ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার কিছু টিপস এবং ট্রিকস, সকল ভর্তি পরীক্ষার্থীদের দেখা উচিত (বিজ্ঞান বিভাগ)

জুন জুলাই থেকেই শুরু হচ্ছে বিরতিহীন ভর্তি পরীক্ষা। এখন এই সময়ে যে যার যার মত প্রিপারেশন এ লেগে আছে। এই সময়টা সবাই নিজের মত করে কাজে লাগাচ্ছে। যারা সাইন্স গ্রুপে আছ তাদের কষ্ট বলা যায় আলাদা। এই প্রিপারেশন নিয়ে আজকে কিছু কথা বলব। প্রিপারেশন সবাই নিজের মত করেই নেয়, এবং একজন কখনোই অন্যজনের দেয়া রুটিন ফলো করে না বা করতে পারে না, এটি সম্ভব না। (কিছুটা পলির বর্জন নীতির মত) তবে কতগুলো টিপস আমি শেয়ার করতে পারি যা আমার কাজে লাগছে এবং তুমাদের ও আশা করি লাগবে……

Tips And Tricks

এবছর থেকে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে সবার জানা আছে এবং এ নিয়ে অনেকের মধ্যে অনেক কনফিউসন। প্রশ্নের প্যাটার্ন কেমন হবে, কোথা থেকে প্রশ্ন হবে, কঠিন হবে নাকি সহজ হবে। এবং এ নিয়ে বাজারে অনেকে ব্যাবসা শুরু করে দিয়েছে হাজার রকমের বই বিক্রির মাধ্যমে। এক শব্দে সোজা বাংলায় এ নিয়ে যা বলা যায় তা হল প্রশ্ন সোজা নাকি কঠিন নির্ভর করে প্রতিটি ব্যাক্তির উপর কিন্তু প্রশ্ন বই থেকেই হবে। প্রতি বছর বই থেকেই প্রশ্ন হয় , এবছর গুচ্ছ হোক বা যাই হোক বই থেকেই প্রশ্ন হবে। তাহলে
Tips No 1: প্রথমে মেইন বই ফলো করব এবং চ্যাপ্টার ভিত্তিক না পড়ে থিওরি ভিত্তিক পড়ার চেষ্টা করব। যেমন: যদি আমরা গতির চ্যাপ্টার পড়ি তাহলে অনেকেই মনে মনে চিন্তা করে নেই এখানে প্রসের অংক, গাড়ির অংক ইত্যাদি থাকবে। এইভাবে না পড়ে প্রাসের থিওরি, প্রাস থাকলে কিভাবে অংক করতে হয় এতে ঘটনা কি হয় ইত্যাদি ইত্যাদি খুঁটিনাটি ভাবে পড়লে বেশি কাজে দেবে বলে আমি মনে করি কিন্তু যার যার পড়ার স্টাইল আলাদা❤️।

এখন বই পড়া শেষে তুমার প্রস্তুতি জীবনেও কমপ্লিট হবে না যদি না তুমি কোনো প্রশ্ন ব্যাংক পর। ভার্সিটি তে প্রশ্নের প্যাটার্ন ফলো করতে হবে। কারণ Hsc সিলেবাস অনেক বড়। প্রশ্ন যদি আমরা কোথা থেকে হবে কিরকম হতে পারে এই নিয়ে গবেষণা না করি তাহলে জীবনেও ভাল রেজাল্ট আশা করা যায় না বলে আমি মনে করি। কিন্তু এটি কঠিন কোনো কাজ না কারণ আগেই বলেছি সব প্রশ্ন বই থেকে হয় এবং প্রশ্নব্যাংক সমাধান করতে গেলে দেখা যাবে সব বইয়ের ই অংক, কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু ব্যতিক্রম দেখা যায়। এখন সমস্যা হয়ে পরে এইসব বেতিক্রম প্রশ্ন দেখে আমাদের মনে হয় এইগুলা পরীক্ষায় আসলে আমি গেছি আমাকে নিয়ে কিছু হবেনা। কিন্তু একটু ভাল করলে লক্ষ্য করলে দেখবে বেতিক্রম আসলে কিছুই না তুমি যা থিওরি পড়েছ সেখান থেকেই দেয়া হয়েছে এইসব প্রশ্ন কিন্তু একটু ঘুরিয়ে পেচিয়ে , যার সমাধান দেখলেই তুমি বলবে আরে এগুলা আমি আগে থেকেই পারি।
Tips No 2: তাহলে এই দিকে দিয়ে আমি সাজেস্ট করব ইউটিউবকে। তুমি যদি প্রশ্ন ব্যাংক এর দিকে মনোযোগ দিয়ে থাক তাহলে আমি বলব ইউটিউব এ একটি চ্যানেল আছে সেটাকে ফলো করতে। সেখানে প্রতিদিন বুয়েট, কুয়েত, ডাবি ইত্যাদির প্রশ্নব্যাংক থেকে প্রশ্নের সলিউশন দেয়া হয়। এইগুলা দেখলে তুমার প্রিপারেশন অবশ্যই ৩০-৪০ পারসেন্ট বেড়ে যাবে। Youtube Channel Aid Academy

সব কিছু করা হলেও মাঝে মাঝে প্রেশারের কারণে বা অন্য কিছু কারণে কিছু প্রশ্নের সলিউশন কোনো ভাবেই আমাদের মাথায় আসে না। আমরা এর সূত্র, থিওরি সব জানি কিন্তু কোনোভাবেই প্রশ্নের সমাধান করা সম্ভব হয়ে থাকে না। এই দুইটি কারণ হতে পারে। প্রথম কারণ হল: মাথায় প্রেসার বেশি এবং ভালভাবে চিন্তা করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ২০-৩০ মিনিট মাথা ফ্রেশ করে বিশ্রাম নিয়ে একই কাজ আবার কর দেখবে তুমি পারছ। এটি আমার ক্ষেত্রে হয়েছে। এবং দ্বিতীয় কারণটি হতে পারে যে বিষয়ে কাজ করছ সে বিষয়ে থিওরি সূত্র এই সব তুমার ভালভাবে আয়ত্ত করা হয়নি। তুমার মনে হতে পারে তুমি পার কিন্তু দেখা যাবে তুমি আসলেই কিছু জিনিস পার না। Tips No 3: এই জন্য বলব এই বিষয়ে তুমি আবার পরে নাও। বই যদি পড়া হয়ে থাকে আমি তাহলে আবারো ইউটিউব কে সাজেস্ট করব। ইউটিউব এ অনেক চ্যানেল আছে যেখান থেকে তুমি শিখতে পার তার মধ্যে কিছু হচ্ছে, Aid Academy, Onnorokom Pathshala, 10 Minutes School, Edutubebd, Udvash ইত্যাদি। এবং অনেক দেশী বিদেশী ভিডিও থেকেও তুমি শিখে নিতে পার। আমার কথা যদি বলি আমি আমার কলেজের টিচার এর চেয়ে ১০০ গুন বেশি শিখেছি অনলাইন থেকে ক্লাস করে।
সর্বশেষ আমি যা সাজেস্ট করব সেটি হচ্ছে পরীক্ষা। কোনো পরীক্ষা দেয়ার আগে তুমার অবশ্যই পরীক্ষার উপর প্রিপারেশন নেয়া উচিত। নাহয় একবারেই পরীক্ষা দিতে গিয়ে অনেক কিছু ভুল করে চলে আসবে তুমি। এখন অফলাইনে যেহেতু ক্লাস নেই তাই তুমাকে অবশ্যই অনলাইনে এক্সাম দিতে হবে।
Aid Academy এর পক্ষ থেকে এইরকম একটি এক্সাম প্রগ্রাম এর কথা শুনেছি। তুমরা চাইলে সেখানে ফ্রীতে জয়েন থাকতে পার।
Aid Academy

Online Problem Solver

আমরা কোনো সাবজেক্ট পড়তে পড়তে কোনো না কোনো সময়ই আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন আসে। কিন্তু কোনো টিচার না থাকায় অথবা আশেপাশে কেউ না থাকায় সেটি কাউকে বলা যায় না এবং আমার মন তার উত্তর খুঁজতেই থাকে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য তুমরা টেলিগ্রামে গ্রুপে জয়েন হতে পার। সেখানে ৫০০ এর বেশি সাইন্স পরীক্ষার্থী রয়েছে। সেখানে প্রতি ঘণ্টায় অনেক রকম সমস্যা দেয়া হয় এবং আমরা নিজেরা নিজেরাই তার সমাধান করি। এই কারণে একদিকে আমার নিজের সমস্যার সমাধান হচ্ছে এবং অন্যদিকে অনেক কিছু শেখা হচ্ছে। অনলাইনে ফেসবুক গুতাগুতি না করে এখানে জয়েন হলে সবার জন্য ভাল হবে বলে মনে করি আমি। গ্রুপটির এডমিন হিসেবে আছে আমাদের বুয়েটিয়ান ভাইয়া ইরফানুর রহমান।

😍👖😭😚👖😾👖😓😚🤤🤐😍

Group Link:Telegram Group Link

Leave a Reply