ওজন বাড়ানোর উপায়, যারা ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য কার্যকারী ।

আসসালামুআলাইকুম।ও হিন্দু ভাইদের জানাই আদাব। আশা করি সবাই ভাল আছেন। প্রতিবারের মতো, আবারো আরেকটি আর্টিক্যাল নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের মাঝে।টাইটেল দেখে হয়তো বুঝে গেছেন, আজকে কোন বিষয় নিয়ে লিখতে যাচ্ছি।আজকের আর্টিক্যাল এর বিষয় হলো, আপনার ওজন আপনি কিভাবে বৃদ্ধি করতে পারবেন। আসলে ওজন বাড়ানো যেমন কঠিন, আবার ওজন কমানো ও অনেক কঠিন।তবে আজকের টিপ্স টি ফলো করলে, অনেকের ওজন বাড়াতে অনেক সাহায্য করবে।
ওজন বাড়লে রোগ ও বেশি হয় তাদের শরীরে। এটা ভুল! কারন ওজন বাড়লেই যে রোগ হিয় তা না। তবে রোগ হওয়ার ঝুকি থাকে যাদের ওজন বেশি তাদের। তার পর ও যাদের স্বাস্থ একদম নাই, তাদের তো একটু চেস্টা করতে হবে ওজন বাড়ানোর। তাই আজকের টিপ্সটি ফলো করলে, আশা করি আপনাদের ওজন বাড়বে।
ওজন কমে যাওয়ার কারন আছে অনেক।
অনিয়মিত খাদ্যভ্যাস,ক্যান্সার,ডায়বেটিস, কিডনির সমস্যা,জিনেটিক কারন,টেনশন সহ আরো অনেক কারনে ওজন কমে যেতে পারে।আমাদের শরীর অনুযায়ী ওজন ঠিক রাখা উচিৎ। কথা না বাড়িয়ে এবার শুরু করা যাক,কিভাবে আপনার ওজন বাড়াবেনঃ

১] বাইরের খাবারঃ

ওজন বাড়ানোর জন্য বাইরের খাবার গুরুত্বপূর্ণ। আমরা নিষেদ করে থাকি বাইরের খাবার না খাওয়ার জন্য। তবে ওজন বাড়ানোর জন্য বাইরের খাবার খেতে হবে।আইসক্রিম,কোল্ড ডিংক,পেস্টি বার্গার ইত্যাদি।
আপনি ওজন বাড়াতে এগুলো খেতে পারেন। তবে পরিমান মতো আপনার খাবার গুলো খেতে হবে।

২] ঘুমানোর আগে দুধ-মধু পানঃ

ঘুমানোর আগে প্রচুর পুস্টিকর ও ক্যালরি যুক্ত এমন খাবার খেতে হবে।দুধ ও মধু এতে প্রচুর পুস্টি উপাদান ও ক্যালরি আছে। আপনি ঘুমানোর আগে খেয়ে ঘুমাইলে এগুলো ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে। দুধ ও মধু খেয়ে ঘুমাইলে ওজন বাড়ানোর জন্য অনেক ভাল ফল পাবেন।

৩] ঘুমঃ

শরীর সঠিক রাখার মেইন হলো ঘুম।আমাদের প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিৎ। এর থেকে কম ঘুমানো যাবে না। নিয়মিত ঘুম হলে আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে।এবং প্রতিদিন আপনি নিয়ম করে ইয়োগা বা যোগাসন করতে পারেন। আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে।

৪] টেনশন মুক্ত থাকুনঃ

সব সমস্যার বড় কারন সেটা হলো টেনশন করা।ওজন বাড়াতে টেনশন মুক্ত থাকতে হবে। কারন একটা মানুষকে টেনশন তিলে তিলে শেষ করে দেয়। তাই আমাদের সব সময় উচিৎ টেনশন মুক্ত থাকা। এই টেনশনমুক্ত থাকলে ওজন বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করবে।

৫] ড্রাই-ফ্রুটস খাবেনঃ
ড্রাই ফ্রুটস এ আছে,প্রচুর ক্যালরি ও ফ্যাট, যা ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।আপনি ঘুম থেকে উঠেই ২ টি কাজু ও কিসমিস খাবেন। এতে আপনার শরীরে এক্সটা ক্যালসিম যুক্ত হবে, যার কারনে আপনার ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।সকালে নাস্তার সময় আমন্ড বা পেস্তা রাখুন। এ নিয়ম গুলো ফলো করলে আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে।

৬] সঠিন প্রোটিন গ্রহনঃ

ওজন বৃদ্ধি করতে শুধু মাত্র ক্যালরি যথেষ্ট নয়।ক্যালরি যুক্ত খাবার খাওয়ার পাশা পাশি প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া উচিৎ। কারন প্রোটিন জাতীয় খাবার ক্যালরির পাশা পাশি বাড়তী ফ্যাটের কারন হয়ে দাঁড়ায়। তাই সঠিক প্রোটিন গ্রহন করা উচিৎ আমাদের।

৭] বেশি ক্যালরি গ্রহনঃ

ওজন বাড়াতে আপনার খাবার তালিকায় বেশি ক্যালরি গ্রহন করতে হবে। কারন এক্সটা ক্যালরি শরীর গঠনে সাহায্য করে। বেশি ক্যালরি শরীর এর ওজন বাড়িয়ে তোলে।তবে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে,সঠিক পরিমান ক্যালরি গ্রহন করতে হবে। বেশি ক্যালরি গ্রহন করা যাবে না। কারন অতিরিক্ত ক্যালরি যুক্ত খাবার আমাদের স্বাস্থের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এটা আমাদের ভাবতে হবে।

৮] বার বার খাবার গ্রহনঃ

বার বার খাবার গ্রহন করা উচিৎ যাদের স্বাস্থ বাড়ানো দরকার তাদের।যারা ওজন বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন,তারা ২ ঘন্টা পর পর খেতে পারেন।এ সময়, দুধ,কলা,ছানা, দই, মিস্টি ইত্যাদি খেতে পারেন।এগুলা খেলে আপনার শরীর এর পুস্টির পাশা পাশি আপনার ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

৯] ব্যায়াম করাঃ

শুধু ওজন কমাতে নয়। ওজন বাড়াতে ও ব্যায়াম করা উচিৎ। অভিজ্ঞ জিম এর লোকদের থেকে পরামর্শ নিতে পারেন,কোন ব্যায়াম করলে আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে। আপনার সব দিকে বিবেচনা করে চলতে হবে।

১০] চর্বিযুক্ত খাবারঃ

ওজন দ্রুত বৃদ্ধির জন্য চর্বিযুক্ত খাবার খেতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে পরিমান মতো খেতে হবে। কারন বেশি চর্বি আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
সঠিকভাবে চর্বিযুক্ত খাবার খেতে হবে। সব দিক বিবেচনা করে।

উক্ত টিপ্সগুলো ফলো করলে,আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে আশা করা যায়।

টেকনিক্যাল বিষয়ে যাবতীয় ভিডিও ও সমাধান পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুনঃ

Youtube Channel

আজ এ পযন্ত,
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জ্ঞান আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেস্টা করি।
পরবর্তী ট্রিক এর জন্য অপেক্ষা করুন, আবারো ভাল কিছু নিয়ে হাজির হবো।
সে পযন্ত ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন।

যে কোনো প্রয়োজনে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করতে চাইলেঃ- Sk Shipon

ধন্যবাদ

Leave a Reply