মৃত্যু নিয়ে চিন্তা করা.! Part 2 & Last Part, সবাই জেনে নিন।


আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে amartips তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে amartips তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই amartips এর সাথেই থাকুন।

আখেরাতের প্রস্তুতি নিয়ে

মৃত্যু নিয়ে চিন্তা করা

অর্থ সম্পদ ভোগ পাবার সময় অথবা মর্যাদা ভোগের সময় আখেরাতের কথা মনে করে অপরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমার ভাগ যদি অন্য ভাইকে দিই তাহলে আখেরাতের জন্য এই ভাগ আমার খাতে জমা হয়। নিজে আগে না খেয়ে অন্যকে আগে খেতে দেয়া, নিজে আগে না বসে অন্যকে বসতে দেয়া, নিজে আগে না শুয়ে অন্যকে শুয়ানোর ব্যবস্থা করা এসব কিছু মৃত্যু চিন্তার ফসল হতে পারে। এ কথাই আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে- সুরা হাশর: এর ৯ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করেছেন এভাবে:
“তারা নিজেরা অভাবের মধ্যে থেকেও অপরকে অগ্রাধিকার দেয় ।” (সুরা হাশর: ৯)
তিরমিযী শরিফের একটি হাদিসে এসেছে আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

“প্রকৃত বুদ্ধিমান সেই ব্যাক্তি যে নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মৃত্যুর পরের জীবনের জন্য কাজ করে।”

আমাদের অন্তরে যে মরিচা পড়ে যায় তা দূর করার জন্য দুটি উপায়ের কথা রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে গেছেন। তা হলো কুরআনের জিকির ও মরণের চিন্তা। আখিরাতের চশমা দ্বারা সব কিছু দেখলে মৃত্যু চিন্তা মানুষকে নেকীর কাজ করতে এবং গুণাহের কাজ না করতে উৎসাহিত করে। যেমনঃ
১. গুণাহের কাজে ক্ষান্ত দেয়।
২. নেকীর কাজে আগ্রহ সৃষ্টি করে।
৩. অন্যায় কাজের জন্য তওবা ও ইস্তেগফার করে।
৪. সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির কাছ থেকে মাফ চেয়ে নেয়ার সুযোগ হয়।
৫. ভালো কাজে বেশী বেশী দান-খয়রাত করে।
৬. সদকায়ে জারিয়া করার সুযোগ হয়।
৭. বেশি পরিমাণ মৃত্যু চিন্তা দুনিয়ার অসুবিধা দূর করে দেয়।
৮. পাওনাদারের পাওনা (ঋণ) পরিশোধ করা যায়।
৯. নামাজ রোজাসহ বিভিন্ন ইবাদতে একাগ্রতা সৃষ্টি হয়।
১০. চোখের পানি দিয়ে মহান মা’বুদের কাছে সব কথা বলা যায়।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা লাইক কমেন্ট শেয়ার করে ইসলামি দাওয়াতে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। প্রিয় বন্ধুরা জানার স্বার্থে দাওয়াতি কাজের স্বার্থে আর্টিকেলটি অবশ্যই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। হতে পারে আপনার একটি শেয়ার বহু মানুষ উপকৃত হবে ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply