অগ্রিম বিদায়ী বৈঠক করে আখেরাতের প্রস্তুতি।

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে amartips তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে amartips তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই amartips এর সাথেই থাকুন।

আখেরাতের প্রস্তুতি নিয়ে

অগ্রিম বিদায়ী বৈঠক করা

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি বিদায়ী বৈঠক করা আখেরাতের প্রস্তুতির জন্য খুবই সহায়ক।
উপস্থিত সকল সদস্যদের সামনে সুরা রা’আদ এর ২২ ও ২৩ নম্বর আয়াত ও সুরা মুমিন এর ৮ নম্বর আয়াত আলোচনায় আনতে হবে।
এখানে বলা হয়েছে “যারা তাদের প্রভুর সন্তুষ্টির জন্য সবর করে, নামাজ কায়েম করে, যা দিয়েছি তা থেকে গোপন ও প্রকাশ্যে খরচ করে, খারাপের মুকাবিলা ভাল দিয়ে করে তারাই পরকালের ঘর জান্নাতে যাবে। বসবাস করার জন্য তারা বাগানে প্রবেশ করবে তাদের সাথে তাদের বাপ দাদা, স্বামী স্ত্রী ও সন্তানেরা প্রবেশ করবে আর ফেরেশতারা প্রত্যেক দরজা দিয়ে সালাম করত আসবে।”

এখানে উল্লেখ করা দরকার যে সুরা রা’আদ এর ২৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে:
সৎকর্মশীল বাপ, দাদা, স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানগণ একই জান্নাতে একসাথে থাকবে। প্রশ্ন হচ্ছে তারা যদি সৎ কর্মশীল না হয় তাহলে আখেরাতে গিয়ে জান্নাতে একসাথে থাকার সুযোগ পাবে না।

সুরা মুমিন এর ৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে এভাবে ফেরেশতারা দোয়া করবে যে তাদেরকে ওয়াদাকৃত জান্নাতে প্রবেশ করাও।
“তাদের বাপ দাদা,স্বামী স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে যারা সৎকর্মশীল তাদেরকে (জান্নাতে প্রবেশ করাও), নিশ্চই তুমি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।” (সুরা মুমিন: ৮)

শর্ত হচ্ছে সৎকর্মশীল হওয়া। যারা সৎকর্মশীল হবে তাদের জন্যই এ শুভ সংবাদ। সৎ কর্ম না করে মরলে আখেরাতে বাঁচা যাবে না। সৎকর্ম না করে নবীর ছেলেও রেহাই পায়নি। নূহ আলাইহিস সালাম এর ছেলে কেনান আল্লাহর উপর ইমান আনেনি। তাঁর হুকুম মেনেও চলেনি। ফলে প্লাবনের সময় কিস্তিতে জায়গা মেলেনি, দোয়া করেও কাজ হয়নি, ধ্বংস হয়ে গেছে।
পিতার সামনে পুত্রের মৃত্যু হয়েছে, পানি খেয়ে পেট ফুলে মরে গেছে বাঁচতে পারেনি। লূত আলাইহিস সালাম এর স্ত্রীও কর্মশীল না হবার কারণে বাঁচতে পারেনি। চিরদিনের জন্য ধ্বংস হয়ে গেছে।
“আল্লাহ কাফেরদের ব্যাপারে নূহ এবং লৃতের স্ত্রীদেরকে উদাহরণ হিসেবে পেশ করেছেন”। সুরা তাহরীমের উক্ত ১০নং আয়াতে নুহ আলাইহিস সালাম ও লূত আলাইহিস সালাম এর স্ত্রীদ্বয় সৎকর্মশীল না হবার কারণে নবীর স্ত্রী হয়েও রক্ষা পায়নি।

সৎকর্মশীল না হয়ে কেউ নিস্তার পায়নি। নবীর ছেলে এবং নবীর স্ত্রী হয়েও যখন নিস্তার পাওয়া যায়নি তখন আমাদের সকলকেই ভাবতে হবে সৎকর্মশীল হওয়া ছাড়া আখেরাতে নাজাত নেই।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা লাইক কমেন্ট শেয়ার করে ইসলামি দাওয়াতে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। প্রিয় বন্ধুরা জানার স্বার্থে দাওয়াতি কাজের স্বার্থে আর্টিকেলটি অবশ্যই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। হতে পারে আপনার একটি শেয়ার বহু মানুষ উপকৃত হবে ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply