Walton primo H9 বাংলা রিভিউ | সবকিছুই বেশি বেশি!


বাংলাদেশের স্মার্টফোন ইউজারদের একটা বড় অংশ রয়েছে যাদের বাজেট হচ্ছে ১০ হাজার টাকারও নিচে! এন্ড তাদের জন্য ওয়াল্টন এবার লো বাজেটে তাদের প্রিমো h সিরিজের নতুন স্মার্টফোন কে রিলিজ করেছে যেটা হচ্ছে Walton primo H9

এবং ৮,৬৯০ টাকায় ওয়ালটন ৬.৯ ইঞ্চির একটি নস ডিসপ্লে ৩ জিবি র্যাম ৩৫০০ মিলি এম্পিয়ার এর ব্যাটারি এবং ফুল ফোরজি ভোল্টী সাপোর্ট দিচ্ছে। আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই বাজেটের স্মার্টফোন এর রিভিউ চান! এন্ড তাই আমাদের আজকের এই পোস্ট।

তো আজকের রিভিউটা হচ্ছে ওয়ালটনের রিসেন্টলি লঞ্চ প্রিমো H9 এর ফুল রিভিউ যাইহোক আপনারা পুরো পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়বেন।


তো রিভিউ শুরু করছি ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে, লো বাজেট স্মার্টফোন হলেও এখানে আপনি একটা শাইনি এন্ড গরজেস ডিজাইন পাবেন ব্যাক সাইডে। দেখতে এটা ডেফিনেটলি বেশ সুন্দর এবং আপনারা চারটা টোটাল কালারে এই স্মার্টফোন টাকে বাজারে পেয়ে যাবেন।

ব্যাগপ্যাকটি রিমুভেবল এবং ব্যাগপ্যাকটি খুললে ভেতরে 2 টি সিম কার্ড স্লট এবং একটি ডেডিকেটেড মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট পাবেন। প্লাস্টিক বিল্ট এই স্মার্টফোন টার ব্যাক প্যানেলে স্কার্স বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাই পরামর্শ থাকবে একটি ব্যাক কভার ইউজ করার।

রেয়ার এ হাউসিং করা হয়েছে ডুয়েল ক্যামেরা সেটআপ ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং একদম নিচের দিকে স্পিকার এর বাইরে ফোনটির পাওয়ার কি এবং ভলিউম লকার থাকছে ফোনের ডান পাশে। আর উপরে থাকছে 3.5 এমএম অডিও জ্যাক।
আর নিচে মাইক্রোফোন এবং মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট ওভারঅল ফোনটির হ্যান্ডফফিল আমার কাছে বেশ ভালোই লেগেছে।

সো আই থিং ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি তে টিপিকাল এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোনের মতোই এখানে তেমন প্রবলেম হবেনা কারোরই।


ফ্রন্টে থাকছে ৬.১ ইঞ্চির ইউজ এইচডি প্লাস আইপিএস এলসিডি প্যানেল, এই ডিসপ্লের কালার কোয়ালিটি আমার কাছে তো বেশ ভালই লেগেছে নেগেটিভিটি নেই বললেই চলে তবে হালকা কালার শিফটিং আমার চোখে পড়েছে।

টাচ কোয়ালিটি টা খুব একটা রেসপন্সিভ আমার কাছে লাগে নি তবে ব্রাইটনেস এন্ড ওভারঅল কন্ডিশন আউটডোর এও আমার কাছে বেশ ভালই লেগেছে।

ইউ নস টা কনটেন্ট ওয়াচিং এর সময় তেমন বিরক্তিকর লাগেনি এবং বেশ ভালোভাবে মানিয়ে যায়, অ্যান্ড কনটেন্ট ওয়াচিং ও আমার কাছে এই বাজেটে বিবেচনায় বেশ ভালোই মনে হয়েছে।

সিকিউরিটি সেগমেন্টের রেয়ার এ ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর থাকছে যেটা বেশ একুরেট ছিল তবে স্পিড টা আমার কাছে এভারেজ লেগেছে। খুব বেশি ফাস্ট না আবার খুব একটা স্লোও না। তবে ফেস আনলক থাকছে যেটা মোটামুটি ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকে।


ব্যাটারি সেগমেন্টে পাওয়ার সেভিং থাকার কারণে ওভারঅল একটা ভালো রেজাল্ট পেয়েছি। ৩৫০০ মিলি এম্পিয়ার এর ব্যাটারী থাকছে ওভারঅল এক্সপিরিয়েন্স যেটা ছিল দারুন।
টানা দুই দিনের মতো ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া গিয়েছে।যেটা একটা বেসিক ইউজারদের জন্য বেস হেল্প ফুল। আর ফোনটা ফুল চার্জ হতে ওভারঅল প্রায় দুই ঘন্টার কাছাকাছি লেগে যায়।

অ্যান্ড্রয়েড ৯ পাই এ রান করছে ফোনটি স্টক ইউ আই এর মতই একটি ক্লিন ইউ আই, তবে ইউ আই তে স্পেশাল তেমন কিছু পাবেন না।


ক্যামেরা সেগমেন্টে রিয়ারে থাকছে ১৩ মেগাপিক্সেল প্লাস ২ মেগা পিক্সেলের ডুয়েল ক্যামেরা যার সঙ্গে থাকছে এলইডি ফ্ল্যাশ, এবং এর প্রাইমারি ক্যামেরার অ্যাপাচার F2.0
ফ্রন্টে থাকছে ৮ মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা প্রাইমারি ক্যামেরা বেশ কালারফুল ছবি তুলতে সক্ষম আর ডিটেলস কেউ খারাপ বলা যাবে না। হাইলাইট ব্যালেন্সটা একুরেট ছিলনা তবে এই দামের বিবেচনায় ক্যামেরা কে এই লেভেলের জার্স করাটা মানাবে না।
এন্ড ওভারঅল এর রেয়ার ক্যামেরা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।

ফ্রন্ট ক্যামেরার রেজাল্ট ও সিচুয়েশন বিবেচনায় ভালোর কাতারেই পড়বে কালার কনট্রাস্ট ঠিকঠাক লেগেছে। ভালো লাইটিং কন্ডিশনে বেশ ভালো মানের ছবি আশা করতেই পারেন আপনি। আর ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন সর্বোচ্চ 1080p তে।

সো ফাইনালি বলা যায় দেখতে গর্জিয়াস সুন্দর ক্যামেরা এন্ড এই বাজেটে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এন্ড ওভারঅল এর সুন্দর পারফরম্যান্স এই সব মিলিয়ে Walton primo H9 তো যাদের পাওয়ারফুল পারফরম্যান্স এর থেকেও পাওয়ারফুল ব্যাটারি খুঁজছেন তাদের জন্য এই ফোনটি বেস্ট।

তবে আপনি যদি এই বাজেটে এই স্মার্টফোনটিকে নিয়ে পাবজি হাই গ্রাফিক্স এ খেলার চিন্তাভাবনা করেন তাহলে বলব বোকামি ছাড়া আর কিছুই হবে না। তো আই হোপ বুঝতে পেরেছেন কাদের জন্য ওয়াল্টন প্রিমো H9 তো এই ছিল আজকের রিভিউ ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন।


ঘরে বসেই ডিসকাউন্টে পাওয়া যাচ্ছে Realme C2s পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৩,৭৯০ টাকায়! 01771768114 শর্ত প্রযোজ্য।
আবারও দেখা হবে নতুন কোন পোষ্টের মাধ্যমে সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply