আপনার সন্তান স্মার্টফোনের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে নাতো…? যেভাবে মিলবে ভয়ংকর আসক্তির সমাধান

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে amartips তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে amartips তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই amartips এর সাথেই থাকুন ।

স্মার্টফোন আসক্ত

এই ডিজিটাল যুগে মানুষ এখন প্রযুক্তির ব্যবহার বেশি বেশি করছে। আজকাল তো মোবাইল ছাড়া দিনের কথা চিন্তাই করা যায়না। কিন্তু এই মোবাইল ফোন যে আমাদের অনেক ক্ষতি করছে তা কিন্তু আমরা টেরও পাইনা। একটু চিন্তা করে দেখেন মোবাইল আমাদের কি পরিমাণ সময় নষ্ট করছে।

এখনতো গেইম খেলা শুরু করলে মোবাইলের চার্জ শেষ না হওয়ার পর্যন্ত মোবাইল ছাড়েনা। এখন দিনকে দিন মোবাইলের প্রতি মানুষ আসক্তি হচ্ছে। এসবের মধ্যে অন্যতম একটি হলো- শিশুদের স্মার্টফোন আসক্তি।অনেকের বাবা মা বলে তাদের ছেলে মেয়ে মোবাইল ছাড়া বেশি সময় শান্ত থাকেনা। অনেকে তো ল্যাপটপ, টেলিভিশন বা ট্যাবলেটের সামনেও বসিয়ে রাখতে হয় শিশুকে।

আমাদের এই সামান্য ভুলের কারণে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ব্যবহার শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এই শিশু গুলোই একটু বড় হলেই কারো সাথে কথা বলেনা। বাইরে খেলাধুলার বদলে ঘরে বসে ভিডিও গেম খেলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে। আস্তে আস্তে একাকীত্ব পেয়ে বসবে তাদের।

এছাড়া স্ক্রিনের সামনে অনেকক্ষণ থাকার কারণে চোখের ও মাথার সমস্যা তীব্র হতে পারে। ওজন বাড়ার পেছনে এই সমস্যা অনেকাংশে দায়ী। শুরু থেকেই একটু সচেতন থাকলে এই সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব।

★ দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শিশুকে স্মার্ট ডিভাইসের সামনে থাকার অভ্যাস করুন। এছাড়া শিশু স্মার্টফোনে কী করছে, কী দেখছে তার প্রতিও নজর রাখুন।

★ এখন অনলাইন ক্লাসের সময়। শিশু যদি অনলাইনে ক্লাস করে তাহলে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে সে কি করছে সেটি খেয়াল রাখুন। এছাড়া না জেনেই তারা যেকোনো আপত্তিকর ওয়েবসাইটে ঢুকে যেতে পারে।

★ সন্তানের হাতে স্মার্ট ডিভাইস তুলে দিয়ে আপনি নিশ্চিন্ত হয়ে যাবেন না। প্রয়োজনে একসঙ্গে শিশুর সঙ্গে খেলুন বা ভিডিও দেখুন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষণীয় ভিডিও শিশুর সঙ্গে বসে দেখতে পারেন। এতে সে একটু বড় হলে এসব ভিডিও দেখতে বেশি আগ্রহী হবে।

★ আপনি যদি খুব বেশি প্রযুক্তিতে আসক্ত হন, তাহলে স্বাভাবিকভাবে আপনার সন্তানও সেটাই করবে। তাই আগে আপনার নিজের আসক্তি দূর করুন।

★ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধে অসুবিধা দুটোই আপনার সন্তানকে ভালো করে বুঝিয়ে বলুন। ওর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। যাতে অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কী বিপদ হতে পারে, সেটা যেন আপনার সন্তান জানতে পারে।

আশা করি সবাই সবকিছু বুঝতে পেরেছেন। কোথাও সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন অথবা ফেসবুকে জানাতে পারেন ফেসবুকে আমি

Leave a Reply