টাকা দিয়ে চার্জার কিনে ঠকার চেয়ে! আগে জানুন তারপর কিনুন।

হোয়াটসঅ্যাপ গাইস ইটস মি অনামিকা ওয়েলকাম টু আমারটিপ্সযদিও ইন্ট্রো টি আফ্রিদি ভাইয়ের ছিল। 🤣

মোবাইলের চার্জার কিনে ঠকেন নাই এমন মানুষ বাংলাদেশে এটলিস্ট খুবই কম সংখ্যক পাওয়া যাবে।
দেখা যায় দোকানে গিয়ে আমরা বলি আমাদের কে অরজিনাল চার্জার দিন দোকানদার বলে যে ভাই-আপু যদি অরজিনাল চার্জার নেন অনেক বেশি দাম হবে।

তো আমাদের মধ্যে দেখা যায় অনেকে অনেক দাম দিয়েও মোবাইলের চার্জার নিয়ে থাকি তারপর যখন বাসায় আসি তারপর মোবাইলে যখনই চার্জ করি তারপরই বুঝতে পারি হায়রে চার্জারটা তো নকল।
তো কি করবেন বা কি করা উচিত ইভেন আপনি যে মোবাইলের চার্জারটা কিনবেন এটা আপনার মোবাইলের সঙ্গে উপযুক্ত কিনা আই মিন পারফেক্ট চার্জার কিনতেছেন কিনা আর আসল নকল তো আছেই।

তো এই সব ধরনের কোশ্চেন আর এইসব ধরণের ই কনফিউশন আজকে ইনশাল্লাহ এই পোস্টে ক্লিয়ার করে দিব। তাই আপনারা অবশ্যই চেষ্টা করবেন পোস্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বার।

নকল চার্জার কিভাবে চিনবেন তার থেকেও ইম্পরট্যান্ট বিষয় হলো আপনি আসলে কোন চার্জারটি কিনবেন অর্থাৎ আপনার মোবাইলের জন্য উপযুক্ত চার্জার কিনতে গিয়ে কি কি বিষয় আসলে আপনার মাথায় রাখতে হবে?
সব সময় মনে রাখবেন যে তিনটি বিষয় মাথায় রেখে আপনার মোবাইলের চার্জার কিনতে হবে, ১-ভোল্ট ২- ওয়ার্ড ৩- প্লাগ টাইপ।

তো এখানে ভোল্ট কি? ভোল্ট হল বেশিরভাগ মোবাইলে সাধারণত ৫ ভোল্টের চার্জার হয়ে থাকে, কিন্তু স্টিল আপনাকে একটু চেক করে নিতে হবে আপনার মোবাইলের চার্জার টি কত ভোল্টের।
অবশ্যই আপনি যে চার্জারটির নতুন কিনবেন, সেই চার্জারটির সঙ্গে যেন ভোল্ট হান্ডেট পার্সেন্ট ম্যাচ করে , আপনি যদি ফাইভ ভোল্টের চার্জার ইউজ করে থাকেন।
তাহলে আপনাকে অবশ্যই নতুন চার্জারটিও ৫ ভোল্ট এর কিনতে হবে।

এবার আসি ওয়ার্ড এর বিষয় ওয়ার্ড যদি কম বেশি হয় সেক্ষেত্রে প্রবলেম নেই , তবে ওয়ার্ডটা যদি ম্যাচ করে তাহলে আপনার যে সুবিধাটা হবে।
আপনি আগে মোবাইলটি যেই টাইম এর ফুল চার্জ হয়ে যেত এখনো সেই টাইম এর মধ্যেই চার্জ হয়ে যাবে।
তো ওয়ার্ড যদি কম হয় তাহলে চার্জ উঠতে সময় লাগবে এছাড়া ওয়ার্ড কমবেশি তে তেমন কোন প্রবলেম নেই।

আর একটা জিনিস হল প্লাগের টাইপ বা প্লাগ ফরমেট দেখা গেল আপনার ২ পিন এর এর প্লাগ দরকার নাকি ৩ পিনের প্লাগ দরকার
অর্থাৎ আপনি যে বাসায় থাকেন সেই বাসার চাহিদা অর্থাৎ সকেট কী টাইপের তার উপর নির্ভরশীল।
তো এটা অনেক ইম্পরট্যান্ট আমরা অনেক সময় পাত্তা দিই না, বাট এই জিনিসটা মাথায় রাখা উচিত কোন নতুন চার্জার কেনার সময়।

তো এবার নকল চার্জার কিভাবে চিনবেন? নকল চার্জার চেনার জন্য আমি মোট ৬ টি টিপস দিব। তার মধ্যে নাম্বার ওয়ান টিপস হলো নিজেই দেখতে পারছেন।

১। চার্জিং পোর্ট- ফেক চার্জারের যে চার্জিং পোর্ট রয়েছে ওইটা অবশ্যই কতটা ক্লিয়ার দেখা যাবে না, এমনকি আপনি যদি একটু চোখের কাছে নিয়ে যান তাহলে দেখবেন যে চার্জার পোর্ট এর বাইরের বর্ডার টা সবদিক থেকে সমান না।
এবং চার্জারের ফিনিশিংটা ও ক্লিয়ার বোঝা যাচ্ছে না।

কিন্তু অরিজিনাল চার্জার এর চার্জিং পোর্ট এর ফিনিশিং দেখবেন একদম পারফেক্ট এবং বাইরের যে বর্ডার টি রয়েছে সেটি একদম সমান এবং ক্লিয়ার।
এবং একটু দুরে নিল সেটা ক্লিয়ার আপনি বুঝতে পারবেন।

আবার ফেক চার্জার এর চার্জিং পোর্ট এর যে ছিদ্র টি রয়েছে সেটি দেখতে তুলনামূলক অরজিনাল চার্জার থেকে বড় সাইজের হবে।



২। ক্যাবল কানেকশন- চার্জারের কেবল টা যখন আপনি মোবাইলে কানেক্ট করবেন, তখন অরজিনাল ক্যাবল এর সম্পূর্ণ টাই কানেক্ট হয়ে যাবে,
কিন্তু ফেক ক্যাবল এর ক্ষেত্রে দেখা যাবে যে একটু গ্যাপ থাকবে মোবাইল আর কেবল চার্জিং পয়েন্ট এর মাঝখানে। অর্থাৎ ইউএসবি ক্যাবলের যে কানেক্টিং পয়েন্ট থাকবে সেটা নকল চার্জার এর ক্ষেত্রে একটু লম্বা থাকবে।
আর অরিজিনাল চার্জার এর ক্ষেত্রে একদম একুরেট থাকবেন।


৩। চার্জারের ওয়েট- অরজিনাল চার্জার দেখবেন একটু ওয়েট বেশি, আর ফেক চার্জার এ দেখবেন যে অনেক পাতলা অনেকটা হালকা মনে হবে আপনার কাছে।


৪। স্ট্রেন্থ -অরিজিনাল কেবল হার্ড হবে এবং আপনি যতই দুমড়ে-মুচড়ে ফেলুন না কেন এটা আবার ইজিলি সোজা করতে পারবেন। আর ফেক কেবল অনেক সফট থাকবে এবং আপনি দুমড়ে-মুচড়ে ফেললে দেখবেন যে সহজে আর সোজা করা যাচ্ছে না কেবল টি।


৫। থিকনেস- অরিজিনাল চার্জারের যে ক্যাবলটি রয়েছে সেটার থিকনেস দেখা যাবে যে একটু মোটা হবে, তার কারণ হল মোটা ক্যাবল হলে ইলেকট্রিসিটি রেজিস্ট্যান্ট কম থাকে, আর ইলেকট্রিসিটি রেজিস্ট্যান্ট কম থাকলে ভোল্টেজ ড্রপ হয় না।

আর ফেক কেবল গুলো দেখবেন যে অনেকটা চিকন হয় এবং এই কেবল দিয়ে চার্জ দিলে অনেক ভোল্টেজ ড্রপ করার কারণে ব্যাটারি ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে।


৬। চার্জারের লোগো প্লেসমেন্ট- ইউএসবি ক্যাবল এর চার্জিং পয়েন্টে ক্যাবলের লোগো টা অরজিনাল চার্জারের অনেক হালকা করে প্রিন্ট করা থাকে বা খোদাই করা থাকে।
কিন্তু এই ফেক চার্জার বা নকল চার্জার গুলোর ক্ষেত্রে এই লোগোটা অনেক মোটা করে খোদাই করা থাকে অথবা অনেক গাড়ো কালার দেখা যায়।

আবার অরজিনাল চার্জার রে ইউএসবি পয়েন্ট এর চার্জিং লোগো টা একটু বড় দেখা যাবে, কিন্তু ফেক চার্জারে ইউএসবি পয়েন্ট এর চার্জিং লোগোটা ছোট দেখা যাবে বা তুলনামূলক মনে হবে যে পারফেক্ট সাইজ ফেক চার্জার এর ক্ষেত্রে।

তাই আপনারা চার্জার কেনার সময় অবশ্যই এই ছোট্ট জিনিসগুলি খেয়াল করে কিনবেন আই মিন দেখে চেনার চেষ্টা করবেন আপনার ক্যাবলটি বা চার্জারটি অরজিনাল বা নকল কিনা।
আর অবশ্যই আপনার মোবাইলের সঙ্গে উপযুক্ত চার্জারটি মাথায় রেখেই কিন্তু আপনি নতুন চার্জার কিনতে যাবেন।
তো স্টিল আপনারা এই চার্জার নিয়ে যদি আর কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে পোস্ট এর নিচে কমেন্ট সেকশনে সেটি জানাতে পারেন।

যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে আমি http://fb.com/Anamika016
Realme C2s বাংলা আনবক্সিং রিভিউ মাত্র ৪,০০০ টাকায়?🤔

This post is sponsored by IN Gaming,
এরা মূলত গেম প্লের পাশাপাশি বিভিন্ন মোবাইলের রিভিউ দিয়ে থাকেন তাই এখনি সাবস্ক্রাইব করুন এদের ইউটিউব চ্যানেল।

ভালো থাকুন ফিউচার এ আবার দেখা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল থাকুন আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply