আপনি যেভাবে শুরু করতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং।

গতকাল রাতে চমক হাসান ভাইয়ার একটা ভিডিও দেখছিলাম । সাথে আয়মান সাদীক ভাইও ছিলেন । উনার কিছু র‍্যাপ সং আছে যেগুলো অসাধারণ লাগে আমার কাছে। শুধু আমার কাছে নয়, হয়ত সবার কাছেই লাগে। আপনারা হয়তো ভাবতে পারেন আমি কেন তাকে নিয়ে কথা বলছি।

Well, তিনি খুব ভালো ভাবে বুঝিয়েছেন যে কোনো কিছু শুরু কিভাবে করতে হয়। কথা গুলো এই জন্য বলছি, আমাকে প্রতিদিন অন্তত ২-৩ জন মানুষ ইনবক্সে মেসেজ করেন । তাদের কথা “আমি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছি কিন্তু কিভাবে করবো?” প্রশ্নটা আসলেও কঠিন । আমি আমাকে দিয়ে বুঝাই তাহলে সহজে বুঝবেন । আমি শুরু করেছিলাম ডাটা এন্ট্রি দিয়ে । যতদূর মনে পড়ে ২০১৫-১৬ এর দিকে শুরু করেছিলাম। আমার প্রথম আর্নিং ছিলো ৪৫ ডলার! সেই সময় থেকে শুরু ফ্রিল্যান্সিং।

যাইহোক, মূল ব্যাপার হলো আপনি আগে কাজটা শিখবেন । আমাকে আবার জিজ্ঞাস করবেন না, “ভাই কি কাজ শিখবো?” ধরুন আমি আপনাকে বললাম আপনি এনিমেশন নিয়ে কাজ করেন । তাহলে আপনি এনিশেমন নিয়ে কাজ শিখলেন কিন্তু মার্কেটপ্লেসে গিয়ে দেখলেন এনিমেশন এর কাজ অনেক কম । কিন্তু যে সব প্রোজেক্ট আসে খুব বড় বড় প্রজেক্ট । লোভ দেখাইলাম আরকি :p ।

তো সব কিছু অন্যের উপর ছেড়ে দেওয়া ঠিক না । কারণ, কাজটা আমি করবো না। আপনাকে করতে হবে । আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ সেটা আগে খুজে বের করুণ । এরপরে সেটা নিয়ে রিসার্চ করুন । আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগানো শুরু করুণ। প্রচুর প্র্যাক্টিস করতে থাকুন । দেখবেন কোনো একসময় আপনার দক্ষতা আপনাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পেছন থেকে ধাক্কা দিচ্ছে । তাহলে আপনি সামনে যাওয়ার জন্য একেবারে প্রস্তুত। এবার দরকার প্রজেক্ট বোঝা ।

গ্রুপে আরো অনেক পোস্ট আছে আমার । আপনি চাইলে পড়তে পারেন । আমাদের ওয়েব সাইটে প্রচুর আর্টিকেল আছে ব্যাসিক থেকে প্রোফেশনাল লেভেলে যাওয়ার জন্য কি কি শিখতে হবে । আপনি সেগুলো পড়তে পারেন । এগুলো ছিলো আপনার শুরু করার ব্যাপার নিয়ে কথা। থেমে থাকা যাবে না । প্রতিনিয়ত অন্যদের আর্নিং এর স্ক্রিনশট দেখে নিজের মনের মধ্যে এমন একটা জিদ তৈরি করুণ যেটা আপনাকে স্কিল্ড বিল্ড করতে সহায়তা করে । টাকার দিকে পরে তাকান । আগে স্কিল্ড হোন। স্কিল্ড হলে টাকার পেছনে আপনাকে ছুটতে হবে না । টাকাই আপনার পেছনে ছুটবে সহজ হিসাব কি ক্লিয়ার?

যদি না বুঝে থাকেন তবে আরেকটু বলি । আমরা অনেকেই রাত জেগে মেদের সাথে চ্যাটিং ফ্যাটিং করি । আমি নিষেধ করছি না যে আপনাকে চ্যাটিং বাদ দিয়ে কোনো কিছু শিখতে হবে । আমি বলবো, ধরুণ আপনি রাত ২টা পর্যন্ত চ্যাটিং করেন । আপনার চ্যাটিং এর পরিমাণ একটু কমিয়ে রাত দেড়টায় নিয়ে আসুন ।

এই যে ৩০ মিনিট বাঁচালেন এই ৩০ মিনিট দিয়ে কিছু শিখুন । ইউটিউবে লাখো টিউটোরিয়াল আছে । সেখান থেকে আইডিয়া নেন । এই ভাবে প্র্যাক্টিস করলে নিশ্চয় আপনার কোনো ক্ষতি হবে না লাভ ছাড়া । আপনি যার সাথে চ্যাটীং করছেন, আপনি কি নিশ্চিত যে উনার সাথেই আপনার বাকিটা লাইফ কেটে যাবে? আমরা কেউ ই নিশ্চিত নই ।

যাইহোক, জ্ঞানীদের মত কথা বলা ঠিক না । আমার অনুরোধ থাকবে আপনি আগে শুরু করুণ ।

শুরু কিভাবে করতে হবে সেটা নিয়েই না হয় আগে একটু গবেষণা করে নিন?

আরো আর্টিকেল পড়তে চাইলে আমাদের ওয়েব সাইট https://workeraim.com ভিজিট করতে পারেন ।

কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

Leave a Reply