কোরআন অনুযায়ী পৃথিবীর গর্ভে কি আছে? গবেষনা করে বিজ্ঞানীরা অবাক করা তথ্য পেয়েছেন।According to the Qur’an, what is in the womb of the earth? Scientists are surprised by the research.

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে amartips তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে amartips তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই amartips এর সাথেই থাকুন ।

কোরআন অনুযায়ী পৃথিবীর গর্ভে কি আছে? গবেষনা করে বিজ্ঞানীরা অবাক কারা তথ্য পেয়েছেন।

একজন ভাই প্রশ্ন করেছে পৃথিবীর গভীরতম গভীরে কি আছে..? পবিত্র কোরআন থেকে এ বিষয়ে কিছু আলোচনা করবেন কি…?

বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করার চেষ্টা করব কি আছে পৃথিবীর গভীরে..? বিজ্ঞান কি বলছে..? এবং কোরআন সুন্নাহ এই বিষয়ে কি বলছে …?

পৃথিবীর একেবারে গভীরতম গভীরে অনেক গবেষণা চলছে বিজ্ঞানীরা গত শতাব্দীর পুরোটাই এ নিয়ে গবেষণা করেছে। পৃথিবীর মাঝখানে যে উপ্তত্ত লাভা আগুন আছে এটা আমরা অনেকেই জানিনা। পৃথিবীর উপর দিয়ে আমরা ঠান্ডা পৃথিবীতে ঘুরে বেড়ায় কিন্তু এর ভিতর কিন্তু আগুন লাভা। যায় উত্তাপ পৃথিবীর আগুন থেকে কয়েকশ গুণ বেশি। আল্লাহ কোরআনে মধ্যে ফুটন্ত টক বগে সাগরের কসম খেরেছেন।আল্লাহ বলেন →আমি কোরআনের ভিতর ফুটন্ত টকবগে সাগরের পানির কসম খেলাম। সুবহানাল্লাহ। সাগরের পানি ফুটন্ত টকবগে সাগরের পানি কসম। এটি সেই সাগরের পানি যেই সাগরের পানি ফুটন্ত টকবগে। অর্থাৎ আগুনের থেকেও তাপমাত্রা অনেক বেশি।

এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একটি হাদিস আছে যে জাহান্নামে সবচেয়ে কম শাস্তি দেওয়া হবে তার চাচা আবু তালিবকে। যিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর চারপাশে দেয়াল হয়ে তাকে বিভিন্ন বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করেছে। কিন্তু মৃত্যুর আগের দিনও কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়েনি। তাই তার সবচেয়ে কম শাস্তি হিসেবে তাকে একটি জ্বলন্ত আগুনের আঙ্গার বিশিষ্ট জুতা পোড়ানো হবে। যার ফলে তার মাথার মগজ গুলো টকবগ করতে থাকবে। বন্ধুরা পানি সাধারণত ঠান্ডা হয়ে থাকে আল্লাহ পৃথিবীর ভিতরকার কথা চিন্তা করে বলেছেন এই ফুটন্ত টকবগে সাগরের কথা। অধিকাংশ মোহাদ্দেস বলছেন → পবিত্র কোরআনে টকবগ সাগর বলতে যে সাগর বুঝানো হয়েছে সেটা মূলত পৃথিবীর মধ্যখানে যে টকবগে অগ্নি লাভা এবং পানির মিশ্রণ সেটাকে বুঝানো হয়েছে।


ইউনাইটেড স্টেট অব আমেরিকার নেভাল একাডেমি সাইষ্টিস্টরা এই আয়াতে রিচার্চ করেছে যে সমুদ্রের পানি ঠান্ডা পানির মধ্যে উত্তপ্ত লাভা আগুন আসলো কোথা থেকে. .? অর্থাৎ কোরআন বলছে ফুটন্ত টকবগে সাগরের পানি। সুতরাং সাইষ্টিস্টরা গবেষণা শুরু করলো যে সমুদ্রের পানি যেহেতু ঠান্ডা এর মধ্যে উত্তপ্ত লাভা আগুন কোথা থেকে আসলো। রিচার্চ করার জন্য তারা সমুদ্রের পানির মধ্যে পাইপ ঢুকিয়েছে।পাইপ ঢুকাতে ঢুকাতে অনেক গুলো লেয়ার তারা পার করল।তারা পার করলো শিলাস্তর। এরপর তারা পাললিক শিলার একটি বিশেষ স্তরে গিয়ে পৌঁছাল । এরপর আরো গভীরে যেতে যেতে পৃথিবীর অনেক গভীরে অগ্নিগিরি শিলাস্তরে গিয়ে পৌঁছাল। এ রকম অনেক গুলো শিলাস্তর পেরিয়ে যাওয়ার পর তারা পাইপ গুলো ঢুকিয়ে দেখেছে যে পাইপ গুলো গলে যাচ্ছে।

বন্ধুরা কোরআন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পৃথিবীর সকল বিজ্ঞানীরা একত্রিত হয়ে এই বিষয়টি জানার জন্য একটি ১২ কিলোমিটার গর্ত খুঁড়লো। এবং এটি পৃথিবীর সব থেকে দীর্ঘতম গর্ত।এর থেকে গভীর গর্ত মানুষের পক্ষে করা সম্ভব হয়নি। এই গর্তটির নাম হলো কোলা সুপারডিপ বোরহল এটি রাশিয়াতে অবস্থিত। এই গর্তটি বানাতে প্রায় ২৪ বছর সময় লেগেছিল। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগ্রত হতে পারে যে বারবার ১২ কিলোমিটার গর্ত করার পরে এমন কি হলো যে আর গর্ত করলোনা বিজ্ঞানীরা কেন তারা থেমে গেল। আসলে বিজ্ঞানীরা থেমে যায়নি তারা এই প্রজেক্ট বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ১২ কিলোমিটার গর্ত করার পর নিচের উষ্ণতা প্রচন্ড বেড়ে যায়। অর্থাৎ তারা যে পাইপ ঢুকাতে থাকে সে পাইপগুলো গলতে থাকে।

এই প্রজেক্টের যিনি চিপ তিনি বলেন → আমেরিকার থেকে ওয়াটারপ্রুফ পাইপ নিয়ে আসে এবং তিনি নির্দেশ দেন যাতে এই পাইপটি লাগানো হয়।অতঃপর সে পাইপটি ও নিচে যাওয়া পরে গলে যায়। নেভাল একাডেমি চিফ সাইষ্টিস্টরা শেষ পর্যন্ত একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার উন্নত তাপ নিরোধক পাইপ তৈরি করেন। এবং সেটি ঢুকাতে থাকেন সেটিও বেশ কিছুদূর যাওয়া পরে আস্তে আস্তে গলে পানি হয়ে যায়। তার মানে হচ্ছে ঐ পাইপ গলতে কমবেশি ২০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রয়োজন। অর্থাৎ পৃথিবীর গভীরে তার থেকেও বেশি তাপমাত্রা। যে তাপমাত্রা মানুষের অস্তিত্ব বাষ্প হয়ে যাওয়া মতো অবস্থা। অর্থাৎ মানুষ গলবেনা বাষ্প হয়ে যাবে।

তার মানে ভেতর এমন আগুন আল্লাহ রেখেছেন যে আগুন পৃথিবীর আগুনে মতো নয়।এই আগুনটাই জাহান্নামে আগুন বলেছেন মুহাদ্দিসগণ। আবার বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে এই আগুনেন মধ্যে মানুষের চিৎকার শুনেছে বলে দাবি করেছেন। যদি এই নিয়ে অসংখ্য তত্ত্ব উপাত্ত রয়েছে অনলাইন মিডিয়াতে। যেমন সেই গবেষণা সাথে জড়িত অনেক বিজ্ঞানীরা প্রজেক্ট বন্ধ বাধ্য হয় মূলত একটি বিশেষ আওয়াজের কারণে এমন তথ্য তারা দিয়েছেন। তারা বলেছেন → যে সেই প্রজেক্টি আমার বন্ধ করতে বাধ্য হই। কারণ এর তলদেশ থেকে আমহ এমন কিছু আওয়াজ শুনতে পেয়েছি যা পৃথিবীর মানুষ শুনলে তাদের শরীর হিমশীতল হয়ে যাবে। এটি অতন্ত্য ভয়ংকর এবং পৃথিবীর কোন শব্দের সাথে এর কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।

বন্ধরা এই বিষয়ে আল্লাহ তায়ালা সবচেয়ে ভালো জানেন। এই জন্য হাদিসে এসেছে আল্লাহর অলিরা,মুমিন বান্দরা মারা গেলে তাদের রুহ ইল্লিনে চলে যায়। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন ইল্লিন যেটি আকাশের দিকে নির্দেশ করে। আর কাফের মুশরিক আর নাস্তিকরা মারা যাওয়া পরে তাদের রুহগুলো চিজ্জিনে চলে যায়। পৃথিবীর মধ্যখানে অবস্থিত বলে মুহাদ্দিস গণ মত প্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply