Pokémon Detective Pikachu – অস্থির থ্রিডি একটা মুভি | হিন্দি ডাবড, ৩০০ এম্বি + আমার রিভিউ |

মুভি : Pokémon Detective Pikachu

ডিরেক্টর – রব লেটারম্যান

কাস্ট – ক্যাথরিন নিউটন,জাস্টিন স্মিথ এবং রায়ন রেনোল্ড্স

রিলিজ ডেট – মে ১০,২০১৯

ছোটবেলা থেকেই কার্টুন আমার অনেক পছন্দ ছিল আর সেটা যদি পোকেমন হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই।

কার্টুন এর ভিতরে সবচাইতে প্রিয় ছিল আমার পোকেমন আর সেই পোকেমন নিয়ে থ্রিডি মুভি না দেখার প্রশ্নই আসেনা। তাই অবশেষে আজকে দেখে নিয়েছি।

এই মুভিটি আসলে ২০১৬ সালের ডিটেকটিভ পিকাচু গেম এর কনসেপ্ট থেকে বানানো হয়েছে যা ২০১৯ সালে রিলিজ হয়েছিল।

টিম যে কিনা একজন পোকেমন ট্রেইনার ২১ বছর বয়সে তার মা মারা যাওয়ার পরে বাবাও তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে।

বাট হঠাৎ করে একদিন জানতে পারে তার বাবা (ডিটেকটিভ হ্যারি গুডম্যান) মারা গেছে অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে। তখন সে সেই শহরে যায় যেখানে তার বাবা থাকতো এবং একই ফ্ল্যাটে গিয়ে উঠে। সেই ফ্ল্যাটেই টিমের সাথে পিকাচু দেখা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার আগেও তার বাবা পোকেমন ইভোলিউশন নিয়ে তদন্ত করছিল।

পিকাচু আর টিম নিজেদের মধ্যকার কথোপকথন বুঝতে পারলেও অন্য কেউ সেটা পারে না মানে টিম পিকাচুর সব কথা বুঝতে পারে, শুনতে পারে কিন্তু অন্য কেউ তা পারে না।

যেমনটা পোকেমন কার্টুনের একেবারে প্রথম পর্বে দেখে থাকবেন, যদি পোকেমন লাভার হয়ে থাকেন।

তো সে পিকাচুর সাথে কিছু সময় কাটানোর পর পিকাচু তাকে বলে তার বাবা এখনো মারা যায়নি।

টিম এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায় কারন তার বাবা মারা গেছে বলেই সে এই শহরে এসেছে। টিম পিকাচু কে এই ব্যাপারে আরো বিস্তারিত বলতে বললে পিকাচু পারে না কারণ দুর্ঘটনার সময় সে টিমের বাবার সাথেই ছিল এবং মাথায় আঘাত লাগায় সে কিছু স্মৃতি ভুলে গেছে এবং কিছু মনে আছে।

এখন এখান থেকেই মেইন কাহিনী শুরু। টিম তৎক্ষণাৎ পিকাচু কে নিয়ে তার বাবার খোঁজে বের হয়ে যায়।

এখন সে কি তার বাবাকে খুঁজে পায়, নাকি পায় না, নাকি পিকাচুর কোন ভুল হয়েছিল – এটা বুঝতে হলে আপনাকে সম্পূর্ণ মুভিটি দেখতে হবে।

এই মুভিতে আমার সবচাইতে ভালো লেগেছে ভিএফএক্স তার সাথে পিকাচু কিউটনেস আর তার ইম্প্রেশন। একেবারে কিউটের ডিব্বা।

অন্যদের অ্যাক্টিংও মোটামুটি ভালো ছিল, কোনরকম ওভার অ্যাকটিং পায়নি।

মুভিটা যদি না দেখে থাকেন তাহলে নিচে লিংক দিচ্ছি সেখান থেকে দেখে নেন।

লিংক: এখানে ক্লিক করুন

(হিন্দি ভাষা, ৩০০ এম্বি) অনেকে বলেন স্পিড ভালো পাই না। তাদের বলব এটা আপনাদের নেটওয়ার্কের সমস্যা। ওয়েবসাইটের সাথে ডাউনলোড স্পিড এর কোনো সম্পর্ক নেই।

Leave a Reply