সর্বকালের সেরা ৫টি হলিউড হ্যাকিং সিনেমা | দেখতে বসলে ওঠার উপায় নেই।

আসসালামু আলাইকুম কি অবস্থা সবার?
সাইবারক্রাইম বর্তমান সময়ের এক অতি পরিচিত শব্দ এই সাইবার ক্রাইম ই আবার বিভিন্ন দিক রয়েছে তার মাঝে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হল হ্যাকিং , হ্যাকিং এর সাহায্যে কিনা করা যায়।

আধুনিক ব্যাংক ডাকাতি থেকে শুরু করে সরকারি নথিপত্র ফাস বা কোন দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার লন্ডভন্ড করে দেওয়া সবই সম্ভব এই হ্যাকিং এর সাহায্যে।
হ্যাকিং এর উপর ভিত্তি করে তৈরি এমনই কিছু দুর্দান্ত সিনেমা নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন টপ ফাইভ হ্যাকিং বেস্ট সিনেমা।


https://www.bitchute.com/video/p8oGaXnfNRfF/
১। দা নেট।
গল্পটা শুরু হয় এক ইয়াং কম্পিউটার প্রোগ্রামার কে নিয়ে যে একদিন গভর্মেন্টের এমন এক ফাইল দেখে ফেলে বা পড়ে ফেলে যা তার পড়া উচিত ছিল না।
তো এরপর গভমেন্ট তার পিছে পড়ে যায় এবং তার সকল আইডেন্টিটি মুছে দেয়া হয় তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট তার ব্যাংক একাউন্ট তার যাবতীয় আইডেন্টিটি ধ্বংস করে দেয়া হয়।

তাকে কেউ চিনতে পারে না সবকিছু পুরোপুরি ভাবে ইনভ্যালিড করে দেওয়া হয় তো কিভাবে সে গভারমেন্ট এর হাত থেকে ছাড়া পায় এবং এর সাথে হ্যাকিংয়ের কি ধরনের সম্পর্ক রয়েছে তা দেখতে পাবেন এই মুভিতে।
এবং সাথে সাথে এটাও দেখতে পাবেন কিভাবে সারাক্ষণ গভর্মেন্ট আপনার ওপর নজর রাখছে।

২। হ্যাকার।
২০১৬ সালের ক্রাইম ড্রামা থ্রিলার মুভি মুভির কাহিনীটি একজন ইউক্রেনিয়ান হ্যাকার কে নিয়ে যে একটি ক্রিমিনাল অরগানাইজেশনে জয়েন করে যারা অনলাইনে বিভিন্ন রকম হ্যাকিং অ্যাডাক্স করে থাকে।

তো এরা একটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে বা ব্যাংকিং সিস্টেমে বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম সাইবার অ্যাটাক করতে থাকে কিন্তু তারা এই ব্যাংকের বিরুদ্ধে কেন এরকম করে তা জানতে হলে দেখতে হবে মুভিটি।

এই মুভির লিস্ট কাস্ট এ ছিল, নারায়ন ,নিকলসন ,ড্যানিয়েলের গোল্ড ,এবং আরো অনেকে।
মুভির আইএমডিবি রেটিং ছিল ৬.২ আর গুগোল লাইক নাইন্টি পার্সেন্ট।

৩। দা ইতালিয়ান জব।
২০০৩ সালের ক্রাইম থ্রিলার একশন মুভি গল্পটি এমন একজন লোকের গল্প যে সোনাদানা ভর্তি একটি লকার কে লুটপাট করার জন্য তার বন্ধুদের সাথে এক হয়ে লকার টি হ্যাক করে ডাকাতি করে।

কিন্তু ডাকাতি করার পর তার বাকি বন্ধুরা তাকে ধোকা দিয়ে লকার টি নিয়ে যায় এরপর সে তার বন্ধুদের সাথে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কি কি করে তাই দেখানো হয়েছে এই মুভিতে।


https://www.dailymotion.com/video/x5v4udw
৪। Sneakers
১৯৯২ এর কমেডি ক্রাইম ড্রামা মুভি এই মুভির গল্প শুরু হয় একজন হ্যাকার কে নিয়ে যে একটি সিকিউরিটি গ্রুপের হেড থাকে তো সে এবং তার গ্রুপের অন্য রা মিলে সানফ্রান্সিসকোর অনেকগুলো কোম্পানির সিকিউরিটি টেস্ট করে এবং দেখে সেই কোম্পানিগুলো কতটুকু সিকিওর।

তো একদিন এনএসএর একজন এজেন্ট তাদের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং বলে একটি এমন মেশিন একটি এমন টেকনোলজি ইভেন্ট করা হয়েছে যাতে যতই এনক্রিপটেড ডাটা হোক না কেন যতই এনক্রিপটেড ফাইল হোক না কেন তা আপনারা খুব সহজেই একসেপ্ট করতে পারবেন।

এবং সেই জিনিসটা যাতে অন্য কারও হাতে না পড়ে সেজন্য আমরা চাই সেটা আপনারা যে কোন পরিস্থিতিতে উদ্ধার করুন তো এরপর তারা সেই মেশিন টি উদ্ধার করতে চায় কিন্তু কোনো একভাবে এই মেশিনটি যে তৈরি করেছিল সে খুন হয়ে যায়।

এবং সে খুন হওয়ার সমস্ত দায় গিয়ে পড়ে সেই গ্রুপের লোকদের ওপর তো এরা কিভাবে এই ঘটনা থেকে মুক্ত হয় তা জানতে হলে দেখুন ফেলুন মুভিটি।

৫। the girl with the dragon tattoo
২০১১ সালের ডার্ক থ্রিলার সিনেমা সাংবাদিক মিকাইল একজন যুবক কম্পিউটার হ্যাকার, ৪০ বছর ধরে নিখোঁজ হওয়া এক মহিলার রহস্য সন্ধানে সহায়তা করছেন যার সাথে লুকিয়ে আছে গোপন কিছু তথ্য।

সিনেমাটি প্রচন্ড ডার্ক পুরো সিনেমা জুড়ে এক রহস্যের আমেস থাকবে যা আপনাকে শেষ পর্যন্ত মাতিয়ে রাখবে তবে কিছু মেন্টালি ডিস্টার্বিং সিন রয়েছে যা দেখতে হলে আপনাকে শক্ত মানসিকতার হতে হবে।

টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলোকে দারুণভাবে হ্যান্ডেল করা হয়েছে মুভি লিস্ট কাস্টিংয়ে ছিলেন ড্যানিয়েল ক্রেইগ রনি মারা এবং আরো অনেকে তাদের ডেডিকেশন ছিল দেখার মত।

মুভিটি অস্কার আওয়ার্ড পায়, বেস্ট ফিল্ম এডিটিং এর জন্য শেষ পর্যন্ত বলতে পারি এই সিনেমাটি আপনি একবার শুরু করলে শেষ না করে উঠতেই চাইবেন না।

শেষ করছি আমাদের আজকের আয়োজন পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক করুন কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে বন্ধুদের মধ্যে ছড়িয়ে দিন।

আমার অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন। এবং ।জয়েন করুন আমার ফেসবুক গ্রুপে
গ্রুপে অবশ্যই জয়েন করুন সবার কাছে অনুরোধ রইলো।

অনেকে আমার ফেসবুক আইডির লিংক চাচ্ছিলেন তো তাদের কথা চিন্তা করে নতুন একটি ফেসবুক একাউন্ট খুলেছি। Facebook.Com/Anamika 016
আজকের মত এ পর্যন্তই ভালো থাকুন আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply