জেনে নিন ঘি এর উপকারিতা ও এর পুস্টিগুন সম্পর্কে।

আসসালামুআলাইকুম।
প্রতিবারের মতো আবারো আরেকটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের মাঝে।আজ দেখাব ঘি এর কিছু উপকারিতা দিক ও ঘি এর পুস্টিগুন।
আমরা অনেকে ঘি পছন্দ করি,কিন্তু অনেকে করি না।আজকে ঘি এর এমন কিছু উপকারিতা দিক দেখাব আপনারা নিয়মিত ঘি খেলে অনেক উপকৃত হবেন।
ঘি এ রয়েছে অনেক পুস্টিগুন। ঘি শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
গরম ভাত এবং ঘি এটা প্রাচীন কাল থেকে অনেকের প্রিয় একটি খাবার।
ঘি শরীর এ শক্তি ধরে রাখে।ঘি এ রয়েছে অসাধারণ গুন পুস্টি। ঘি দুগ্ধজাত খাবার।
ভাতের সাথে ঘি মিশিয়ে খেলে শরীরে দীর্ঘদিন শক্তি থাকে।
তবে ঘি ক্ষতি করে তখন,যখন এই ঘি অতিরিক্ত পরিমান খাওয়া হয়।তাই এদিকে খেয়াল রাখতে হবে,পরিমান মতো ঘি খেতে হবে।

কথা না বাড়িয়ে এবার তাহলে জেনে নেয়া যাক,ঘি এর উপকারিতা দিকগুলো কি কিঃ

১] হাড়ের জন্যঃ
ঘিয়ের ভিটামিন ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিলে হাড়ের সাস্থ গঠন বজায় রাখে।
ঘি এ রয়েছে ভিটামিন এ,ডি,ই যা আমাদের হৃদপিণ্ড ও হাড়ের জন্য খুব উপকারি।
ঘি এর মধ্য রয়েছে ল্রুবিকেন্ট যা গিটে ব্যাথা বা আর্থাইটিসের সমস্যা সমাধানে অনেক বেশি ভুমিকা রাখে।
এছাড়া ও এর মধ্য রয়েছে ওমেগা-৩ ও ফ্যাটি এসিড।যা অত্যান্ত ভাল উপকারী।

২]স্মৃতিশক্তি বাড়ায়ঃ

নিউট্রিশনিস্টদের মতে নার্ভের কার্যক্ষমতার পাশা পাশি সার্বিকভাবে ব্রেন পাওয়ার এর কোনো বিকল্প নেই।
ঘি এ ওমেগা ও ফ্যাটি এসিড,মস্তিষ্ক চাঙ্গা রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে।
এবিং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। কোনো কিছু খুব সহজে মনে থাকে।

৩] উপকারি কোলস্টেরলঃ

ঘি এ রয়েছে কনজুগেটেড লিনোলেক এসিড।
এবং এন্টি ভাইরাল গুন রয়েছে। যা ক্ষত সাড়াতে সাহায্য করে।
এজন্য নতিন গর্ভবতী মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয়।

৪] চুল পড়া প্রতিরোধ করেঃ

খালি পেটে খি খেলে চুল পড়া প্রতিরোধ করতে প্রচুর সাহায্যে করে।ও চুলের স্বাস্থ ভাল থাকে।
এবং চুল নরম ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে এই ঘি।

৫] হজম ক্ষমতা বাড়ায়ঃ

ঘি তে রয়েছে প্রচুর বাটাইরিক এসিড।
যা আমাদের খাবার হজম করতে প্রচুর সাহায্যে করে।

৬] ওজন কমায় ও এনার্জি বাড়ায়ঃ

ঘি এর মধ্য থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি এসিড তাড়াতাড়ি এনার্জি বাড়ায়।
দৌড়ের আগে ঘি খান,তাহলে ওজন কমাতে প্রচুর সাহায্যে করবে।

৭] ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়ঃ
ঘি খেলে এর মধ্য এমন উপাদান রয়েছে যা কোষকে পূর্নগঠন করতে পারে। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সক্ষম।

৮] পজিটিভ ফুডঃ
ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে,কারন ঘি এর গুন প্রাচীনকাল থেকে ই রয়েছে। তবে বেশি পরিমান ঘি খাওয়া যাবে না।পরিমান মতো খেতে হবে।

৯] খিদে কমায়ঃ

ঘি খেলে খিদে কমে যায়।কারন ঘি এ রয়েছে ওমেগা ত্রি ফ্যাটি এসিড।যা খিদে কমাতে অত্যান্ত কার্যকারী।

১০] চোখ ভাল রাখেঃ

ঘি এ রয়েছে ভিটামিন ই।যা চোখ ভাল রাখতে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।এবং দৃষ্টি শক্তি ও অনেকগুন বাড়ায়।

১১] রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ

ঘি এ রয়েছে প্রচুর পুস্টিগুন।যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ করে।
ঘি খেলে অনেক উপকার। তবে সব সময় মনে রাখতে হবে, বেশি পরিমান ঘি খাওয়া যাবে না।এতে ক্ষতি হবে। কারন ঘি যেমন ভাল তেমন খারাপ।এ দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

বাজে কমেন্ট কারীদের উদ্দেশ্য কিছু কথাঃ

আমি শেখার ও জানানোর জন্য পোস্ট করি।
কারো যদি আমার পোস্ট দেখে খারাপ লাগে বা ভাল না লাগে আপনি রিপোর্ট অপশন এ রিপোর্ট করুন।
তবুও একটা রিকুয়েষ্ট পোস্টে বাজে কমেন্ট করবেন না।

আজ এ পযন্ত,
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জ্ঞান আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেস্টা করি।
পরবর্তী ট্রিক এর জন্য অপেক্ষা করুন, আবারো ভাল কিছু নিয়ে হাজির হবো।
সে পযন্ত ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন।

টেকনিক্যাল বিষয়ে যাবতীয় ভিডিও ও সমাধান পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুনঃ

Youtube Channel

যে কোনো প্রয়োজনে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করতে চাইলেঃ- Sk Shipon

ধন্যবাদ

Leave a Reply