ফোনের লোকেশন ভুলেও অন রাখবেন না যে কারনে ২০২০

স্মার্টফোনগুলোতে আমরা প্রায়ই ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে লোকেশন অন রাখি। তবে এতে যে আমরা ভয়ংকর বিপদে পড়তে পারি তা হয়ত আমাদের অজানাই। কারণ আমাদের এই ফোনের লোকেশনের ওপর প্রতিনিয়ত নজর রাখছে কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠান। যারা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে রেখে দেওয়া হচ্ছে সযত্নে এবং বিক্রি করা হচ্ছে বিশ্লেষণধর্মী তথ্যগুলো। এসব তথ্যের মধ্যে অবস্থান সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্যও আছে

স্মার্টফোনগুলোতে আমরা প্রায়ই ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে লোকেশন অন রাখি। তবে এতে যে আমরা ভয়ংকর বিপদে পড়তে পারি তা হয়ত আমাদের অজানাই। কারণ আমাদের এই ফোনের লোকেশনের ওপর প্রতিনিয়ত নজর রাখছে কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠান। যারা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে রেখে দেওয়া হচ্ছে সযত্নে এবং বিক্রি করা হচ্ছে বিশ্লেষণধর্মী তথ্যগুলো। এসব তথ্যের মধ্যে অবস্থান সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্যও আছে।

স্মার্টফোন ব্যবহারকারী লোকেশন ভিত্তিক তথ্য বেহাত থেকে বাঁচতে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।
অ্যাডভার্টাইজিং আইডি বন্ধ করা: প্রতিটি স্মার্টফোনকে চিহ্নিত করতে একটি করে অ্যাডভার্টাইজিং নম্বর বা আইডি রয়েছে। বিভিন্ন অ্যাপ এই আইডি ব্যবহার করে তাদের ডেটাবেইজে একটি করে প্রোফাইল তৈরি করে। একজন ব্যবহারকারী চাইলে এই অ্যাডভার্টাইজিং আইডি বন্ধ করতে পারে। ফলে অ্যাপগুলো ওই ডিভাইসটিকে সহজে অনুসরণ করতে পারে না। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাডভার্টাইজিং আইডি বন্ধ করতে গুগল সেটিংয়ে ‘অ্যাডস’ (Ads) অপশনে প্রবেশ করে ‘অপট আউট অব অ্যাডস পার্সোনালাইজেশন’ অন করতে হবে।

কিউবিক থেকে তথ্য মুছে ফেলা: কিউবিক নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যাপের মাধ্যমে তাদের কাছে থাকা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর তথ্য মুছে ফেলার সুবিধা দিয়ে থাকে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি অপট আউট বা ব্যবহারকারীর তথ্য অনুসরণ বন্ধ করার সুবিধা দিয়ে থাকে। এছাড়া ট্রাস্টএআরসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানও এই সুবিধা দিয়ে থাকে।
লোকেশন বন্ধ করে রাখা: যেসব অ্যাপের লোকেশন বিষয়ক তথ্যের প্রয়োজন নেই সেই সব অ্যাপকে এই পারমিশন দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। অতিপ্রয়োজন ছাড়া কোনো অ্যাপ ইন্সটল করা উচিত নয়। এ ছাড়া স্মার্টফোনের সেটিং থেকে লোকেশন বন্ধ করে রাখা যায়।

Leave a Reply