তেলাকুচা পাতার ঔষুধি গুন ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন।

আসসালামুআলাইকুম। ও হিন্দু ভাইদের আদাব।
আশা করি সবাই ভাল আছেন।আজকে আপনাদের মাঝে আরেকটি চমৎকার পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।টাইটেল দেখে হয়তো বুঝে গেছেন, আজকে কোন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম।
আজকে আপনাদের জানাব, তেলাকুচার পাতার গুন ও উপকারিতা সম্পর্কে।

তেলাকুচা একটি ভেষজ উদ্ভিদ।আমাদের বাড়ীর আঙ্গিনা ও আশে পাশে অনেক হয়ে থাকে।

আমরা যত্ন নিই না, আসলে আমরা জানি না অনেকে যে এই তেলাকুচা পাতার ঔষুদি গুন সম্পর্কে।
তেলাকুচার পাতায় অনেক গুন রয়েছে।যা আজকে আপনারা জানতে চলছেন।আজকে তেলাকুচার পাতার গুন সম্পর্কে জানলে, আপনি নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।
গ্রামের এমন কোনো লোক নেই যে এই তেলাকুচা গাছ চেনে না।সবাই এই তেলাকুচা গাছ দেখেছেন।
কিন্তু এর উপকারিতা দিক সম্পর্কে হয়তো সবার ধারনা নেই।
আজকে জেনে নিন, এবং সম্পন্ন ধারনা নিয়ে নিন।
এই অবহেলার গাছটি আমাদের কত বড় কাজে লাগে,দেখে নিন।

কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক, তেলাকুচা গাছের পাতার উপকার ও ঔষুদি গুনঃ

১] অরুচিঃ
অনেকের মুখে অরুচি হয়, বিশেষ করে জ্বর, ঠান্ডা লাগার কারনে মুখে অরুচি হতে পারে।এর জন্য তেলাকুচার পাতা একটু সিদ্ধ করে, এর পানি তা ফেলে দিয়ে,তার পর ঘি এনে আছে সেটা দিয়ে শাকের মতো রান্না করে খাবেন।
এবং এই শাক খাবেন,আপনার খাওয়াতে রুচি আসবেন।

২] আমাশয়ঃ

আমাশয় হতে থাকলে,এই তেলাকুচার মূল পাতার রস, প্রতিদিন সকালে ও বিকালে ৩-৪ চা চামচ খাবেন।
এবং আপনার আমাশয় ভাল হয়ে যাবে।

৩] শ্লেম্যাজ্বরঃ

শ্লেম্যাজ্বর থেকে রক্ষা পেতে, ৩-৪ চা চামস তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে নিন।
এটি ২-৩ দিন সকাল বিকাল খাবেন।
আশা করি ভাল হয়ে যাবে।

৪] ফোঁড়া ও ব্রনঃ

ফোড়া ও ব্রন ভাল করার জন্য এই তেলাকুচার পাতা অত্যান্ত ভুমিকা রাখে।
তেলাকুচার পাতার রস ছেচে, কাক্ষিত স্থানে লাগান।
দেখবেন ব্রন ও ফোঁড়া ভাল হয়ে যাবে।এটা ম্যাজিক এর মতো কাজ করে।

৫] স্তনে দুধ স্বল্পতাঃ

সন্তান প্রসব এর এর পর,অনেক মা এর দুধ আসে না। এ অবস্থা হলে একটা তেলাকুচার ফলের রস হাল্কা গরম করে , এর সাথে মধু মিশিয়ে ১ সপ্তাহ সকাল এবং বিকাল খেলে।
স্তনের দুধের স্বল্পতা দূর হবে।

৬] শ্বাসকস্ট( হাঁপানী ব্যাতিত)
অনেকের শ্বাসকষ্ট তে ভুগে থাকেন। অনেক সময় সর্দি,কাশির কারনে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।এর থেকে রক্ষা পেতে, তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে নিতে হবে।
এবং এটি ৩-৪ চা চামস প্রতিদিন সকাল বিকাল খাবেন।এতে শ্বাসকষ্ট জনিত সকল সমস্যা দূর হবে।( হাঁপানি ব্যাতিত)

৭] কাশিঃ

কাশি ভাল করার জন্য ও তেলাকুচা পাতার অনেক গুন রয়েছে।
কাশি ভাল করার জন্য ৩-৪ চা চামস তেলাকুচার পাতার রস, সকালে ও বিকালে খাবেন।
এতে কাশি ভাল হয়ে যাবে।

৮] পা ফোলা রোগঃ

পা ফোলা রোগ অনেকের ই হয়ে থাকে। অনেক সময় বেশিক্ষন বসে থাকলে ও পা ফুলে যেতে পারে।
এ সমস্যা দেখা দিলে তেলাকুচার পাতা ছেচে প্রতিদিন সকাল বিকাল ৩-৪ চা চামচ খাবেন।
ভাল হয়ে যাবে।

৯] জন্ডিসঃ

জন্ডিস হলে আমরা অনেকে অনেক ভয় পেয়ে থাকি।

তেলাকুচার পাতা আমরা অবহেলা করি এটাই জন্ডিস এর জন্য অত্যান্ত ভাল কাজ করে।
জন্ডিস হলে তেলাকুচার মূল ছেচে নিন,এবং প্রতিদিন আধা কাপ রস খাবেন।উপকার পাবেন।

এবার তো বুঝলেন! আমাদের অবহেলার এই তেলাকুচা গাছের কত মূল্যা।

টেকনিক্যাল বিষয়ে যাবতীয় ভিডিও ও সমাধান পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুনঃ

Youtube Channel

আজ এ পযন্ত,
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জ্ঞান আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেস্টা করি।
পরবর্তী ট্রিক এর জন্য অপেক্ষা করুন, আবারো ভাল কিছু নিয়ে হাজির হবো।
সে পযন্ত ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন।

যে কোনো প্রয়োজনে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করতে চাইলেঃ- Sk Shipon

ধন্যবাদ

Leave a Reply