং জীবানুমুক্ত করে একাধিক ব্যাক্তির গলায় ব্যবহার করা যাবে ৷

আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবন ভালো রাখবেন ৷
আল্লাহ হাফেজ ৷

>প্রিমিয়াম ব্লোগার টেমপ্লেট
>প্রিমিয়াম WordPress Thems
>প্রিমিয়াম Andrioad Apps
>প্রিমিয়াম PC Apps পেতে জোয়েন করুন ProDokan ফেসবুক গ্রুপ এ ৷ জোয়েন করতে এখানে চাপুন

Leave a Reply