ধারাবাহিক ভাবে গার্মেন্টসের কাজ শিখুন(টেক্সটাইল ভাইবা প্রশ্ন)

 

সুভ রাত্রি ৷ কেমন আছেন সবাই আসা করি ভালো আছেন আজকের পর্বে আপনাকে স্বাগতম ৷

আগের পর্ব

 

টেক্সটাইল ভাইবা প্রশ্নঃ 


কিছু ব্যাসিক প্রশ্ন ও উওরঃ

প্রশ্ন – ১. গার্মেন্টস শব্দের অর্থ কি?
উত্তরঃ পোশাক বা অ্যাপারেল।প্রশ্ন – ২. বাংলাদেশের প্রথম গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর নাম কি এবং কত সালে চালু হয়?
উত্তরঃ রিয়াজ গার্মেন্টস, ১৯৬০ সালে ঢাকার উর্দু রোডে।

প্রশ্ন – ৩. ক্লদিং টেকনোলোজির সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ পোশাকের সাথে সম্পর্কযুক্ত যে কোন প্রযুক্তির প্রয়োগ বা ব্যবহার এবং তদসম্পর্কিত যাবতীয় কলাকৌশলকেই ক্লদিং টেকনোলোজি বা পোশাক প্রযুক্তি বলে।

প্রশ্ন – ৪. বাংলাদেশ মোট আয়ের শতকরা কত ভাগ পোশাক রপ্তানি করে অর্জন করে?
উত্তরঃ প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ।

প্রশ্ন – ৫. গার্মেন্টস শিল্পে মহিলা শ্রমিকের সংখ্যা কত?
উত্তরঃ প্রায় শতকরা ৯০ ভাগই নারী শ্রমিক।

প্রশ্ন – ৬. বিশ্ব বাজারে এবং বাংলাদেশে গার্মেন্টস ক্যাটাগরির সংখ্যা কত?
উত্তরঃ বিশ্ব বাজারে মোট ১২৫ টি এবং বাংলাদেশ আমেরিকায় ২০ টি ক্যাটাগরি পোশাক সরবরাহ করে।

প্রশ্ন – ৭. গার্মেন্টস উৎপাদন প্রণালীর বিভিন্ন ধাপ বা সেকশনের নাম লিখ।
উত্তরঃ কাটিং সেকশন, সুইং সেকশন, ফিনিশিং সেকশন ইত্যাদি।

প্রশ্ন – ৮. কাটিং সেকশনের কাজ কি?
উত্তরঃ প্যাটার্ন অনুযায়ী কাপড় কাটাই হল কাটিং সেকশনের কাজ।

প্রশ্ন – ৯. সুইং সেকশনের কাজ কি?
উত্তরঃ কাটিং সেকশন থেকে খিন্ডিত কাপড়কে সেলাই মেশিনের সাহায্যে সেলাই করাই হল সুইং সেকশনের কাজ।প্রশ্ন – ১০. ফিনিশিং সেকশনের কাজ কি?
উত্তরঃ সুইং সেকশন হতে সংগৃহীত কাপড়কে বায়ারের অর্ডার অনুযায়ী ফিনিশিং ম্যাটারিয়ালস প্রয়োগ, আয়রনিং, ফোল্ডিং, প্যাকিং এবং কার্টুন করে রপ্তানিযোগ্য করাই হল ফিনিশিং সেকশনের কাজ।

প্রশ্ন – ১১. যান্ত্রিক সেলাই মেশিন কে আবিষ্কার করেন?
উত্তরঃ চার্লস ফ্রেডরিক ১৭৫৫ সালে যান্ত্রিক সেলাই মেশিন আবিষ্কার করেন।

প্রশ্ন – ১২. টেইলরিং প্রণালির সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য তার শরীরের মাপ নিয়ে হ্যান্ড কাচি দ্বারা কাপড় কেটে সেলাই মেশিন দ্বারা সেলাই করে পোশাক তৈরি করাকে টেইলরিং বলা হয়।

প্রশ্ন – ১৩. ইন্ডাস্টিয়াল পদ্ধতির পোশাক তৈরি বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ পুরুষ, মহিলা, বালক বা বালিকার দেহের আদর্শ মাপ নিয়ে একটি নির্দিষ্ট ডিজাইনের এবং বিভিন্ন সাইজের হাজার হাজার পিস গার্মেন্টস তৈরি করাকে ইন্ডাস্টিয়াল পদ্ধতির পোশাক তৈরি করা বলে।

প্রশ্ন – ১৪. ইন্ডাস্টিয়াল পদ্ধতিতে একটি পোশাক তৈরি করতে কত সময় লাগে?
উত্তরঃ প্রায় ১ মিনিট থেকে ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।

প্রশ্ন – ১৫. ডেনিম কোন শ্রেণীর কাপড়?
উত্তরঃ সাধারণত ২/১ বা ৩/১ ওয়ার্প ফেসড টুইল কাপড়।

প্রশ্ন – ১৬. গেবার্ডিন কোন শ্রেনীর কাপড়?
উত্তরঃ এটি ২/২ ওয়ার্প ফেসড টুইল কাপড়।

প্রশ্ন – ১৭. গার্মেন্টস ক্লথ কাকে বলে?
উত্তরঃ পোশাক তৈরির জন্য যে নির্দিষ্ট গুনাগুনের কাপড় ব্যবহৃত হয় তাকে গার্মেন্টস ক্লথ বলে।

প্রশ্ন – ১৮. জিন্স কাপড় বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ এটি সাধারণত ওয়ার্প ফেসড টুইল কাপড় যা কার্ডেড কটন সুতা দ্বারা তৈরি।

প্রশ্ন – ১৯. লেবেলে কি কি তথ্য দেওয়া থাকে?
উত্তরঃ পোশাকের সাইজ, আঁশের ধরন, পরিচর্যা বিষয়ক, কোন দেশের তৈরি এবং কোন কোম্পানির তৈরি।

প্রশ্ন – ২০. প্রধান লেবেলে কি লেখা থাকে?
উত্তরঃ কোম্পানির নাম ও দেশের নাম।

প্রশ্ন – ২১. সাব লেবেলগুলোর নাম লিখ।
উত্তরঃ সাইজ লেবেল, ফেয়ার লেবেল, মুল্য লেবেল, কম্পোজিশন লেবেল।

প্রশ্ন – ২২. আগুন প্রতিরোধক পোশাকে ব্যবহারের জন্য কি ধরনের সুতা ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ অ্যারামাইড থ্রেড।

প্রশ্ন – ২৩. ট্রিমিংস শব্দের অর্থ কি?
উত্তরঃ ট্রিমিংস শব্দের অর্থ উপকরণ। যেমন – জিপার, লেবেল, সুতা, বোতাম, লাইনিং ইন্টারলাইনিং ইত্যাদি।

প্রশ্ন – ২৪. লেবেলের সংজ্ঞা দাও।
পোশাকের সাথে লাগানো উপাদান, যাতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য (পোশাকের সাইজ, আঁশের ধরন, পরিচর্যা বিষয়ক, কোন দেশের তৈরি এবং কোন কোম্পানির তৈরি ইত্যাদি) সংযুক্ত থাকে, তাকে লেবেল বলে।

প্রশ্ন – ২৫. মোটিফ কাকে বলে?
উত্তরঃ পোশাকের সৌন্দর্য ব্রিদ্ধির উদ্দেশ্যে পোশাকের বাইরের দিকে যে অতিরিক্ত বিশেষ অংশ লাগানো থাকে, তাকে মোটিফ বলে।

প্রশ্ন – ২৬. মনোফিলামেন্ট সুতা কাকে বলে?
উত্তরঃ একটিমাত্র ফিলামেন্ট দ্বারা গঠিত সুতাকে মনোফিলামেন্ট সুতা বলে।

প্রশ্ন – ২৭. প্যাটার্ন এর সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ একটি পোশাকের প্রত্যেকটি অংশের অবিকল প্রতিরূপ শক্ত সমতল কাগজের বোর্ডে নির্ডিষ্ট মাপে নকশা তৈরি করাকে প্যাটার্ন বলে।

প্রশ্ন – ২৮. প্যাটার্ন প্রধানত কত প্রকার?
উত্তরঃ দুই প্রকার। যথাঃ ক. স্যাম্পল প্যাটার্ন, খ. প্রোডাকশন প্যাটার্ন।

প্রশ্ন – ২৯. স্যাম্পল প্যাটার্ন কাকে বলে?
উত্তরঃ যে প্যাটার্ন অনুযায়ী স্যাম্পল বা নমুনা কাটা হয়, তাকে স্যাম্পল প্যাটার্ন বলে।

প্রশ্ন – ৩০. প্রোডাকশন প্যাটার্ন কাকে বলে?
উত্তরঃ যে প্যাটার্ন অনুযায়ী গার্মেন্টস শিল্পে শত শত পিস পোশাক তৈরি করা হয়, তাকে প্রোডাকশন প্যাটার্ন বলে।প্রশ্ন – ৩১. পোশাক শিল্পে কতভাবে প্যাটার্ন তৈরি করা হয়?
উত্তরঃ দুইভাবে। যথাঃ ক. ব্লক প্যাটার্ন, খ. গার্মেন্টস প্যাটার্ন।

প্রশ্ন – ৩২. ব্লক প্যাটার্ন বা বেসিক প্যাটার্ন কাকে বলে?
উত্তরঃ ব্লক প্যাটার্ন বা বেসিক প্যাটার্ন বলতে মূল প্যাটার্নকে বুঝায়, যা একটি নির্দিষ্ট শারীরিক গঠনের সাথে মানানসই।

 

পোস্টি ভালো লাগলে আমারটিপ্সর সাথে থাকুন ৷

অপেক্ষা করুন পরবর্তী পোস্টের জন্য

কস্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ ৷

Leave a Reply