আপনি কি একজন প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার হতে চান..? তাহলে আপনার জন্য এই আটটি উপায়।এবং আর্টিকেল লেখার পরিপূর্ণ গাইডলাইন।

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে amartips তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে amartips তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই amartips এর সাথেই থাকুন ।

কন্টেন্ট রাইটার হতে চান…? পরিপূর্ণ গাইডলাইন

একজন প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার হতে হলে কোন কোন বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখতে হয় এই বিষয়টি সম্পর্কে যদি আপনার জানার আগ্রহ থাকে তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।আজকে আমরা কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

কিভাবে একজন প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার হওয়ার যায় বা কোন কোন স্টেপ গুলো ফলো করতে হয় সেই বিষয় গুলো জানার পাশাপাশি আমরা এটাও জানবো কন্টেন্ট রাইটাররা কি কি উপায়ে কাজ করতে পারে বা কোন Job অপরচুনিটি গুলো তাদের জন্য রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করবো।

Who…..? Work….?

প্রথমে জানা যাক কন্টেন্ট রাইটার মূলত কারা তা কি করে থাকে। কন্টেন্ট রাইটাররা মূলত লেখক তারা এক বা একাধিক বিষয়ের উপর লেখা লেখি করে থাকে।এখন চলুন কন্টেন্ট রাইটাররা কি কি উপায়ে অনলাইনে Job করতে পারে সে বিষয় গুলো সম্পর্কে জানা যাক।

কন্টেন্ট রাইটাররা বিভিন্ন উপায়ে চাইলে কাজ করতে পারে। সবচেয়ে কমন দুটি উপায়ের মধ্যে একটি হচ্ছে

নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে কন্টেন্ট রাইটিং করা

এবং স্বাধীনভাবে কাজ করা। ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ভাবে Monetize করা যায়। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্লাটফর্ম মাধ্যমে। যেমন Google Adsense, Facebook, sponsorship এর মাধ্যমে। এসকল সম্পর্কে আপনার অনেক জানেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কন্টেন্ট রাইটিং করা

Online এমন হাজার প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের ওয়েবসাইটের জন্য কন্টেন্ট রাইটার তারা হায়ার করে থাকে। বিভিন্ন Product বা সার্ভিস রিলেটেড কন্টেন্ট তারা তাদের ওয়েবসাইটে publish করে থাকে কন্টেন্ট রাইটার ধারা। এছাড়াও অনলাইন News Portal রয়েছে।

যারা কন্টেন্ট রাইটারদের হায়ার করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর কন্টেন্ট রাইটিং করিয়ে থাকে। চাইলে সে সমস্ত প্রতিষ্ঠানে জয়েন করে Job করা যেতে পারে। এছাড়াও অনলাইনে অনেক Market Place হয়েছে যায় মধ্যে Fiverr অনেক জনপ্রিয়।

Fiverr visit করে আপনি যদি সার্চ করেন কন্টেন্ট রাইটার তাহলে দেখতে পাবেন অনেক কন্টেন্ট রাইটাররা এ সার্ভিসটি Provide করছে। একজন প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার হতে গেলে যেসব বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখতে হয় সেগুলো সম্পর্কে জানা যাক।

Industry Selection

একজন Expert কন্টেন্ট রাইটার একাধিক প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করেনা। যেকোনো একটি বিষয়ের উপর কাজ করে।এবং নিজেকে Expert করে গড়ে তুলে। এখন অনেক ধরনের industry রয়েছে Select করার জন্য যেমনঃ Sports আপনার যদি Sports ভালো লাগে তাহলে আপনি Sports নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন

আপনার ওয়েবসাইটে বা বিভিন্ন News Portal থেকে শুরু করে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে Sports রিলেটেড সেসমস্ত ওয়েবসাইটের হয়ে কন্টেন্ট রাইটিং করতে পারেন। এছাড়াও রয়েছে Food Blogging. Food নিয়েও লেখালেখি করা যেতে পারে। Medical Science সম্পর্কে Knowledge থাকলে Health Care নিয়ে Blogging করা যেতে পারে।

এইযে প্রত্যোটা বললাম এই প্রত্যেকটি হচ্ছে এক একটি Industry আপনার কোন বিষয় ভালো লাগে সেই বিষয়ে আপনার কাজ শুরু করে দেওয়াই হবে বেস্ট। প্রথমে কন্টেন্ট রাইটিং শুরু করার পূর্বে চিন্তা ভাবনা করে সময় নিয়ে একটি নিদিষ্ট বিষয় বা Industry বাছাই করতে হবে।

Research For Content Ideas

Industry Select করার পর যতটুকু সম্ভব সেই Industry সম্পর্কে গবেষণা করতে হবে সেই Industry related টপিক আইডিয়া খুঁজে বের করতে হবে। যতবেশি রিসার্চ করবেন ততবেশি টপিক আইডিয়া খুঁজে বের করতে পারবেন সেই বিষয়ের উপর।

Know Your Readers

একজন pro কন্টেন্ট রাইটার খুব ভালোভাবে জানে তার reader কারা। তাদের পছন্দ কি তাদের অপছন্দ কি তাদের মধ্যে কত% Male কত% Female এই বিষয় গুলো একজন pro কন্টেন্ট রাইটারকে অবশ্যই জানতে হয়। তাই আপনি যে বিষয়টিকে বাছাই করবেন

সেই বিষয়টির উপর কোন ধরনের মানুষের ইন্টারেস্ট রয়েছে তাদের বয়স কত কোন বিষয় গুলো তাদের ভালো লাগে কোন বিষয় গুলো তাদের ভালো লাগেনা এই বিষয় গুলো একটু রিসার্চ করে নিবেন। এবং সেই বিষয় গুলো ফেস করে আপনি কন্টেন্ট গুলো লিখবেন। তাহলে আপনার Reader রা আপনার কন্টেন্ট পড়ে অনেক এনজয় করবে। এবং ভালো ফিডব্যাক দিবে।

Pick a Topic

যেকোনো একটি স্পেসিফিক বিষয়ের উপর লিখতে হবে। একি কন্টেন্টের উপর একাধিক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করা যাবেনা। একটি Industry select করার পর গবেষণা করে অনেক গুলো টপিক আইডিয়া খুঁজে বের করার পর প্রত্যেক টপিকের জন্য একটি করে কন্টেন্ট Publish করা যেতে পারে।

কিন্তু একি কন্টেন্ট মধ্যে একাধিক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করা যাবে না। এতে করে পাঠকরা কনফিউজড হয়ে যাবে। যেমন: ধরুন আমরা একটি আর্টিকেল লিখছি যেখানে আমরা শেখাচ্ছি How to write a blog post.? অর্থাৎ ওয়েবসাইটে কিভাবে ব্লগ পোস্ট করতে হয়।এটার মধ্যে সংক্ষিপ্তভাবে আমরা বলে দিতে পারি।

আর্টিকেলটি লেখার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে দিতে হবে। কিন্তু কোন ভাবে Facebook Marketing সম্পর্কে সেখানে লেখা যাবে না। কারণ Facebook Marketing একটি ডিফারেন্ট টপিক।

যেটার জন্য আলাদা একটি কন্টেন্ট লেখা যেতে পারে। কিন্তু How to write a blog post এই কন্টেন্টের মধ্যে Facebook Marketing এর টোটাল বিষয় গুলো লিখতে যাই তাহলে miscreat হয়ে যাবে পাঠক বিষয়টি এনজয় করবেনা।

Simplicity

একজন pro কন্টেন্ট রাইটার তার কন্টেন্টকে খুব সহজভাবে উপস্থাপন করতে পারে। কমন শব্দ বা বাক্য গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে। রিলেভ্যান্ট ইমেজ বা গ্রাফিক্স ব্যবহার করার মাধ্যমে। মানুষ কখনোই তার মস্তিষ্ককে ব্যবহার করতে চায় না।

যখন সে কোন কিছু পড়ছে। আপনি যদি কোন ইংরেজি কোন বাক্য পড়েন বা কোন কিছু পড়তে যান বেশির ভাগ মানুষ ক্ষেত্রে দেখা যায় আর পড়তে ভালো লাগেনা কারণ সে বুঝতে পারছেনা বুঝতে কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবসময় নিজের কন্টেন্টকে সহজভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবেন।

যায় জন্য সবচেয়ে সহজ শব্দ গুলো কমন ব্যবহৃত শব্দ গুলো ব্যবহার করতে হবে। এবং রিলেভ্যান্ট ইমেজ বা গ্রাফিক্স ব্যবহার করতে হবে। ইন্টারনেটে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে Free Stock Photo, Premium Graphic পাওয়া যায় যেগুলো ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়।

Review

একটি আর্টিকেল লেখা সম্পন্ন হয়ে গেলে সেটিকে পাঠকদের prospective থেকে বুঝার চেষ্টা করতে হবে। একজন পাঠক আর্টিকেলটি পড়ার পর তার মধ্যে কি ধরনের অনূভুতি সৃষ্টি হতে পারে। একজন প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার আর্টিকেল লেখার সাথে সাথে Publish করেনা।

কিছুটা সময় নিয়ে Review করে বুঝার চেষ্টা করে তার পাঠকদের মনে কেমন ফিলিং তৈরি হবে। সবসময় কন্টেন্ট লেখার পর সেটাকে ভালোভাবে Review করতে হবে পাঠকদের prospective থেকে। এতে করে Log tram এ আপনার কন্টেন্ট রাইটিং quality অনেক improve হয়ে যাবে। এবং আপনি আপনার পাঠকদের ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।

Try Different Styles

একাধিক স্টাইলে কন্টেন্ট লেখার চেষ্টা করুন। একজন প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার একাধিক স্টাইলে কন্টেন্ট লিখতে পারে। বাজারে হাজার ও লাখ বই রয়েছে যেগুলো বিভিন্ন ধরনের লেখক বা লেখিকারা লিখেছেন আপনি কয়েকজন লেখকের নাম জানেন।

হাতেগুনা কয়েকজন কারণ তারা অন্য সবার থেকে ভিন্ন। তাদের লেখার স্টাইল ভিন্ন। তাদের কন্টেন্ট ভিন্ন। একটি Uniqueness আছে। ঠিক একিভাবে প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটাররা একাধিক স্টাইলে ফলো করে থাকে তাদের কন্টেন্টের মধ্যে। এবং খুঁজে বের করার চেষ্টা করে কোন স্টাইলটি পাঠকেরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করছে।

তাই যত টপিক আপনি খুঁজে বের করবেন প্রত্যেক টপিকের জন্য একাধিক বিভিন্ন ধরনের কৌশল বা স্টাইল ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন বুঝার চেষ্টা করবেন কোন স্টাইলটি আপনার পাঠকেরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করছে। বিভিন্ন ধরনের স্টাইল এপ্লাই করে করে গবেষণা করবেন যে কোন স্টাইলটি আপনার জন্য বেস্ট হচ্ছে।

Set a Schedule

কন্টেন্ট রাইটিং করা জন্য একটি রুটিন সেট করতে হবে সেটা হতে পারে সপ্তাহে ৩ দিন বা ৪ দিন এবং প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা বা ৪ ঘণ্টা এমন যেকোনো একটি রুটিন সেট করে নিতে হবে। প্রত্যেকটি প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার একটি রুটিন মেইনটেইন করে থাকে। কোন কাজে যখন ধারাবাহিক বজায় রাখা হয় এই কাজ থেকে একটি রেজাল্ট অবশ্যই দেখা যায়। অবশ্যই একটি রুটিন মেইনটেইন করবেন।

এইযে আটটি স্টেপ সম্পর্কে আমরা আলোচনা করলাম এগুলোই একমাত্র উপায় নয় কন্টেন্ট রাইটার হওয়ার। আর অনন্য স্টেপ ফলো করুন। নিজের কিছু স্টেপ ব্যবহার করুন এবং আপনার কাজে একটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন তাহলে আপনি একজন প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে বিল্ট করতে পারবেন।

আশা করি সবাই সবকিছু বুঝতে পেরেছেন। কোথাও সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন অথবা ফেসবুকে জানাতে পারেন ফেসবুকে আমি

Leave a Reply