প্রতিদিন আপেল খাওয়ার উপকারিতা ও পুস্টিগুন গুলো জেনে নিন।

আসসালামুআলাইকুম, ও হিন্দু ভাইদের আদাব। আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন।প্রতিবারের মতো আবারো আপনাদের মাঝে আরেকটি আর্টিক্যাল নিয়ে হাজির হলাম।টাইটেল দেখে অনেকে হয়তো বুঝে গেছেন, আজকে কোন বিষয় আপনাদের মাঝে লিখতে যাচ্ছি। আজকের বিষয় হলো আপেল খাওয়ার উপকারিতা ও পুস্টিগুন। প্রতিদিন একটা করে আপেল খেলে ডাক্তার এর কাছে যাওয়া লাগবে না। তাহলে বোঝেন এই আপেলে কত পুস্টিগুন ও উপকারিতা রয়েছে। তাই,আমাদের প্রতিদিন একটা করে হলে ও আপেল খাওয়া উচিৎ। আরো অনেক উপকার আছে এই আপেলে। এগুলো উপকারিতা দিক আপনাদের মাঝে তুলে ধরব। আমাদের স্বাস্থ ভাল রাখার জন্য পুস্টিকর খাবার বেশি বেশি খাওয়া উচিৎ। কারন পুস্টিকর খাবার খেলে আমাদের শরীর রোগ বাসা বাধতে পারবে না। এবং আমাদের স্বাস্থ ও ভাল থাকবে। আজকে এ রকম আপেল এর কিছু গুনাগুন আপনাদের মাঝে তুলে ধরব। আপনারা আশা করি এগুলো জেনে নিয়মিত আপেল খাবেন। আপেলে অনেক ভিটামিন ও পুস্টিগুন রয়েছে। যা আপনারা আজকে জানতে পারবেন। শুধু আপেল না, আরো বিভিন্ন ফলমূল খেতে হবে। তাহলে আমাদের শরীর ও স্বাস্থ ঠিক থাকবে। কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক তাহলে, প্রতিদিন আপেল খাওয়ার উপকারিতা ও পুস্টিগুনঃ

১) হাঁপানী তীব্রতা কমাতেঃ.

আপনি নিয়মিত কি পরিমানে আপেল খাচ্ছেন,এটার উপর নির্ভর করে হাঁপানীর সমস্যা কমে। হাঁপানী সমস্যা আছে যাদের তারা নিয়মিত আপেল খাবেন। হাঁপানী সমস্যায় আপেল খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, হাঁপানী সমস্যা কমাতে আপেল খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

২) দাঁত সাদা করেঃ

আপেল দাঁত কে সাদা করে।ও দাঁতের হলদেভাব দূর করে। আপেল খাওয়ার সময়
দাঁতের কোনে আটকে থাকা খাবার ও দাঁতের হলদেভাব দূর হয়ে যায়। তাই আমাদের আপেল খাওয়ার খুব গুরুত্বপূর্ণ।

৩) অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষাঃ

এই ফলটি আপনার প্রতিদিন এর খাদ্য তালিকায় যোগ করার আগে একটু ভাবতে হবে। এই ফলটি খাওয়ার পর যদি আপনার শরীর এর কোথাও ফুলে যায় বা অ্যালার্জি হয়ে থাকে। তাহলে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে।

৪) ডায়াবেটিস ঝুকি কমায়ঃ

যাদের ডায়াবেটিস আছে,তাদের জন্য আপেল খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন একটি করে না হলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটা করে আপেল খেতে হবে। আপেল ডায়াবেটিস ঝুকি কমায়। ২৮ শতাংশ দাবি বিশেষজ্ঞদের। তাই যাদের ডায়াবেটিস আছে,তাদের বেশি বেশি আপেল খাওয়া উচিৎ।

৫) ক্যান্সার এর ঝুকি কমায়ঃ

প্রতিদিন একটা করে আপেল খেলে আপনার ক্যান্সার হওয়ার ঝুকি অনেকটা কমে যায়। বিশেষ করে যারা ধুমপান করে তারা যদি আপেল খায় এবং ধুমপান বাদ দেয় তাদের ফুসফুস পরিস্কার হবে। এবং ক্যান্সার এর ঝুকি কমে যাবে।

৬) অন্ত্রের সুস্বাস্থঃ

সুস্থ থাকতে হলে কমপক্ষে প্রতিদিন একটা করে আপেল খাওয়া উচিৎ। কারন আপেলে প্রচুর ভিটামিব বিদ্ধামান আছে। পেট ব্যাথা,পেট ফোলা, এক কথায় অন্ত্রের সমস্যা ঠিক রাখতে আপেল খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

৭) ওজন নিয়ন্ত্রনঃ

আপেল খেলে আপনার ওজন নিয়ত্রন থাকে। আপেলে ফ্যাট জাতীয় কোনো উপাদান নেই। তাই কোনো কিছু খাওয়ার আগে বা নাস্তা হিসাবে যদি আপেল খান তাহলে আপনার ওজন বাড়বে না। বরং আপনার ওজন নিয়ত্রন থাকবে।

৮) স্নায়ুবিজ স্বাস্থ্যর উন্নতিঃ

আপেল খেলে মস্তিষ্কএর নিয়রন গুলো আরো বেশি কার্যক্ষম হয়। আপেলে অনেক পুস্টিগুন রয়েছে। তাই আমাদের প্রতিদিন না হলে সপ্তাহে একটা হলেও আপেল খাওয়া আমাদের উচিৎ।

৯) রোগ প্রতিরোধ করেঃ

আপেল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কে শক্তিশালী করে৷ আপেলে অনেক পুস্টিগুন ও উপকারিতা রয়েছে। যা আমাদের স্বাস্থ এর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপেল খেলে রোগ শরীরে বাসা বাধতে পাড়ে না। আপেল রোগ প্রতিরোধ করতে ব্যাপক ভুমিকা রাখে।

১০) হৃদরোগ এর ঝুকি কমায়ঃ

হৃদরোগ এর ঝুকি কমাতে আপেল খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। আপেল ২০ শতাংশ হৃদরোগ কমাতে ভুমিকা রাখে। তাই আমাদের সবার আপেল খাওয়া অত্যান্ত জরুরি।

টেকনিক্যাল বিষয়ে যাবতীয় ভিডিও ও সমাধান পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুনঃ

Youtube Channel

আজ এ পযন্ত,

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জ্ঞান আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেস্টা করি।
পরবর্তী ট্রিক এর জন্য অপেক্ষা করুন, আবারো ভাল কিছু নিয়ে হাজির হবো।
সে পযন্ত ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন।

যে কোনো প্রয়োজনে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করতে চাইলেঃ- Sk Shipon

ধন্যবাদ

Leave a Reply