৪১০ টাকায় ১২৮ জিবি পেনড্রাইভ কেনার পর যা পেলাম | তা দেখে রীতিমত অবাক আমি!

পেন ড্রাইভ বা ফ্লাশ ড্রাইভ অনেকের জন্য একটি পরিচিত গেজেট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল টান্সফার ও সংরক্ষণের কাজে আমরা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ব্যবহার করে থাকি।
শুধু কম্পিউটার নয় যারা ওটিজি সাপোর্টেড স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন তারাও ফোনের সাথে অনেক সময় ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ব্যবহার করে থাকেন।

আমি অস্বাভাবিক কম দামে একটি অধিক ক্যাপাসিটি সমৃদ্ধ পেনড্রাইভ কিনেছি এবং তা আমি ব্যবহার করছি কি ঘটছে আমার সাথে সেটাই জানাবো।
আমি মাত্র ৪১০ টাকা দিয়ে একটি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ কিনেছি এবং তা প্রায় এক মাস ধরে ইউজ করছি এবং আমার সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে যা বুঝতে পারলাম এবং আপনার আইডি কিনবেন কি কিনবেন না সেটাই জানাবো আজকের এই পোস্টে।

আপনারা নিচে আমার হাতে দেখতে পাচ্ছেন ফ্ল্যাশ ড্রাইভটির প্যাকেটটি।


এবং যার গায়ে লেখা এটি একটি ১২৮ জিবি ক্যাপাসিটি সমৃদ্ধ ফ্লাশ ড্রাইভ, ১২৮ জিবি এই পেনড্রাইভ এর দাম পড়েছে মাত্র ৪১০ টাকা। যা দিয়ে পাওয়ার কথা একটি ভালো মানের ১৬ জিবি ফ্লাশ ড্রাইভ।
আপনাদের একটা কথা আগে জানিয়ে রাখি এটি একটি চায়না প্রোডাক্ট যার জন্য এত সস্তা আর কি।😁 এবং এর প্যাকেটে কোন ব্রান্ডের নাম উল্লেখ করা নেই।

আর এটি বেশি ভার্সন ৩ এবং ২ দুইটাই সাপোর্ট করে।

তো চলুন এবার ফ্লাশ ড্রাইভ টি বের করে দেখি কেমন।
আপনারা হয়তো নিচের ছবি দেখে বুঝতে পারছেন মেটাল বিল্ড বডি মধ্যে তৈরি করা হয়েছে ডিভাইস যা দেখে আমি রীতিমত টাশকি খেয়ে গিয়েছি এত কম প্রাইজে মেটাল বডি।


তবে অন্যান্য ফ্লাশ ড্রাইভ এর সাথে তুলনা করলে এই ফ্লাশ ড্রাইভ টি কিছুটা হালকা মনে হয়েছে আমার কাছে তবে প্রাইজের কথা তো মাথায় রাখতে হবে।
মজার ব্যাপার হল পুরো ফ্ল্যাশ ড্রাইভ এর গায়ে কোথাও লেখার অস্তিত্ব নেই যা দেখে অস্বাভাবিক মনে হল।

যাইহোক ফ্ল্যাশ ড্রাইভ এর সাথে রয়েছে দুইটি ফ্রি অ্যাডাপ্টার দুটি দেয়া হয়েছে ফোনের সঙ্গে ব্যবহার করার জন্য ,একটি হলো ইউএসবি থেকে মাইক্রো ইউএসবি অ্যাডাপ্টার আর অন্যটি ইউএসবি থেকে type-c এডাপ্টার।

আপনারা ছবিগুলো দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন ফ্লাশ ড্রাইভ টির বিল্ড কোয়ালিটি সম্পর্কে তাই নতুন করে কিছু বললাম না এক কথায় পুরা মাখন।

তো চলুন এবার আমরা পরীক্ষা করে দেখি আসলেই ফ্লাশ ড্রাইভ টি ঠিকমত কাজ করছে কিনা। অর্থাৎ এটা আপনি কিনে ঠকবেন কি ঠকবেন না আর এটা কেনা আপনার জন্য উচিত হবে কিনা সেটাই জানাবো।

আমি একটি কম্পিউটারে ফ্লাশ ড্রাইভ টিম এটাস্ট করি সেটা আপনারা নিচে দেখতে পারছেন। ডিভাইস টি ডিটেক্ট হয়েছে ড্রাইভার ইন্সটল হওয়ার পরে।


এখন স্ক্রিনে আমরা দেখতে পারছি নতুন একটি ডিক্স যোগ হয়েছে যেটির ক্যাপাসিটি ১১৯ জিবি। এপর্যন্ত মাশাল্লাহ কোন সমস্যা পাইনি।

ফ্লাশ ড্রাইভ টি আমরা ফরমেট করার চেষ্টা করব দেখবো আসলেই মেমোরিতে কোন সমস্যা আছে কিনা, কারণ মেমোরি জাতীয় অনেক ডিভাইস ফরম্যাট করতে গেলে সমস্যা দেখা দেয়। যাইহোক ফরমেট দেয়ার পর ফলাফল ভালোই পেলাম ফরমেট হয়ে গেল একবারএই। নিচে ছবি দেয়া হলো দেখুন।

ফরমেট দেওয়ার পর এটি পুরোটাই ফাঁকা রয়েছে তাই এ টির মধ্যে কিছু ফাইল ট্রান্সফার করার চেষ্টা করি? আপনাদের দেখানো স্বার্থে ছোট একটি ফাইল ট্রান্সফার করে দেখা যাক।

অবশেষে একটি ফাইল ট্রান্সফার করলাম ফাইল ট্রান্সফারের স্পিড ছিল সর্বোচ্চ ১৫ এমবিপিএস। যা মোটামুটি ভালই বলা যায়।

সবশেষে যেটা বুঝতে পারলাম সেটা হচ্ছে এই ফ্ল্যাশ ড্রাইভ টি সাধারন ইউজারের জন্য পারফেক্ট, তবে দাম কম হাওয়াই অনেকের কাছে এটা ফেক মনে হতে পারে যেমনটা আমার কাছেও মনে হয়েছিল তবে ব্যবহার করার পরেই বুঝতে পারলাম আসলেই এটা সত্য।

তাই আপনি যদি অল্প টাকায় ভালো মানের একটি ফ্লাশ ড্রাইভ কিনতে চান তাহলে অবশ্যই সাজেস্ট করব এটি কেনার জন্য!

এই ফ্লাশ ড্রাইভ বা পেনড্রাইভ টি একটি ট্রাস্টেড অনলাইন শপে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪১০ টাকায় অর্ডার করার জন্য 01771768114 এই নাম্বারে ফোন করুন।

আশা করছি আজকের এই পোস্টটি আপনাদের ভাল লেগেছে ভাল লাগলে লাইক করবেন শেয়ার করে বন্ধুদের কাছে ছড়িয়ে দিবেন ভালো থাকুন আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply