অনলাইনে প্যাসিভ ইনকাম করার জেনুইন ১০ টি উপায়! এবার আপনিও ইন্টারনেটে টাকার গাছ লাগাতে পারেন।

অনলাইনে Passive ইনকামের জন্য আজকে আমি ১০ ধরনের কাজের ধারণা দিব।
যে ধারণা গুলি নিয়ে আপনি যে কোন একটি কাজ করলে আপনার অনলাইনে বৈধভাবে টাকা আয় এর গাছ লাগানো সম্ভব হবে।

কোন একটি গাছের সঠিক পরিচর্যা করে বড় করলে একটা সময় যে রকম সেটা থেকে দীর্ঘ সময় ধরে ফল ভোগ করা যায়।
এই প্যাসিভ ইনকাম গুলো ঠিক ঐরকম অর্থাৎ আপনি শুরুর দিকে হয়তো বা যে কোন একটি বিষয়ের উপর কাজ করতে গেলে একটু বেশি শ্রম দিতে হবে।
কিন্তু সেটাকে একটা পজিশনে নিয়ে যাওয়ার পর আপনাকে সবসময় একটিভ থাকতে হবে না যখন যেরকম সামান্য একটু প্রয়োজন হলে আপনি একটু টাইম দিলেন।
কিন্তু আপনার ওইদিকে ঠিকই ইনকাম জেনারেট করতে থাকবে।

আমারটিপ্সর পক্ষ থেকে আজকের এই পোস্টে আপনাদের সাথে আছি আমি হৃদয় চলুন কাজের কথায় আসি।

১।

আর্টিকেল রাইটিং।

আপনি চাইলেই গুগলের যে ব্লগার রয়েছে সেটা অথবা ওয়াডপ্রেস বা নিজস্ব কাস্টমাইজ একটা ব্লগ বানাতে পারেন।
সেখানে গিয়ে আপনার মনের মত বিষয় যেগুলো আপনি ভালো পারেন যে বিষয়গুলো নিয়ে আপনি লেখালেখি করতে পারেন সেই গুলি নিয়ে লিখবেন।
দরকার হলে আপনি গুগল কিংবা ইউটিউব থেকে হেল্প নিতে পারবেন যে আসলে আর্টিকেল রাইটিং এর বিভিন্ন টিপস এন্ড ট্রিকস।
কিভাবে আপনার যেই ট্রপিক যেটা নিয়ে আপনি লিখতে চাচ্ছেন সেটাকে আরও সুন্দরভাবে প্রেজেন্ট করা যায়।

আপনি যদি একটু ফরমেটিং ঠিক রাখেন একটু ভালো করে যদি একটু বড় করে সাজিয়ে গুছিয়ে যদি লিখতে পারেন তাহলে আপনার এসইও গুগোল রেংক করাটা মোটামুটি ইজি হবে।
তো এই সকল বিষয় ফলো করে যদি আপনি ব্লগিং করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনি সেটাতে মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে সেটা গুগল এডসেন্স হোক বা অন্যান্য নেটওয়ার্ক হোক এগুলোর মাধ্যমে আপনি এখান থেকে রেভিনিউ জেনারেট করতে পারেন।


২।

ইউটিউব এন্ড ফেসবুক কনটেন্ট আপলোড।

আপনি যদি মোটামুটি ভালো ভাবে কোন বিষয়ের লিস্ট থাকে বা কোন বিষয় যদি ভালো ভাবে প্রেজেন্ট করতে পারেন।
কোন একটা বিষয়ের উপর যদি ভিডিও বানাতে পারেন টেকনিক্যাল হোক বা যেকোন বিষয় এভাবে যদি কিছু কনটেন্ট আপনি আপনার ফেসবুক কিংবা ইউটিউব চ্যানেলে দিতে পারেন।

এবং কিছু রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে সেগুলো ফিলাপ করার পর যদি মনিটাইজেশন চালু করতে পারেন তাহলে আপনি কিন্তু সেখান থেকে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন।
অর্থাৎ আপনাকে সব সময় এক্টিভ থাকতে হচ্ছে না কেন কনটেন্ট দিয়ে রাখবেন ওই কনটেন্টগুলো যদি মোটামুটি গ্রহণযোগ্য হয় অডিয়েন্স যদি মোটামুটি পাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে সবসময় একটিভ থাকতে হবে না।
আপনার অবর্তমানে ও রেভিনিউ জেনারেটর থাকবে।


৩।

ইন্টারনেট।

এটা যদিও প্যাসিভ ইনকাম এর সাথে সরাসরি জড়িত নয় বাট এটা থেকে আপনি প্যাসিভ ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।
ইন্টারনেট ব্রেস্ট যদি কোন প্ল্যাটফর্ম আপনি লাঞ্চ করেন সেখান থেকে কিছু পলিসি দিয়ে কিন্তু প্যাসিভ ইনকাম এর ওয়ে থাকছে।

৪।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

এই যে আমি ব্লগিং বলেছি বা আর্টিকেল রাইটিং বলেছি আবার কনটেন্ট প্রোডাকশনের বিষয়টি বলেছি এগুলোর যেকোনো একটি বা অন্য পন্থা অবলম্বন করে আপনি কিন্তু চাইলেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।

এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য আপনি যেই পন্থা অবলম্বন করেন না কেন, সেখানে কিন্তু দেখা যায় প্যাসিভ ইনকাম হতে থাকে কারণ এখানে আপনাকে সারাক্ষণ একটিভ থাকতে হচ্ছে না একবার কনটেন্ট দিয়ে রাখবেন একবার বিভিন্ন পলিসি বিভিন্ন ওয়ে রয়েছে আপনার নিজস্ব ওয়ে তে আপনি মার্কেটিং করবেন বা কাজ করবেন পরবর্তী সবসময়ই ওটা সেল হতে থাকবে।


৫।

ফটোগ্রাফি।

ভালোভাবে যদি আপনি ফটোগ্রাফি করতে পারেন বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে সেগুলোর মাধ্যমে ছবিগুলো সেল করতে পারবেন।
তো এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এটা আবার কিভাবে প্যাসিভ ইনকাম হয়। তাহলে বলি এটা কিন্তু ওয়ানটাইম সেল দিতে হচ্ছে না অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে আপনি একবার আপলোড দিয়ে রাখলেন।
মানুষ ওটা যতবার ডাউনলোড করবে যতবার কিনবে সেখান থেকে একটা পার্সেন্টেজ কিন্তু আপনি পাবেন।
চাইলে এদিকেও আপনি নজর দিতে পারেন।


৬।

ই-বুক।

আপনি কোন একটা পিডিএফ বানান যেটাতে আপনি ভালভাবে তথ্য দিয়ে আপনি এমন কিছু একটা লিখলেন বিভিন্ন প্রবলেম সলিউশন বা বিভিন্ন বিষয়ে লিখলেন।
যেটা মানুষের দরকার এগুলি দিয়ে মানুষ উপকৃত হবে আপনার কোন বাধ্যকতা নাই যে এটা প্রতিদিন আপনার এডিট করতে হবে ।
কারণ আপনি একবার সুন্দরমতো সাজাবেন তারপর নির্দিষ্ট সময় পর এটাকে আরেকটি নতুন ভার্সন আনবেন এটাকে একটু আপডেট করবেন।
আপনাকে কিন্তু অলওয়েজ কাজ করতে হচ্ছে না অর্থাৎ আপনি একবার পিডিএফটা লিখবেন পরবর্তীতে এটা আপনি সব সময় সেল দিতে থাকবেন।
তো সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলেই এই ই-বুক এর মাধ্যমে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারছেন।


৭।

মাই সার্ভিস।

আপনার নিজের কোন প্রোডাক্ট থাকলে বা কোন সার্ভিস থাকলে সেইগুলি আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আপনি সেল করতে পারেন।
প্রোডাক্ট মানে এখানে এমন হতে পারে আপনি কিছু কোড করলেন কোন একটা এপ্লিকেশন বানালেন কিংবা একটি স্ক্রিপ্ট বানালেন।
সে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে কোড ক্যানিয়ন এনভাটো মার্কেট এগুলোতে আপনি সেল করতে পারবেন।

এখানে যদি আপনি একবার ভালো করে বানাতে পারেন এবং সেটি মার্কেটপ্লেসে দিয়ে রাখলে সব সময় বিক্রি হতেই থাকবে এবং আপনার প্রফিট আপনি পেতে থাকবেন।


৮।

ব্লগ বাই।

ব্লগ কিনা হ্যাঁ আপনি একথা শুনেই ব্লক কিনবেন না আপনি অবশ্যই কোনো একটা রানিং ব্লগ কিনার আগে যাচাই করে নিবেন কোন ধরনের ব্লগ’ কিনতে হবে।
কোন ধরনের ব্লগের পিছনে আসলে ইনভেস্ট করা যাবে যাচাই-বাছাই করে ভালো করে রিসার্চ করে দেন হচ্ছে কিনতে যাবেন।

কারণ কি? আপনি যদি রানিং কোন একটা ব্লগ সাইট কিনে ফেলেন এবং সেটা থেকে আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং হোক কিংবা গুগল এডসেন্স হোক যেটা ওই ব্লগের সাথে সুইটেবল সেটা দিয়েই কিন্তু আপনি মোটামুটি মানের ইনকাম জেনারেট করতে পারেন।
এবং এটাও কিন্তু প্যাসিভ ইনকাম হবে। তাই ব্লগ কিনার আগে অবশ্যই এই বিষয়ের উপর ঘাটাঘাটি করে নেবেন। কারণ ঘাটাঘাটি না করে যদি ব্লগ কিনে ফেলেন তাহলে আপনার ওই টাকাটা বিফলে ও চলে যেতে পারে।


৯।

বিল্ড অ্যান্ড অ্যাপ অর প্লাটফর্ম।

আপনি কোন একটা অ্যাপ বানান সেটা পেইড রাখতে পারেন অথবা সেটাতে আর্নিং-এর একটা সোর্স বানাতে পারেন।
সেই অ্যাপটা হতে পারে কোন শিক্ষনীয় বা কোন একটা বিষয় ক্যালকুলেশন কিংবা প্রবলেম সলভিং রিলেটেড।
বর্তমানে ঘটছে এমন কোন একটা বিষয় যেটা মানুষের প্রয়োজন ঠিক এরকম আপনি আপনার ব্রেন খাটিয়ে কোন একটা জিনিসের উপরে অ্যাপ বানাতে পারেন।
এবং সেটা দিয়ে আপনি মোটামুটি মানের একটা রেভিনিউ পাবেন গুগল দিয়ে কিংবা পেইড রেখে তো এটাও একটা দারুণ ওয়ে ইনকাম করার জন্য।


১০।

টিউটিরিয়াল এন্ড ট্রেডিং ভিডিও।

আপনি চাইলে আপনি যে বিষয়ে ভালো পারেন এবং আপনি যদি মনে করেন যে না এই বিষয়টা চাইলে আপনি ভালো ভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।
মানুষকে খুব সহজে শেখাতে পারবেন এবং যা যা প্রয়োজন সব কিছুই শেখাতে পারবেন।
আপনি চাইলে ট্রেন্ডিং টিউটোরিয়াল ভিডিও বা বিভিন্ন ওয়ে তে অনলাইনে একটা প্যাকেজ বানাতে পারেন।
প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে হতে পারে সেটা এমন ও হতে পারে সেখানে একটা আপনি কুইজ সিস্টেম দিলেন।
বা আপনার পলিসি অনুযায়ী আপনি দিলেন সেটা থেকে আপনি আর্ন করতে পারেন।

বর্তমানে অনেক ফ্রিল্যান্সার বা ইউটিউবার কিংবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার তারা কিন্তু এই ট্রেনিং ভিডিও করিয়েই বড় একটা এমাউন্ট জেনারেট করছেন।
হয়তো এটাকে অনেকে পজেটিভলি দেখবেন আবার অনেকে নেগেটিভলি দেখবেন !আমি আসলে এটার কোন পক্ষই যাচ্ছি না।
জাস্ট আমি আপনাদেরকে তথ্য টা দিয়ে দিলাম আপনি হয়তোবা এর চেয়ে নতুন কিছু আনতে পারেন সেটা আরো হয়তোবা ইফেক্টিভ হবে।

যেটা আপনার কাছে মনে হয় যে না এটা আমি ভালো করতে পারবো আপনি সেটা নিয়েই কাজ করুন।
এতক্ষণ যে বিষয়গুলো নিয়ে শেয়ার করলাম এগুলোর ওপরে জাস্ট আমি কিছু সামারি বললাম আর কি কোন কোন উপায়ে, কিন্তু এগুলো আসলে কিভাবে কাজ করবেন বেসিক থেকে এডভান্স পর্যন্ত এই দশটি বিষয়ের মধ্যে কিছু কিছু বিষয়ে কোর্স করাবো। আমাদের ফেসবুক পেজে তাই আমাদের ফেসবুক পেজে অবশ্যই লাইক দিয়ে আসবেন।
২০ ডলার লোডেড ইমেইল মাত্র ১৪৪০ টাকা। রানিং ব্লগার লাগলেও যোগাযোগ করতে পারবে।

পোস্টটি ভাল লাগলে একটি লাইক করবেন শেয়ার করে বন্ধুদের কাছে ছড়িয়ে দিবেন আর কমেন্ট বক্সে জানাবেন আপনার মূল্যবান মতামত ! আজকের মত এ পর্যন্তই ভালো থাকুন আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply