অল্প সময়ে দ্রুত মুখস্ত করার উপায় Memorise all topic easily Solve Your Problems

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে amartips তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে amartips তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই amartips এর সাথেই থাকুন ।

অল্প সময়ে দ্রুত মুখস্ত করার উপায় Memorise all topic easily Solve Your Problems

এতো এতো Subject এতো গুলো ট্রপিক। আর কিছু দিন পরেই পরিক্ষা আল্লাহ এবারের মত আমাকে পাশ করিয়ে দাও। পরের বার থেকে ভালো করে পড়বো। শতকরা ৮০% শিক্ষার্থীদের এই অবস্থা হয়ে থাকে। আর পরিক্ষা আগে দিন রাত এক করে পড়ে পরিক্ষা দেয়। কোন কিছুই যেন মুখস্থ হতেই চায় না। আবার পরিক্ষা শেষ আবার যা তাই। আপনার ও যদি ৮০% শিক্ষার্থীদের মতো হয়ে থাকে তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।

Time Set করে পড়া

আপনাকে যদি বলা হয় মাত্র ৫ মিনিটে সময় দেওয়া হলো ২০ এর মধ্যে ১৮ পেতেই হবে না হলে ক্লাস থেকে বেড় করে দেওয়া হবে। অথবা ২০ এর মধ্যে ১৫ পেলেই ১০০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। তখন কিন্তু আপনার পড়ার মধ্যে আগ্রহটা বেড়ে যাবে। দেখবেন আপনার পড়া দ্রুত মুখস্থ হয়ে যাবে। গবেষণার দেখা গেছে মানুষের Brain যখন পেসার দেওয়া হয় তখন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি কাজ করতে থাকে কারণ পেসার দেওয়া ফলে Brain এ কোন চিন্তাই আসতে পারে না। আর এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে খুব দ্রুত মুখস্থ করতে পারেন। কিন্তু আপনি এটা কিভাবে করবেন তাই তো এর জন্য আপনাকে ঘড়ি ব্যবহার করলেই হবে। এটা এতোটা কার্যকরি কাজ লাগালেই বুঝতে পারবেন। আপনি নিদিষ্ট ট্রপিক বেছে নিয়ে টাইম সেট করে পড়তে বসুন দেখেন কাজে লাগে কিনা ২ থেকে ৩ বার অন্তত টাই করে দেখেন এর ফলে আপনার ধারনটাই পাল্টে যাবে। শুধু এটা মনে রাখবেন যে আমাকে এই সময়ের মধ্যে যেভাবেই হোক শেষ করতে হবে। যেমনটা পরিক্ষা আগে রাতে করা হয়।

মনে রাখার জন্য সেই বিষয়ে ছবি বা গল্প নিজের মনে বানিয়ে নিতে পারেন।

আপনাকে দুটো রেস্তোরাঁ নাম বলা হলো যায় একটাই আপনি নিজেও গিয়ে ছিলেন। ফলে নাম বলার সাথে সাথেই আপনার মনে হলো আপনি কবে গিয়ে ছিলেন। এবার এক সপ্তাহ পরে যদি প্রশ্ন করা হয় কোন দুটি রেস্তোরাঁ নাম বলা হয়েছে আমি ১০০% নিশ্চিত যেটাতে আপনি গিয়ে ছিলেন সেটা নাম বলতে পারবেন। আর অন্য রেস্তোরাঁ নাম আপনার মনে থাকতে ও পারে নাও থাকতে পারে। বলুন তো এমনটা কেন হয়। আমাদের ব্রেন যখন একটা বিষয় নিয়ে যত বেশি ভাবে তখন সেই বিষয়টা মনে রাখতে পারে। যখন আপনি দুটো রেস্তোরাঁ নাম শুনেছেন তার মধ্যে একটা রেস্তোরাঁ নিয়ে বেশি চিন্তা করেছেন যায় ফলে সেটা মনে রাখতে বেশি সাহায্য করেছে।পড়ার সময় যে বিষয়টা নিয়ে পড়বেন সেটা দিয়ে নিজের ব্রেনে ছবি একে নিবেন।অথবা গল্প বানিয়ে নিবেন।যেমন একটি উদাহরণ দেই এই রেস্তোরাঁ আমি গেছি আর অন্য রেস্তোরাঁ খবারটা টেস্ট করা উচিত আগামী সপ্তাহে সময় করে যাব। রেস্তোরাঁ লোকেশনটা মনে রাখতে পারেন ঠিক তেমনি পড়া গুলো নিজের মনে গল্প বা ছবি আকারে নিজের মনে সাজিয়ে নিতে পারেন।

কোন ট্রপিক নিয়ে পড়তে বসলে অন্য কোন চিন্তা করা যাবে না মনযোগ সহকারে বুঝে পড়তে হবে।

অনেকেই আছে অতিরিক্ত টেনশনের কারণে শান্তি মতো ঘুমাতেও পারে আর সেই ঘুমটাই কিন্তু জগতের সবচেয়ে আরাম দায়ক কাজ। ঠিক তেমনি আপনি যখন পড়তে বসেন তখন যদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টেনশন করেন না হবে পড়া না হবে অন্য কিছু করা। যদি আপনার অতি দরকারি চিন্তা থেকেই থাকে তাহলে আগেই সেই বিষয় নিয়ে চিন্তা করে মনটাকে ভালো করুন না হয় একটা ডাইরিতে লিখে রাখুন

মুখস্থ করার বিষয় নিজের পরিচিত শব্দ দিয়ে সাজিয়ে নিন

আপনাকে যদি YILOOUVE এরকম অনেক কিছু মুখস্থ করতে দেওয়া হয় অনেক সময় নিয়ে নিবেন। কিন্তু এটাই যদি আমি পরিবর্তন করে দেই তাহলে I Love You এটা তো সবাই পারে I Love You তো আপনার মুখস্থ করার বিষয় গুলো যদি আপনি আপনার পরিচিত ওয়ারড বা Sentence দিয়ে সাজাতে পারেন তাহলে মনে হবে পুরাটাই জাদু।

মুখস্থ করা বিষয় গুলোর উপর MCQ টেস্ট অথবা কতগুলো মনে আছে সেগুলো লিখে
নিজেকে যাচাই করতে পারেন। আর পড়ার সময় Stop Watch ব্যবহার করতে পারেন যায় ফলে একটা টার্গেট নিয়ে পড়া শেষ করতে পারেন।

তো আজকে এই পর্যন্তই ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ

Leave a Reply