যে কারণগুলোর জন্য মোবাইল কম্পিউটার কিংবা ডিএসএলআর ক্যামেরায় বটলনেক প্রবলেম হয় | কি এই বটলনেক, সমাধান কিভাবে? 🤔

আসসালামু আলাইকুম,
স্বাগত জানাচ্ছি অনামিকা চৌধুরীর আরও একটি নতুন পোস্টের সবাইকে,
কেমন আছেন সবাই চটপট লিখে ফেলুন কমেন্ট বক্সে।

আমাদের লাইফে একবার হলেও এই প্রবলেমটা তো কম-বেশী আমরা সবাই পড়েছি সেটা হলো যে আমরা অনেক চিন্তাভাবনা করে অনেক গবেষণা করে একটা মোবাইল কিনলাম অথবা একটা কম্পিউটার কিনলাম বা একটা ক্যামেরা কিনলাম কিন্তু বাসায় আনার পর দেখা গেল যে আমরা যেরকম ভেবেছিলাম বা যে স্পেসিফিকেশন দেখে বা কনফিগারেশন থেকে কিনেছি সে রকম পারফর্ম করতেছে না।

বরং এরকম ও মনে হচ্ছে যে আগের যে মোবাইলটি অথবা কম্পিউটার টি রয়েছে সেটা বরং এই নতুন টার থেকে ভালো পারফর্ম করতে ছিল এটা মূলত আসলে কারণ কি?🤔
এটার মেইন কারণ হলো আপনার আপনার ওই ডিভাইসটিতে হল বটলনেক রয়েছে।
সো আজকের আমার এই পোস্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আপনার একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখবেন কারণ আমি কিভাবে ক্যামেরা মোবাইল অথবা কম্পিউটার এর বটলনেক এর কারণে কনফিগারেশন ভালো হওয়া সত্ত্বেও খারাপ পারফরম্যান্স করে ডিভাইসগুলো সেই বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। চলুন তাহলে শুরু করি।

১. বটলনেক এর মানে কি?
এর সোজা বাংলা মিনিং হলো বোতলের গলা কিন্তু এটার ইন্ডাস্ট্রিয়াল মিনিং হলো বাধা অর্থাৎ আপনি কোন কাজ করতে যেয়ে কোনো বাধার সম্মুখীন হয়ে যদি আপনার কাজের স্পিড অথবা পারফরম্যান্স কমে যায়।
তখন সেটাকে বলা হয় বটলনেক ধরণ আমি একটা উদাহরণ দেই ধরুন আপনি ঢাকা থেকে অন্য কোন সিটি বা এক সিটি থেকে যখন আমরা অন্য সিটিতে যাই তখন কি হয় যে হাইওয়েতে একটা টাইম দুইটা তিনটা গাড়ি চলে।
স্পেশালি দুইটা গাড়ি তো আমাদের একসঙ্গে চলেই তো দেখা যায় গাড়িগুলো ৭০কিলোমিটার বা ৮০ কিলোমিটার কিংবা ১০ কিলোমিটার ফুল স্পিডে চলে।
কিন্তু যখন ব্রিজ আসে ব্রিজে কিন্তু একসঙ্গে দুইটাকারি উঠতে পারে এরকম ব্রিজ খুব কমই আছে বেশিরভাগ ব্রিজ এ কিন্তু একটা গাড়ি পাঁচ হতে দেখা যায়।

তখন কি হয় এই যে দুইটা গাড়ি ১০০ কিলোমিটার গতিতে যাচ্ছে কিন্তু সেই ব্রিজের কাছে গিয়ে কিন্তু একটা গাড়িতে স্লো করতে হচ্ছে বা দুইটা গাড়িকেই স্লো করে একজন যাচ্ছে আর অন্যজন একটু পরে যাচ্ছে।
তো এতে কি হচ্ছে আপনার যে স্পিড টা সেটা কমে যাচ্ছে পারফরম্যান্সে ও ফল ডাউন করতেছে, এটাকেই বলা হয় বটলনেক অর্থাৎ আপনি ধরেন ঢাকা থেকে চিটাগাং যাচ্ছেন আপনার হয়তো সর্বোচ্চ ৫ ঘন্টা লাগত কিন্তু এই ব্রিজের এসব জায়গায় যেয়ে আপনার গাড়ির গতি কমানোর কারণে আপনার হয়তো যাইতে আরো দুই ঘন্টা বেশি লাগতেছে।
সো এই ব্রিজটা কিন্তু আপনার জার্নির জন্য বটলনেক যেটার কারনে আপনার জার্নি টাইম টা একটু বেড়ে যাচ্ছে।

আরেকটা এক্সাম্পল দেই ধরুন একটা বোতলে পানি আছে আপনি যখন বোতলটাকে উপর করবেন বোতলের নিচের অংশে যে চিকন অংশটা থাকে বা গলা অংশটা আপনি দেখবেন উপর থেকে পানি টা খুব দ্রুত পড়ে যাচ্ছে কিন্তু যেই পানিতে গলার অংশে আসছে তখন আস্তে আস্তে পড়ছে।
কারণ গলার অংশটা শুরু হওয়ার কারণে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে এবং আস্তে আস্তে পানি পড়ছে এবং এই শরুর অংশটা কে আমরা বটলনেক বলি যেটার কারণে পানির যেই স্পিড রয়েছে সেটা কমে যাচ্ছে অর্থাৎ পারফরম্যান্স ফল ডাউন করছে। আর এটাই হল মূলত বটলনেক।

তো কম্পিউটারে কিভাবে বড়লেখায় সে বিষয়ে কথা বলার আগে আমি একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি, আপনারা প্রায়ই আমাকে ফেসবুকে বিভিন্ন প্রশ্ন করে থাকেন।
এবং আমি সেই প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি কিন্তু আপাতত আপনাদের কাছে একটা রিকোয়েস্ট থাকবে। এখন থেকে আপনারা আমারটিপ্সর কমেন্ট সেকশনে কমেন্ট করবেন।
কারণ আমি ইনশাল্লাহ আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতি সাপ্তাহিক কোন এক পোস্টের মধ্যে কোশ্চেনের অ্যানসার দিয়ে দিব।

তাই আপনাদের যত প্রশ্ন রয়েছে সবই করুন তো আমরা কিভাবে প্রশ্নগুলো সিলেকশন করব সেটা হলো যে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিলে শুধু আপনি নয় আরো অনেক মানুষের উপকার হবে সেই প্রশ্ন গুলো কে আমরা সাধারণত সিলেক্ট করব।
আপনাদের যত ইনফরমেশন জানার মত প্রশ্ন রয়েছে সেটা আপনার নির্দ্বিধায় কমেন্ট বক্সে করতে পারেন, আর হ্যাঁ অবশ্যই সেটা আমারটিপ্সর কমেন্ট বক্স সেকশনে করতে হবে।
কারণ এই আমারটিপ্সর কমেন্ট বক্স থেকেই মূলত আমি প্রশ্ন গুলো সিলেক্ট করব।


তো চলুন এখন আমরা ফিরে যাই আমাদের মেইন প্রসঙ্গে সেটা হল কম্পিউটারের বটলনেক কিভাবে হয়?
কম্পিউটারের বটলনেক টা হল সবথেকে কমন।

১. রিজেন হলো আমরা অনেকেই যারা গেম খেলে থাকি আমরা দেখা যায় একটা নরমাল কম্পিউটারে একটা ভালো মানের গ্রাফিক্স কার্ড নিয়ে নিই।
এতে যেটা হয় আমাদের সিপিইউ টা থাকে উইক সি পি ইউ উইক থাকার কারণে গ্রাফিক্স কার্ড কে সে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাপোর্ট দিতে পারেনা এতে করে যেটা হয় গ্রাফিক্স কার্ড পাই হয়তো ১০-২০% সিপিইউ থেকে।
তাই সেই অনুযায়ী আপনাকে দেখাবে এটাই স্বাভাবিক?

তো ব্যাপারটা এমন হয়ে গেল যে এখানে হলো গিয়ে সিপিইউ বটলনেক এই সি পি ইউ উইক থাকার কারণে আপনি আলটিমেটলি গ্রাফিক্স কার্ডের যে পারফরম্যান্স থাকার কথা সেটা হতে পারে একশোর মধ্যে হয়তো ২০-৩০ পার্সেন্ট আপনি পাচ্ছেন।
তাই আপনি যদি গ্রাফিক্স কার্ড কেনেন আপনার অবশ্যই আপনার সিপিইউ এর সাথে তাল মিলিয়ে নিতে হবে।

২. আরেকটা জিনিস আমরা কমন ভুল করে থাকি সেটা হলো আমরা মোটামুটি একটা ভালো কম্পিউটার নিয়ে থাকি কিন্তু নেয়ার পরে একটি কমদামি হার্ডডিক্স নিয়ে নিই।

তো কম দামি হার্ডডিক্স নিলে কি হয়, সিপিইউ বলেন র্যাম বলেন বা গ্রাফিক্স কার্ড বলেন এরা যখন যে সব ইনফরমেশন গুলো খুবই ফাস্ট প্রয়োজন স্পেশালি সিপিইউ এর তখন কিন্তু হার্ডডিক্স দিতে ঢিলে করে তো ঢিলে কিংবা স্লো করলে কি হয়?

তখন আর সি পি ইউ ওই ভাবে পারফর্ম করতে পারে না তখন আমাদের কাছে মনে হয় , মনে হয় সিপিইউ উইক ঠিক আছে এটা আমরা একটা কমন মিসটেক করি যে আমরা একটা নরমাল হার্ডডিক্স লাগিয়ে ফেলি।
যাতে পুরা কমপিউটারের পারফরমেন্স ফল ডাউন হতে থাকে ইভেন আমি অনেক সময় এসএসডি আমরা না বুঝে নিয়ে নেই কোন এসএসডি কেমন পারফর্ম করে আমরা বুঝিনা।

জাস্ট চোখ বন্ধ করে যে কোন ব্রান্ডের একটা এসএসডি আমরা নিয়ে থাকি, কিন্তু আপনারা হয়তো জানেন না মার্কেটে সবচাইতে বেশি দুই নাম্বার মেমোরি কার্ডের ওপর বিক্রি হয় হলো এসএসডি হার্ডডিস্ক।
তাই অবশ্যই এসএসডি বা হার্ডডিক্স জেটা নিন না কেন সেটা একটু স্টাডি করে নিবেন যে কোনটা রাইট কোনটা রং কারণ প্রচুর পরিমাণ মার্কেটে ফেক এসএসডি হার্ডডিস্ক মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে তাই এই ব্যপারগুলো সাবধানে থাকবেন।

৩. আরও একটা কমন মিসটেক করি বা এই জিনিসগুলো নিয়ে আমরা তো অনেকে খেয়ালই করি না, সেটা হল কম্পিউটারের কুলিং সিস্টেম।

কম্পিউটারের কুলিং সিস্টেম নিয়ে কেন জানি আমরা তেমন একটা চিন্তা করি না, কি আবার অনেক বেশি কুলিং নিয়ে থাকে কেউ আবার অনেক কম।

তবে বেশি কুলিং নেয়ায় সবথেকে উত্তম কারণ কোন কুলিং নিলে যেটা হবে আপনার কম্পিউটার দেখবেন মাঝেমধ্যে হ্যাং হয়ে যেতে পারে।
কারন সে যখন অতিরিক্ত হিট হয়ে যাবে সে ক্ষেত্রে তখন কিন্তু তার কিছু করার থাকে না সে হ্যাং হতে বাধ্য।
আবার পাশাপাশি আপনি যখন গেম খেলতে যাবেন তখন আপনার পারফরম্যান্স ড্রপ করবে আবার এফপিএস ড্রপ করবে।

আর এফপিএস ড্রপ করার আরেকটি কারণ হলো যদি আপনার পাওয়ার সাপ্লাই টা উইক থাকে, কারণ এই পাওয়ার সাপ্লাই উইক থাকলে সবচেয়ে বেশি প্রবলেম করে দেখবেন মাঝেমধ্যে আপনার কম্পিউটার হঠাৎ করে রিস্টার্ট নিয়ে নিবে।
কারন সে প্রপারলি পাওয়ার পাচ্ছে না দেন গেমিং এ বিভিন্ন প্রবলেম ফেস করবেন গ্রাফিক্স কার্ডে প্রবলেম হবে শুধু তাই নয় পাওয়ার সাপ্লাই যদি আপনার কম থাকে পুরা কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রবলেম হবে।

সো এই জিনিসগুলো বলে আপনাদেরকে আমি কি বোঝাতে চাচ্ছি যে আপনারা সব সময় সবকিছু ব্যালেন্স নিতে হবে একটা কম্পিউটার যদি আপনি কিনে থাকেন।
কোন একটা পার্টস যদি আপনার দুর্বল থাকে তাহলে পুরা কম্পিউটারকেই সে বটলনেক করে দিতে পারে। মানে একদম স্লো করে দিতে পারে কারণ সবার জন্যই সে একটা বাধা হয়ে যাবে যদি আপনার পার্টস উইক হয়।

তাই সব সময় চেষ্টা করবেন যতটুক সম্ভব পারফর্ম নেয়ার জন্য কারণ হান্ডেট পার্সেন্ট ম্যাচ করে আপনি কখনোই নিতে পারবেন না ক্লক স্পিড বলেন এমবিপিএস স্পিড বলেন এটাতো ম্যাচ হবে না বাট কাছাকাছি মিলিয়ে মিলিয়ে যদি আপনি নেন তাহলে ওভারঅল একটা বেস্ট পারফরমেন্স পাবেন।

আরেকটা বিষয় হলো মনিটর নিয়ে, তো সেটা নিয়ে আমি ডিপে যাব না,
যে আমরা অনেক সময় বুঝিনা যে অনেক কিছু ভাল কিন্তু একটা নরমাল মনিটরে আমরা ঠিক সেই পরিমাণ পারফরম্যান্স কিন্তু পাবনা, এই জিনিসটা আমরা অনেকে হয়তো বুঝিনা তো আমি এটা হয়তো আপনাকে শটে বোঝাতে পারবো না।
তাই শুধু এটুকু বলি একটা মনিটরের কারণেও কিন্তু অনেক সময় একটা কম্পিউটার বটলনেক হয়ে যেতে পারে বা হয়ে থাকে।
তাই সবাই সব সময় চেষ্টা করবেন একটা ব্যালেন্স পিসি কেনার জন্য।


তো এখন চলুন জেনে নিই একটা মোবাইল কিভাবে বটলনেক হতে পারে।

মোবাইলে মূলত বটলনেক হওয়ার সবচাইতে বড় যে মিসটেক টা আমরা করে থাকি রাইট নাউ মার্কেটে আমরা জাস্ট চোখ বন্ধ করেই যদি একটা ভালো প্রসেসর পাই তাহলে মোবাইলটা কিনে ফেলি।
আসলে সত্য কথা বলতে কি প্রসেসর অবশ্যই ইম্পর্টেন্ট টপ থ্রির মধ্যে নাম্বার টু তেই কিন্তু প্রসেসর এর স্থান।

তবে অবশ্যই শুধুমাত্র প্রসেসর দিয়েই কিন্তু আপনি চলতে পারবেন না,
আপনি যদি গেমস ভালো খেলতে চান প্রসেসর এর পরপরই সবচাইতে ইম্পর্টেন্ট জিনিস হলো গ্রাফিক্স কার্ড তারপর রেম কি টাইপের রয়েছে।
অবশ্যই সেটা স্পিড র্যাম হতে হবে তারপর হলো স্তরেজ টাইপ এই চার টা জিনিস একসঙ্গে হয়ে একটা গেমের পারফরমেন্সের উপর ডিপেন্ড করে,
আপনি একটু খেয়াল করলেই দেখবেন অনেক নামি দামি ফোন কিনছেন অনেক ভালো কনফিগারেশনের মোবাইল বলবো কিন্তু কেন জানি আপনি গেম খেলে মজা পাচ্ছেন না।
কারণ তার ভেতরে কিছু না কিছু কাজ আছে যেটা যেরকম দেওয়া উচিত ছিল তার থেকে কম পাওয়ারের দিয়েছে।

অর্থাৎ অন্যান্য পার্সের সঙ্গে তার কোনো ম্যাচ হচ্ছে না পারফরম্যান্সে তখন তার জন্য বাকি সবাই বা সব পার্টস ওভার অল পারফর্ম করতে পারছে না।
তো এই জিনিসগুলো আপনার অবশ্যই কেয়ারফুল থাকবেন।

মোবাইলের কিছু কমন বটলনেক হয় যেমন ধরেন আপনি একটা দামী মোবাইল নিয়েছেন আপনি ইউটিউব দেখছেন অথবা কোন ভিডিও দেখছেন।
দেখবেন যে মোবাইলটা একটু একটু লেগ করতেছে এটার বা এই ব্যাপারটা কিন্তু আপনার কাছে খুবই কষ্টসাধ্য লাগবে কারণ আপনি দাম দিয়ে মোবাইল নিয়েছেন এবং প্রিমিয়াম মোবাইলেও এটা হতে পারে।
এটার মেইন কারণ হলো আপনার বাসায় যে ওয়াইফাই মডেম টা ইউজ করেন সেটা বটলনেক অর্থাৎ সেটা অনেক উইক মানে high-performance মোবাইলের জন্য সেটা উপযুক্ত নয়।

]আমরা অনেক সময় ভাবি ইন্টারনেট একটা রিজন স্পিড সেটা একটা রিজন।
কিন্তু টু মাচ বটলনেক করলে আই মিন টু মাচ লেগিং করলে এটার রিজন হতে পারে ওয়াইফাই মডেম টা অনেক উইক আপনার মোবাইলের সাথে কম্পেয়ার করলে।

আরেকটা জিনিস সেটা হলো আপনার ফোনের নেটওয়ার্ক আইসি উইক থাকলেও অনেক সময় এই ধরনের প্রবলেমটা হয়ে থাকে, মোবাইলে আর একটা কমন প্রবলেম আছে সেটা হল রেম নিয়ে রেম দেখা গেল আপনার অনেক ভালো ৬ জিবি কিংবা ৮ জিবি আছে।
কিন্তু রেম টা আপনার এলপিডি ডিয়ার ৪ এর নিচে তখন যে জিনিসটা হবে আপনি যখন বেশ কয়েকটা অ্যাপ ওপেন করবেন বা ইন্সটল করবেন।
ধরেন ফর এক্সাম্পল আপনি ফেসবুক এবং ইউটিউব দুইটা সফটওয়্যার একসঙ্গে ওপেন করছেন, কিন্তু আপনি ইউটিউব থেকে ফেসবুকে যাচ্ছেন।
মানে যখন ফেসবুক বন্ধ করে ইউটিউবে যাবেন তখন দেখবেন আপনার ফোনটি একটু স্লো কাজ করছে। এটা শুধু যে কম দামি ফনে হয় তা কিন্তু নয় অনেক দামি মোবাইলেও এটা হয়ে থাকে।

এটার বিশেষ কারণ হলো আপনার যে র্যাম টা ইউজ করেছেন সেই রেমের টাইপ টা হল যেটা বর্তমানে প্রয়োজন সেটা সঙ্গে মেছ না করলে অর্থাৎ লো গ্রেট।
মূলত এই কারণেই সে অ্যাপস সুইচিং এ বাধা দিচ্ছে তো এই নামটা হল বর্তমান যুগে মেন রিজন বিশেষ করে মোবাইলের ওভারঅল পারফরম্যান্সের জন্য।

আরেকটি ইম্পোর্টেন্ট জিনিস হল স্টরেস টাইপ ইউ এফ এস টু এর নিচে যতগুলো মোবাইল রয়েছে সবগুলো মোবাইল আপনি যত দাম দিয়ে কিনেন না কেন আপনি গেম খেলে মজা পাবেন না। মানে আপনি খুব ডিপ লেভেলে গেম খেলতে পারবেন না।
আরেকটি প্রবলেম হলো আপনি ছবি তুলবেন অনেক ভালমানের ছবিও আপনার ফোনে ঘোলা ঘোলা দেখা যাবে কারণ ইমেজ প্রসেসিং পাওয়ার অনেক কমে যায় যদি স্টোরেজঃ টাইপটা ব্যাকডেটেট হয়।
ধরুন আপনি কোন কিছু সেভ করতে চাচ্ছেন সেক্ষেত্রেও কিন্তু অনেক টাইম কনজিউম করে থাকে। তাই এই জিনিসগুলো আপনারা খেয়াল রাখবেন তাহলে এ ধরনের প্রবলেম ফেস করতে হবে না।

আরো একটি টেকনিক্যাল জিনিস রয়েছে যে জিনিসটি সাধারণত আমরা কেউ খেয়াল করি না,
সেটা হল অবশ্যই ফোনের ব্যাটারি আপনার ফোনে যদি ব্যাটারি উইক থাকে আপনি গেম খেলার সময় এফপিএস ড্রপ হবে নিশ্চিত,
এটা অনেকে আমরা জানি না আর বোঝা তো অনেক পরের বিষয় সেটার কারণ ব্যাটারির মাধ্যমে কিন্তু মোবাইলের ইলেকট্রিসিটি টা পাস করে থাকে আর ইলেকট্রিসিটি যদি ড্রপ করে সেক্ষেত্রে আপনার মোবাইলে গেম ড্রপ করবে এফপিএস ড্রপ করবে দেখবেন হঠাৎ গেম থেকে বের হয়ে যাচ্ছে।

হঠাৎ গেম থেকে বের হয়ে যাওয়া প্রথম কারণ হলো ব্যাটারীতে প্রবলেম থাকলে, সিপিইউ এর ইসু থেকেও হয় তবে সেটা অন্য মূলত ব্যাটারি থেকেই এ প্রবলেম টা বেশি হয়ে থাকে।

তাই আপনারা হয়তো ভাবছেন অনেক বেশী ব্যাটারি পাওয়ার থাকলেই যেমোবাইলের পারফরমেন্স অনেক ভাল আসবে তা কিন্তু একদম নয়,
আপনার ওই ব্যাটারিটা মোবাইলের সাথে সামঞ্জস্য কিনা সেটা কিন্তু একটা বড় বিষয় আছে। আপনারা প্রায়ই খেয়াল করবেন অনেক হাই রেঞ্জের মোবাইল মোবাইল গুলোতে ব্যাটারি পাওয়ার কিন্তু তুলনামূলক কম হয়ে থাকে।
কারণ তারা মূলত এই ব্যালেন্সটা করতে চাই মানে বটলনেক যত কম হবে ঠিক ততটাই মোবাইল এর পারফর্মেন্স ভালো হবে, আই মিন প্রিমিয়াম ফিলিংসটা আপনারা পাবেন।

দ্যাটস ওয়াই দেখবেন যে বেশি দামি ফোন গুলোতে ব্যাটারি পাওয়ার কিন্তু একটু কম দিয়ে থাকে কারণ বেশি পাওয়ার অনেক ব্যাপার থাকে।
ব্যাটারি হিটিং ইসু থাকে অনেক টাইম নেবে ব্যাটারি ফুল চার্জ হতে লংটাইম চার্জে ইলেকট্রিসিটি থাকলে মোবাইল আদার্স সেন্সরে কিছু প্রবলেম হয়।
মূলত এই কারণগুলোর জন্যই ব্যাটারিটা তারা যতটুকু তাদের অপটিমাইজ অর্থাৎ বেস্ট হয় মোবাইলের জন্য ততটুকুই ব্যবহার করে থাকে।

আবার দেখবেন যতই দামি ফোন হোক না কেন দেখবেন আপনি ১০ মিনিট চার্জ করলেই যে ফুল চার্জ হয়ে যাবে এরকম কোন বিজ্ঞাপন দেখবেন না।
কারণ দামি মোবাইলে তাদের টার্গেট থাকেআপনি যেন প্রিমিয়াম ফিলিংস টা পান তাদের ডিভাইস থেকে তাই তাদের মূল টার্গেট থাকে বটলনেক যেন কম হয়।
তাই একটা ফোনের জন্য ব্যাটারি টাও অনেক ইম্পরট্যান্ট একটি জিনিস এটা সব সময় আপনারা মনে রাখবেন যে ব্যাটারির কারণে মোবাইলে অনেক প্রবলেম হয়ে থাকে বা হয়।

তাই আপনার একটি মোবাইল ডিভাইস কেনার জন্য সব সময় চেষ্টা করবেন যে মোবাইলটার বটলনেক কম রয়েছে যদি এটা একটু বোঝাটা কঠিন মোবাইলের ক্ষেত্রে এটা আপনারা বুঝতে পারবেন বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ইউজার রিভিউ দেখে।

আর আমরা মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই এই বটলনেক যে বিষয়টি রয়েছে এটার দিক থেকে অনেক প্রায়োরিটি দিয়ে থাকি এ কারণে দেখা যায় অনেক ভালো ভালো প্রপোলার মোবাইল ও আমাদের সিলেকশনে বাদ পড়ে যায় কারণ বটলনেক এমন একটা জিনিস যেই জিনিসটি অনেকে বুঝেন না।
টেক পারসন যারা আছে তারা অবশ্যই বুঝেন বা তাদের হিসাব টা একটু আলাদা, কিন্তু নন্টেক পারসন গুলো না বুঝে কিনে ফেলে অনেক প্রবলেম ফেস করে থাকে।

তো মূলত এই কারণগুলোর জন্যই বটলনেক প্রবলেম থাকলে সেই মোবাইল গুলো আমরা শুরুতেই বাদ দিয়ে ফেলি, তাই অবশ্যই আপনারাও যারা রয়েছেন সব সময় চেষ্টা করবেন এমন একটি মোবাইল কিনতে বা কেনার আগে দেখে নিবেন।

আপনার ফোনের মধ্যে রেম টা কোন টাইপের আছে স্টোরেজঃ কোন টাইপের রয়েছে এবং আদার্স কি কি জিনিস রয়েছে এই বিষয়গুলো,
তো এই বিষয়ের উপরে যদি আলাদা ডেডিকেটেড একটা পোস্ট চান তাহলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।


তো চলুন এবার দেখি ডিএসএলআর ক্যামেরার ক্ষেত্রে যে কারণগুলোর জন্য বটলনেক হয়ে থাকে।

ডিএসএলআর ক্যামেরা তে অনেকগুলো রিজন আছে বটলনেক হওয়ার কিন্তু আমি একটা রিজন নিয়ে কথা বলবো যেটা সবথেকে বেসিক এবং যেটাতে প্রায় ৮০% মানুষ প্রবলেম ফেস করেন। ক্যামেরা কেনার পর।

সেটা অবশ্যই মেমোরি কার্ড আমরা দেখা যায় যে অনেক ভালমানের একটা ক্যামেরা কিনে ফেলেছি কিন্তু ফর এক্সাম্প্লে 50000-100000 দেড় লাখ 2 হাজার যেমন সামর্থ্য।
সে যে কোন টাইপের ক্যামেরায় হতে পারে কিন্তু আনফরচুনেটলি আমরা এমন একটি মেমোরি কার্ড কিনে ফেলি বা ইউজ করি সেই মেমোরি কার্ডটা মানে ক্যামেরার সাথে যায় না।

আমরা ক্যামেরা টি কেনার সময় অনেক কনসালটেন্ট করি কিন্তু মেমোরীটা কেনার সময় আমরা একটুও চিন্তা করিনাযে এই মেমোরি কার্ডে অরজিনাল পারফরম্যান্স কিরকম আসবে অর্থাৎ আপনার ডিভাইসের সিক্সটি পার্সেন্ট ডিপেন্ড করে এই মেমোরি কার্ডের উপর।

এটা কোন তো সাধারণত দোকানদাররা বলে না, আমার কাছে বিষয়টি খুবই খারাপ লাগে কারণ বাংলাদেশ অনেক বড় মাপের কিছু ক্যামেরা সেলার সব রয়েছে কিন্তু তারা কখনো এই জিনিসটা তুলে ধরে না।
এই জিনিসটা কিন্তু মূলত তাদেরকেই বলা উচিত ইউজাররা সাধারণত এটা বুঝবে না। কারণ আপনি যদি ভালো মেমোরি কার্ড না নেন মেমোরি কার্ডের স্পিডের কিছু ব্যাপার আছে।

আপনি যখন ফোরকে ভিডিও করবেন বা ১০৪০পি তে ও যদি আপনি ভিডিও করেন এই যে রেকর্ডটা হবে যদি আপনার মেমোরি কার্ড টা ভালো না হয় ভালোভাবে রেকর্ড ও হবে না।
আপনি ধরুন একটা ছবি তুলবেন কিন্তু আপনার যে পারফরম্যান্স বা অরজিনাল টা আসার কথা সেটা কিন্তু আপনি পাবেন না এটা একদম হান্ডেট পার্সেন্ট সিওর।

আপনি অবশ্যই ক্যামেরাটা কেনার আগে অনলাইনে ইউটিউবে বিভিন্ন রিভিউ দেখেছেন? বিভিন্ন জায়গায় ছবি টবি কম্পেয়ার করে দেখেছেন।
কিন্তু আপনি যখনই ওই ভাবে ছবি উঠাতে যাবেন দেখবেন ওইটা ভালো আসছে না এই জিনিসটার মেন রিজন হলো মেমোরি।

সো আপনারা যারা ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনবেন প্লিজ একটু মাথায় রাখবেন দরকার পড়লে একটু কম জিবি মেমোরি কার্ড নেন ১৬ জিবি কিংবা 32gb কিন্তু আপনি খুব ভালো মানের একটা মেমোরি কার্ড নেওয়ার ট্রাই করুন।
আর কি ধরনের মেমোরি কার্ড নেওয়া উচিত সেটা নিয়ে আমি খুব শীঘ্রই পোস্ট আনবো অলরেডী লেখা শুরু করে দিয়েছি ইনশাল্লাহ আগামী সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাবেন।

ওই পোস্ট দেখলে আপনারা মোটামুটি বুঝে যাবেন বা ধারণা পেয়ে যাবেন যে আপনার আসলে কোন ধরনের মেমোরি কার্ড কেনা প্রয়োজন।
আজকে তাহলে আর কথা বাড়াচ্ছি না আপনাদের আই হোপ আমি বোঝাতে পেরেছি বটলনেক কি আর এটা কি কারণে হয়ে থাকে।
স্টিল নাও আপনার যদি কোন অংশে বুঝতে না পারেন তাহলে অবশ্যই অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে কমেন্ট করবেন। সেখান থেকে আমি বোঝানোর চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।

Realme C2s বাংলা আনবক্সিং রিভিউ মাত্র ৪,০০০ টাকায়?🤔

This post is sponsored by IN Gaming,
এরা মূলত গেম প্লের পাশাপাশি বিভিন্ন মোবাইলের রিভিউ দিয়ে থাকেন তাই এখনি সাবস্ক্রাইব করুন এদের ইউটিউব চ্যানেল।

সো এতক্ষণ আপনাদের সঙ্গে ছিলাম আমি অনামিকা ফ্রম আমারটিপ্সভালো থাকবেন ভালো রাখবেন আপনার কাছের মানুষকে সেই প্রত্যাশাই আজকের মত আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply