ইস্তেগফারে আল্লাহ খুশি Part 1। সবাই জেনে নিন।

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে amartips তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে amartips তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই amartips এর সাথেই থাকুন।

আখেরাতের প্রস্তুতি নিয়ে

ইস্তেগফারে আল্লাহ খুশি

চোখের পানি ফেলে জীবনের কৃত পাপের ক্ষমা চাইতে হবে। প্রয়োজনে দশজন মিসকিনকে খাদ্য অথবা দশজন মিসকিনকে কাপড় প্রদান করে ওয়াদা ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে। সম্ভব না হলে তিনটি রোজা রেখেও কাফফারার দায়িত্ব পালন করতে হবে। অনুতুপ্ত হৃদয় নিয়ে মাফ চাইতে হবে।
এ ব্যাপারে চোখের পানি বের না হলে হাদিস অনুযায়ী মিসকিন খাওয়ানো ও ইয়াতিমের মাথায় হাত বুলানোর পরামর্শ বাস্তবায় করতে হবে। তাহলে চোখের পানি বের হবে।
যেহেতু আল্লাহ আমাদেরকে কম হাসতে ও বেশি কাঁদতে বলেছেন তাই হাসির পরিমাণ এখন থেকে কমাতে হবে। কান্নার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। মাতা পিতা, ভাইবোন দাদা দাদী, নানা নানী থেকে শুরু করে শ্বশুর শাশুড়ী, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব যারা এক সাথে ছিলেন এখন আর নেই তাদের কথা স্মরণে এনে চোখের পানি বের করার চেষ্টা করতে হবে।
আল্লাহর কাছে বান্দাহর চোখের পানির মত মূল্যবান বস্তু আর কিছু হতে পারে না।

এ যেন ঐ রকম ব্যাপার যে দুনিয়ার সমস্ত পানি দিয়ে জাহান্নামের আগুণ না নিভলেও বান্দাহর এক ফোটা চোখের পানিতে জাহান্নামের আগুণ নিভে যায়। আল্লাহু আকবার। কৃত অপরাধের জন্য বেশি পরিমাণ তওবা ইস্তেগফার জরুরি। কিয়ামতের দিনে তার জন্যই আনন্দ হবে যার আমলনামায় যত বেশি ইস্তেগফার পাওয়া যাবে।
সুবহানআল্লাহ


প্রকৃতপক্ষে যারা খাঁটিভাবে তওবা করবে তার অবস্থা ঐরকম যার কোনো গুনা নেই।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা লাইক কমেন্ট শেয়ার করে ইসলামি দাওয়াতে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। প্রিয় বন্ধুরা জানার স্বার্থে দাওয়াতি কাজের স্বার্থে আর্টিকেলটি অবশ্যই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। হতে পারে আপনার একটি শেয়ার বহু মানুষ উপকৃত হবে ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply