কিডনি ক্ষতি বা নস্ট হয়ে যাওয়ার ১০ টি কারন,জেনে নিন।

আসসালামুআলাইকুম, ও হিন্দু ভাইদের জানাই আদাব। আশা করি সবাই ভাল আছেন। কারন আমারটিপ্সর সাথে থাকলে নিত্যনতুন ট্রিক ও টিপস সম্পর্কে জানা যায় ও ভাল থাকা যায়।প্রতিবারের মতো আবারো আরেকটি আর্টিক্যাল নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম।টাইটেল দেখে হয়তো সবাই বুঝে গেছেন,আজকে কোন বিষয়ে আর্টিক্যাল লিখতে যাচ্ছি। আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব,কিডনি নস্ট হয়ে যাওয়ার ১০ টি কারন সম্পর্কে। আমাদের শরীরে কিডনি অনেক বড় দামি একটি সম্পদ।কিডনি ছাড়া কোনো মানুষ ই বাচতে পারে না।তাই আমাদের সব সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে আমাদের কিডনিতে সমস্যা না হয়। আজকে এমন ১০ টা কারন আপনাদের মাঝে শেয়ার করব,যে ১০ টা কারন হতে পারে কিডনি নস্টের কারন। তাই আজকের এই কাজ গুলো কখনো করবেন না।আমাদের সব সময় ভেবে চিন্তে কাজ করা উচিৎ। কারন সামান্য অসতর্ক এর কারনে অনেক বড় বিপদ আসতে পারে।তাই আমাদের সব সময় ভেবে কাজ করা উচিৎ।

আজকের আর্টিক্যালটি পড়ে,আপনি সব সময় সতর্ক থাকবেন,যেন এই ১০ টি কাজ কখনো না হয়। কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক,কিডনি নস্টের ১০ টি কারনঃ

১) রাত জেগে থাকাঃ

রাত জেগে থাকা এটা আমাদের অনেকের অভ্যাস এ পরিনত হয়ে গেছে।কিন্তু ঘুম যে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এটা আমরা ভাবি না।বেশি রাত জাগলে না ঘুমাইলে আমাদের কিডনিতে প্রচুর প্রভাব পড়ে। যার কারনে এক সময় কিডনি অকোজা হয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের উচিৎ রাত না জেগে ঘুমানো।

২) সর্দি – কাশিকে পাত্তা না দেয়াঃ

সাধারনত সর্দি – কাশিকে আমরা পাত্তা দিই না৷ কিন্তু এই সর্দি – কাশি ই আমাদের কিডনি নস্টের বড় কারন হতে পারে। এবং এক গবেষনায় ও দেখা গেছে যে যারা বিশ্রাম না নেয় তাদের কিডনির সমস্যা বেশি দেখা যায়।

৩) ধুমপানে আসক্তিঃ

এক গবেষনায় দেখা গেছে, এই ধুমপান প্রচুর ক্ষতি করে কিডনির। তাই আমাদের কিডনি ভাল রাখতে চাইলে ধুমপান বাদ দিতে হবে। সুধু কিডনি না আরো অনেক ক্ষতি করে এই ধুমপান। তাই আমাদের ধুমপান ছেড়ে দেয়া উচিৎ।

৪) অ্যালকোহলে আসক্তিঃ

অ্যালকোহলে অনেক ধরনের টক্সিন থাকে।যা আমাদের কিডনির উপর প্রচুর প্রভাব ফেলে,চাপ পড়ে। অনেকে মদ্য পান করে খুব বেশি। যার কারনে তাদের কিডনির সমস্যা হয়ে যায়। তাই উচিৎ মদ্য বা অ্যালকোহল পান না করা।

৫) বেশি বেশি প্রোটিন খাওয়াঃ

লাল শাক,গরুর মাংশ,ছাগলের মাংশ এগুলো বেশি বেশি খাওয়া উচিৎ না। কারন এগুলোতে অনেক বেশি প্রোটিন রয়েছে। বেশি প্রোটিন খেলে কিডনির সমস্যা হয়ে যায়। তাই আমাদের উচিৎ প্রোটিন জাতীয় খাবার খুব কম খাওয়ার।

৬) ব্যাথানাশকের প্রতি নির্ভরশীলতাঃ

আমরা অনেকেই মাথা ব্যাথা,পায়ে ব্যাথা,গলা ব্যাথা এগুলো ঔষুধ খেয়ে থাকি। কিন্তু আমরা জানি না যে অনেক ব্যাথার ঔষুধে পাশ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে,যা আমাদের কিডনির জন্য অনেক ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়।

৭) ক্যাফেইনে বেশি আশক্তঃ

আমাদের যখন পানি পিপাসা লাগে তখন আমরা বিভিন্ন কোমল পানীয় পান করে থাকি। কিন্তু আমরা জানি না যে এসব কোমল পানীয় এর মধ্য প্রচুর ক্যাফেইন থাকে। যা আমাদের রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয়। এবং আমাদের কিডনির উপর প্রভাব পড়ে।

৮) বেশি লবন খাওয়াঃ

খাবারে লবন ছাড়া খাওয়া যায় না,লবন খেতে ই হয়৷ কিন্তু প্রয়োজন এর তুলনায় বেশি লবন খাওয়া অনেক ক্ষতিকর। লবন বেশি খাইলে কিডনি নস্ট বা অচল হয়ে যেতে পারে।তাই প্রয়োজন এর তুলনায় বেশি লবন খাওয়া উচিৎ না।

৯) দীর্ঘক্ষন প্রসাব না করে থাকাঃ

অনেক সময় আমরা আমাদের প্রসাব আটকে রাখি। এবং প্রসাব করি না সহযে। আমরা জানি না এতে কত বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনির। এরকম করলে কিডনির কার্যক্ষমতা হাড়ায়, এবং এক সময় কিডনি নস্ট হয়ে যায়।তাই আমাদের এটা করা উচিৎ না।

১০) পর্যাপ্ত পানি পান না করাঃ

পানি আমাদের শরীরের জন্য অত্যান্ত জরুরী।আমাদের শরীর এর ৭০ শতাংশ পানি রয়েছে।কিডনি ভাল রাখার জন্য পানি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের উচিৎ দিনে ৭-৮ লিটার পানি পান করা উচিৎ।

টেকনিক্যাল বিষয়ে যাবতীয় ভিডিও ও সমাধান পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুনঃ

Youtube Channel

আজ এ পযন্ত,

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জ্ঞান আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেস্টা করি।
পরবর্তী ট্রিক এর জন্য অপেক্ষা করুন, আবারো ভাল কিছু নিয়ে হাজির হবো।
সে পযন্ত ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন।

যে কোনো প্রয়োজনে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করতে চাইলেঃ- Sk Shipon

ধন্যবাদ

Leave a Reply